শিরোনাম
◈ ট্রাম্পের নতুন শুল্ক ঘোষণার পর বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তির ভবিষ্যৎ কী? ◈ এয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুর সময় জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ অবৈধ ভবন রোধে কড়া বার্তা, কুমিল্লায় গণপূর্তমন্ত্রীর ঘোষণা ◈ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নৌবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ◈ বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করতেই হবে তারেক রহমানকে ◈ বর্ণবি‌দ্বে‌ষি মন্তব‌্য বন্ধ কর‌তে ফুটবলে নতুন আইন করতে যাচ্ছে ফিফা ◈ ফুটবলার সামিত সোমের ছবি পোস্ট করে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানালো ফিফা  ◈ ক্ষমতা হস্তান্তরের পর কোথায় আছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস, কী করছেন এখন? ◈ ভয়ভীতি মুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরি করবো: তথ্যমন্ত্রী ◈ মাহদী হাসানের সঙ্গে দিল্লিতে ঠিক কী হয়েছিল?

প্রকাশিত : ১৮ জানুয়ারী, ২০২০, ০৪:৪০ সকাল
আপডেট : ১৮ জানুয়ারী, ২০২০, ০৪:৪০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঘি খেলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা ও স্মৃতিশক্তি বাড়ে

নিউজ ডেস্ক: মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে ঘি হলো অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। খালি পেটে ঘি খেলে শরীরের অনেক উপকার পাওয়া যায়। এমনকি ওজনও নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। ঘি তে প্রচুর পরিমাণে অ্যাসেনশিয়াল ফ্যাট যা মস্তিষ্কের কোষের কর্মক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এমনকি ওজনও নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। একুশে টিভি

খালি পেটে ঘি খেলে শরীরের অনেক উপকার পাওয়া যায়। ওজনও নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। ঘি-এ থাকা ‘মিডিয়াম চেন ফ্যাটি অ্যাসিড’ শরীরে জমে থাকা ‘ফ্যাট সেল’ গলাতে সাহায্য করে।
পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতিদিন ২ চামচ ঘি খালি পেটে খেলে শরীরে রক্ত সঞ্চালনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। ২-৩ চামচ ঘি ভাত বা রুটির সঙ্গে খেতে পারলে বাড়ে হজমশক্তি। খাবারের সঙ্গে ২-৩ চামচ ঘি খাওয়ার অভ্যাস পরিপাকতন্ত্রকে চর্বিমুক্ত করার পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাকেও নির্মূল করতে সাহায্য করে।

খালি পেটে ঘি খেতে পারলে শরীরে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রক্তে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টেরলকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করে। ফলে হার্টের সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেকটা কমে যায়।

ঘি-এ রয়েছে কে ২ এবং সিএলএ নামক দুটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এই দুটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিয়ে ক্যান্সারের আশঙ্কা কমিয়ে দেয়।

সচলতা বাড়িয়ে তোলে এবং শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মেটাতে সাহায্য করে। ফলে হাড়ের যে কোনও রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকটা কমে যায়।
প্রতিদিন খালি পেটে ঘি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে ত্বকের কোলাজেনের উৎপাদন বেড়ে যায়। ফলে ত্বক হয়ে ওঠে সুন্দর, স্বাস্থ্যোজ্জ্বল। অ্যালার্জি প্রতিরোধে, সর্দি-কাশির কষ্ট কমাতেও ঘি অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। অনুকরণ : জেবা আফরোজ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়