প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

টিসিবির পেঁয়াজ বিক্রির লাইনে স্থানীয়দের প্রভাব, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে পুলিশের আশ্বাস

লাইজুল ইসলাম : দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা শহরগুলোতে ন্যায্যমূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি করছে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ-টিসিবি। প্রতিদিনই মধ্যবিত্ত-নিম্ন মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষ পেঁয়াজ কেনার জন্য টিসিবির ট্রাকের সমানে লাইনে দাঁড়ায়। কিন্তু কিছু লোক লাইনে না দাঁড়িয়েই ট্রাক সেলের কর্মীদের কাছ থেকে পেঁয়াজ কিনে নিয়ে যায়। এতে সাধারণ ক্রেতা ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের সঙ্গে মাঝে মধ্যেই ঘটে অপ্রীতিকর ঘটনা।

এমন ঘটনায় বিব্রত হয়ে লাইনেই দাঁড়ায় না অনেকে। হাজারিবাগ ও ফার্মগেটের টিসিবির লাইনে এমন ঘটনা বেশি ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা। নাম ও পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে টিসিবির পেঁয়াজ বিক্রি কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত এক কর্মী বলেন, স্থানীয়দের চাপে প্রায়ই লাইনের বাইরে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হয়। এ বিষয়ে কিছুই করার নেই। ট্রাক রাখতে স্থানীয়দের সঙ্গে কিছুটা ‘কম্প্রোমাইজ’ করতেই হয়।

এ বিষয়ে ক্রেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও পেঁয়াজ পাওয়া যায় না। ঘণ্টা দু’য়েক দাঁড়িয়ে থাকার পর দেখা যায় পেঁয়াজ শেষ হয়ে গেছে। যদি লাইনের বাইরে পেঁয়াজ না দেয়া হয় তবেই দ্রæত পাওয়া যায়। কিন্তু লাইনের বাইরে দেয়ার কারণে অনেক সময় দাঁড়িয়ে থেকেও পেঁয়াজ পাওয়া যায় না। দিনমজুর আক্কাস কাজ করেন ফার্মগেটে। তিনি বলেন, আমরা তো লাইনে দাঁড়াইয়া থাকি। দেখি লাইনের বাইরে কিছু লোক পেঁয়াজ নিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু কিছু বলার সাহস পাই না।

এ বিষয়ে টিসিবির কর্মকর্তা হুমায়ূন কবীর বলেন, মন্ত্রণালয়ে মাসিক সভায় পুলিশের কর্মকর্তারা থাকেন। পেঁয়াজ বিক্রির কার্যক্রম নির্বিঘ্নে করা পুলিশ ও ডিলারের দায়িত্ব ।

পুলিশের জনসংযোগ বিভাগের ডিসি মাসুদুর রহমান বলেন, পেঁয়াজ বিক্রির কার্যক্রম নির্বিঘœ করতে পুলিশ টিসিবিকে সাহায্য করছে। বিক্রয়ের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে অবশ্যই পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। সম্পাদনা : সমর চক্রবর্তী, ভিক্টর কে. রোজারিও

সর্বাধিক পঠিত