শিরোনাম
◈ তিনমুখী সংকটের মাঝেও কড়া মুদ্রানীতিতেই অটল বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ বিবিসির দৃষ্টিতে ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্ক: কেন তলানিতে দুই দেশের বন্ধন ◈ যেসব কারণে বাতিল হতে পারে ভোট: কী বলে নির্বাচন আইন ◈ নির্বাচনের ফল কবে প্রকাশ হবে জানাল নির্বাচন কমিশন ◈ বিশ্বের প্রথম জেন–জি অনুপ্রাণিত নির্বাচন হচ্ছে বাংলাদেশে, ভারতের প্রভাব কমছে চীনের বাড়ছে ◈ ইরানের পারমাণু ইস্যুতে ভূমিকা রাখতে ইউরোপ কেন হিমশিম খাচ্ছে ? ◈ অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার দেড় বছরে ‌দে‌শের অর্থনীতি কতটা পাল্টালো? ◈ নির্বাচনী প্রচারণায় ওসমান হাদির ‘ভুয়া’ বোন সেজে নাহিদ ইসলামের পক্ষে ভোট চাইলেন নারী (ভিডিও) ◈ ইস্তেহার বিশ্লেষণ তিন দলের: উন্নয়নের ব্যাপক প্রতিশ্রুতি, বাস্তবায়ন কতটা বাস্তবসম্মত  ◈ আজ সন্ধ্যায় বিটিভিতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান-শফিকুর রহমান

প্রকাশিত : ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১১:৫৭ দুপুর
আপডেট : ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১১:৫৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাজাকারের তালিকা প্রকাশ হচ্ছে ১৫ ডিসেম্বর

ওয়ালি উল্লাহ : এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারীদের তালিকা প্রণয়নের কাজ চলছিলো। বর্তমানে এর কাজ প্রায় শেষ। আগামী রোববার মন্ত্রণালয় এ তালিকা প্রকাশ করবে। তবে এটাই চূড়ান্ত তালিকা নয়। পর্যায়ক্রমে আরও তালিকা প্রকাশ করা হবে। মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, রোববার বেলা ১১টায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মন্ত্রী রাজাকারদের প্রথম তালিকা প্রকাশ করবেন।

এর আগে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারীদের তালিকার প্রসঙ্গে বলেছিলেন, মুক্তিযুদ্ধে জামায়াত রাজনৈতিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে বিরোধিতা ও গণহত্যা, ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিলো। এদের একটি তালিকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ছিলো। কারণ তাদের রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে তখন ভাতা দেয়া হতো। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসার পর নিজামী-মুজাহিদরা সেই তালিকা খালেদা জিয়ার সহযোগিতায় সরিয়ে ফেলে। আমরা মুক্তিযুদ্ধের সেই বিরোধিতাকারী রাজাকার, আল বদর, আল সামসের তালিকা তৈরির কাজ শুরু করেছি। জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে তালিকা তৈরি করে পাঠাতে।

চলতি বছরের ২১ মে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে বেতনভোগী রাজাকারদের তালিকা সংগ্রহ করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর জন্য জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কাছে চিঠি প্রেরণ করা হয়। এর এক সপ্তাহ পর ২৮ মে আবারও চিঠি পাঠিয়ে এ তালিকা দ্রুত পাঠানোর নির্দেশনা দেয়া হয়। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শেরপুর, মাগুরা, গাইবান্ধা, খাগড়াছড়িতে কোনো বেতনভোগী রাজাকার ছিলো না। সম্পাদনা : মাজহারুল ইসলাম

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়