শিরোনাম
◈ শিক্ষার্থীদের প্রতি বছর নতুন করে ভর্তি ফি নেওয়ার প্রথা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রতিবাদ শুরু ◈ ঢাকায় পরিত্যক্ত মার্কেট থেকে ভেসে আসছিল দুর্গন্ধ, অতঃপর... ◈ উত্তরায় এলিট ফোর্স সদস্যের শটগান ছিনতাই ◈ অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২ঢাকার ৪ থানায় অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৯ ◈ পুরস্কারের অর্থের কী হবে? ব্যাখ্যা দি‌লো নরওয়ের কমিটি ◈ ক্রিকেটার সূর্যকুমারকে নিয়ে মন্তব্য করে বিপদে খুশি মুখোপাধ্যায়, অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা ◈ যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়া ক্ষমতা দেখানোর প্রতিযোগিতায় নেমেছে ◈ ২১ দিন মা–মেয়ের লাশ নিজ ফ্ল্যাটে রেখেই পরিবার নিয়ে দিব্যি বসবাস করছিলেন হত্যাকারী! ◈ ‌বিশ্বকা‌পে বাংলাদেশের জন্য কলকাতা অত্যন্ত নিরাপদ : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মনোজ তিওয়ারি ◈ পাকিস্তানে ট্রাক খালে পড়ে একই পরিবারের ১৪ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত : ২১ জানুয়ারী, ২০২০, ০৯:৫৭ সকাল
আপডেট : ২১ জানুয়ারী, ২০২০, ০৯:৫৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

খতনার ভয়ে বাড়ির ছাদে শিশু, ডাক্তার করলেন ছবি পোস্ট

বিএসএল নিউজ : খতনার ভয়ে পালিয়ে একটি শিশুর বাড়ির চালে ওঠার ছবি ভাইরাল হয়েছে। খতনা করাতে আসা ডাক্তার পাঁচ বছর বয়সী ওই শিশুর ছবি ফেসবুকে পোস্ট করার পর তা ভাইরাল হয়। ঘটনাটি ঘটেছে ইন্দোনেশিয়ার এক মুসলিম পরিবারে। এ ছবি মুহূর্তেই শেয়ার হয় প্রায় ১৩শ’ এবং কমেন্ট পড়ে তিন হাজারের বেশি।

ভাইরাল হওয়া ওই ছবিতে দেখা যায়, নেভি ব্লু টি-শার্ট আর শর্টস পড়া মাত্র পাঁচ বছরের একটি শিশু দুই পা দুদিকে ঝুলিয়ে বাড়ির ছাদে বসে আছে। এবং খতনা না করার জন্য সেখানেই ২ ঘণ্টা বসে থাকে শিশুটি। আর তখন ছবিটি তুলে ফেসবুকে পোস্ট করেন শিশুটিকে খতনা করতে আসা স্থানীয় ডাক্তার আনিক সুতারি।
ডাক্তার আনিক সুতারি বলেন, তিনি ২০ বছরে প্রায় এক হাজারের বেশি শিশুকে খতনা করিয়েছেন। কিন্তু ২০ বছরের অভিজ্ঞতায় এমন মুহূর্তের সম্মুখীন হননি কখনো। এই প্রথম কোনো শিশুকে দেখলেন যে খতনা না করার জন্য বাড়ির ছাদে উঠেছে। সেখানে থাকা প্রায় প্রত্যকে শিশুটিকে ছাদ থেকে নামাতে চেষ্টা করেছে। শিশুটির কাছে উঠতে চাইলে যদি শিশুটি পালানোর চেষ্টা করার সময় কোনো দুর্ঘটনা ঘটে এই ভয়ে শিশুটির কাছে কেউ যেতে পারেনি।
দুই ঘণ্টা পর শিশুটির স্কুল শিক্ষককে ডেকে তারপর শিশুকে নামানো সম্ভব হয়। তবে নামার পরে শিশুটি নিজেই খতনা দেয়ার স্থানে বসে। খতনা দেয়ার আগে সব প্রস্তুতি নিতে প্রায় ১০ মিনিট সময়ে কোনো বাধা দেয়নি। এরপর তাকে খতনা দেয়া হয়। খতনা দেয়ার সময় কোনো কান্নাকাটি এবং ব্যথার জন্য কোনো অভিযোগও করেনি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়