মুনশি জাকির হোসেন : জোতদার, ভূস্বামী, সামন্তবাদ, ২২ পরিবারে মুসলিম লীগের বিপরীতে আওয়ামী লীগ দাঁড়িয়েছিলো মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত, প্রান্তিক মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে। একসময় আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীকে পাস করিয়ে আনার জন্য দলের তহবিল থেকে নির্বাচনী প্রচারণার খরচ দেয়া হতো, এমনকি ৯০ পূর্ববর্তী সময়েও মৃত্যুকালে একজন আওয়ামী লীগ নেতার অর্থনৈতিক অবস্থা থাকতো অত্যন্ত নাজুক। শুধুই প্রাপ্তি ছিলো দলের স্বীকৃতি, গণমানুষের ভালোবাসা।
মাত্র দুই দশকেই সেই আওয়ামী লীগ চলে গেলো মুসলিম লীগের দেখানো পথে। আওয়ামী লীগে সামন্তবাদ, পুঁজিবাদের কর্তৃত্ব কায়েম হতে আর বাকি থাকলো না। মুসলিম লীগ পথ হারিয়েছে অনেক আগেই, এখন বাকি নিশ্চিহ্ন হওয়ার। ভারতের কংগ্রেস সাম্প্রদায়িক অপশক্তির কাছে নাকানি চুবানি খাচ্ছে, দুই দশক আগেও যে বিজেপি ২০টি আসনেও জিততে পারতো না। দুর্নীতিবাজ, কালো টাকার কুমির, সামন্তবাদের ভূত দিয়ে রাজনীতি সম্ভব নয় সেটির উদহারণ হলো খাম্বা, মিস্টার টেন পার্সেন্ট। এতো কিছুর পরও আওয়ামী লীগের ফ্রন্ট লাইনে খলনায়কগুলোই নায়ক হিসেবে ক্রমাগত প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। আস্থা অর্জন যেমন রাজনৈতিক দলের বড় অর্জন, তেমনি আস্থার সংকটই হলো রাজনৈতিক দলের বড় বিপর্যয়ের কারণ, ভারতের কংগ্রেস সেটির উদহারণ। কংগ্রেসের কথা এখন কেউ আমলে নিচ্ছেন না, মোদীর আধিপত্য নাকি কংগ্রেসের প্রতি অনাস্থা। আওয়ামী লীগ এই ডিসকোর্স থেকে খুব বেশি দূরে নেই। ফেসবুক থেকে