শিরোনাম
◈ আলমারি ভর্তি রুপি মিলল সরকারি কর্মকর্তার বাড়িতে ◈ আহসান এইচ মনসুরকে সরানো নিয়ে যা বললেন অর্থমন্ত্রী ◈ বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে উপনির্বাচন ঘিরে ইসির বিশেষ আদেশ ◈ এবার নগদে বিনিয়োগ নিয়ে ব্যারিস্টার আরমান যা বললেন ◈ পিলখানা হত্যাকাণ্ড ছিল সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার অপপ্রয়াস: প্রধানমন্ত্রী ◈ কম্পিউটার অপারেটর থেকে শিক্ষা অফিসার, বিতর্কিত পদোন্নতি নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী ◈ নতুন দুই প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব বণ্টন, প্রজ্ঞাপন জারি ◈ শুল্ক ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি দেখে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ : বাণিজ্যমন্ত্রী ◈ হাতিয়ায় এমপি হান্নান মাসউদের ওপর হামলা, সড়কে অবস্থান (ভিডিও) ◈ নতুন আইজিপিকে র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৪ জানুয়ারী, ২০২০, ১১:৫৫ দুপুর
আপডেট : ১৪ জানুয়ারী, ২০২০, ১১:৫৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় মুখর রাজধানী

মাজহারুল ইসলাম : যদিও আওয়ামী লীগের মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রচারণা বিএনপির প্রার্থীদের চেয়ে বেশি। আবার এরই মধ্যে প্রচার-প্রচারণায় হামলা-পাল্টা হামলা ও আচরণবিধি লংঘনের অভিযোগ উঠেছে। এমন অভিযোগ নির্বাচন কমিশনে জানানো হয়েছে।

বিএনপি প্রার্থীরা বলেছেন, তাদের কর্মীদের ধানের শীষের পোস্টার টানাতে দেয়া হচ্ছে না। সরকারদলীয় নেতাকর্মীরা তাদের কর্মী-সমর্থকদের বাড়ি-বাড়ি গিয়ে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। এরইমধ্যে বিএনপি প্রার্থীর বাড়ি ও নির্বাচনী ক্যাম্পে হামলার ঘটনা ঘটেছে। নির্ধারিত সময়ের আগে তাপসের প্রচারণায় মাইক ব্যবহার, রঙিন পোস্টার, আনুষ্ঠানিক প্রচারণার আগেই পোস্টার টানানোর জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন ইশরাক হোসেন। উত্তরে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আতিকুল ইসলামের বিরুদ্ধেও নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করা হয়।

অপরদিকে, বিএনপি প্রার্থী ইশরাকের বাসায় ভোট চেয়ে ফেরার সময় হামলা চালানোর অভিযোগ করেছেন শেখ ফজলে নূর তাপস। আর বিএনপি প্রার্থী তাবিথ আউয়াল বিরুদ্ধে আচরণ বিধি লঙ্ঘন করেছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী আতিকুল ইসলাম।

সিটির নির্বাচনকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে প্রচার-প্রচারণার ওপর জোর দিচ্ছে আওয়ামী লীগ। যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুব মহিলা লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের পৃথক টিম সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পাড়া-মহল্লায় নৌকায় ভোট প্রার্থনা করছে। গতকাল মানিকনগর থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। এরপর খিলগাঁও বিশ্বরোড, জোড়পুকুর মাঠ, খিলগাঁও চৌরাস্তা, আনসার কোয়ার্টার, সবুজবাগ, বৌদ্ধ মন্দির এলাকা, নন্দীপাড়া, গোড়ান, সিপাহি বাসস্ট্যান্ড, ভুইয়াপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন তিনি। এ সময় তাঁর সঙ্গে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আর আতিকুল ইসলাম গতকাল সকাল থেকে রামপুরা, খিলগাঁও, বাড্ডায় গণসংযোগ করেছেন।

গতকাল তাবিথ আউয়াল দিনভর কারওয়ান বাজার, তেজগাঁও, তেজকুনিপাড়া, রেলওয়ে মার্কেট, বিজ্ঞান কলেজ, কারওয়ান বাজার, ট্রাকস্ট্যান্ড, সাতরাস্তা বেগুনবাড়ী, নাবিস্কো, শাহীনবাগ, আরজতপাড়া, নাখালপাড়া ও নিকেতন এলাকায় ভোটারদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন।

আর ইশরাক হোসেন গণসংযোগ শুরু করে ফোল্ডার স্টেট রোড, জয় কালী মন্দির রোড, কাপ্তান বাজার ও নবাবপুর রোড হয়ে বংশাল যুবদলের অফিসে এসে দুপুরে বিরতি দেন। এরপর গণসংযোগ শুরু করে নারিন্দা, সুরিটোলা, মালিটোলা, ধোলাই খাল মোড় হয়ে নারিন্দা বড় মসজিদে এসে মাগরিবের নামাজ আদায় করে বলধা গার্ডেনে প্রচারণা শেষ করেন। এ সময় তিনি বলেন, আমরা কোনও বাধা মানবো না। আমরা আমাদের কাজ আমরা চালিয়ে যাবো। ইশরাক ভোটারদের বলেন, ৩০ জানুয়ারি ভোট দিতে আসবেন, আমরা মাঠে থাকবো। সম্পাদনা : সালেহ্ বিপ্লব

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়