শিরোনাম
◈ হরমুজ প্রণালি বন্ধ: বিশ্বে কার কাছে কত তেল মজুত, কারা টিকবে দীর্ঘদিন? ◈ যেভাবে খামেনিকে হত্যার ছক কষেছিলেন ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু: গোপন ফোনালাপ ফাঁস ◈ নারায়ণগঞ্জে চাঁদা না দেওয়ায় বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ (ভিডিও) ◈ ইরানের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস সম্ভব নয়, মিথ্যা বন্ধ করুন: ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ◈ ২৬ মার্চ প্যারেড স্কয়ারে কুচকাওয়াজ, উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতি ◈ হা‌বিবুল বাশার সুমন জাতীয় দ‌লের প্রধান নির্বাচক ◈ ট্রাম্পের আলোচনার দাবি উড়িয়ে দিল ইরান ◈ অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব উত্থাপন ◈ ২৫ মার্চ কালরাত: এক মিনিটের প্রতীকী ‘ব্ল্যাক আউট’ পালন করবে দেশ ◈ সাভারের কুখ্যাত সিরিয়াল কিলার সেই ‘সাইকো সম্রাট’ কারাগারে মারা গেছে, শেষ হলো অপরাধ অধ্যায়

প্রকাশিত : ২৮ আগস্ট, ২০১৯, ১১:২১ দুপুর
আপডেট : ২৮ আগস্ট, ২০১৯, ১১:২১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এলিনা খান বললেন, শিক্ষিত ছেলেরা বাল্যবিবাহ করলে, তাদের চাকরি না হওয়ার আইন করা উচিত

আমিরুল ইসলাম : মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট এলিনা খান বলেছেন, বাল্যবিবাহ রোধে সরকারিভাবে একটি আইন করা উচিত, ‘যেসব শিক্ষিত ছেলেরা বাল্যবিবাহ করছে তাদের চাকরি হবে না’।

তিনি বলেন, বাল্যবিবাহ রোধ করার জন্য বাবা-মায়ের সচেতনতা বৃদ্ধি করার আগে যেটা দরকার সেটা হচ্ছে নিরাপত্তা। আমাদের দেশের মা-বাবারাও চায় তাদের মেয়েরা পড়াশোনা করুক, তারা বড় হোক। কিন্তু সামাজিক নিরাত্তার কথা চিন্তা করে তারা বাল্যবিবাহের দিকে উৎসাহিত হয়ে পড়ে। এজন্য সরকারকে প্রত্যেকের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। কোনো মেয়ে স্কুলে যাওয়ার পথে কেউ বাধা-বিঘ্নের সৃষ্টি করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হলে মেয়েরা পড়াশোনায় আগ্রহী হবে এবং পরিবার থেকেও তাকে স্কুলে পাঠাতে উৎসাহী হবে।

তিনি আরও বলেন, অনেক সময় দেখা যায় পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতা থাকার কারণে ছেলেকে পড়াশোনা করানো হয়, কিন্তু মেয়েকে করাচ্ছে না। স্কুলে বিনা বেতনে পড়ানোর ব্যবস্থা করলেও যখন মেয়েটি বাড়িতে থাকে তখন সে তার মাকে বিভিন্ন কাজে সাহায্য করতে পারে। এখন ছেলেরাও তার বাবাকে বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা করে যার ফলে দিনে দিনে শিক্ষার্থী ঝরে যাওয়ার হার বাড়ছে। তাই যেসব গ্রামে খুবই হতদরিদ্র পরিবার আছে সেসব পরিবারকে আর্থিক সহোযোগিতা করতে হবে। তাহলে এই ছেলেমেয়েগুলো ড্রপ আউট হবে না। শুধু পরিবারের বাবা-মার সচেতনতা বৃদ্ধি করলেই হবে না, বাবা-মা ছাড়া পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সচেতন করতে হবে। একটি মেয়েকে বাল্যবিবাহ দেয়ার কারণে যদি অল্প বয়সে বিধবা হয় বা তার সংসার ভেঙে যায় তাহলে সে আরেকটি সন্তান নিয়ে আসবে যেটা আপনাদের জন্য বোঝা হবে। এটা গ্রাম অঞ্চলে শুধু বক্তব্যের মাধ্যমে বললে হবে না, মাঠে-ঘাটে বড় করে ডিসপ্লে করে, নাটকের আকারে দেখাতে হবে যাতে মানুষের মনে দাগ কাটে। শুধু গরিব পরিবারই বাল্যবিবাহ দিচ্ছে, তা নয়। অনেক ধনী পরিবারও ভালো জামাই পাওয়ার আশায় তাদের মেয়েদের বাল্যবিবাহ দিচ্ছে। এই জায়গাগুলোতে সরকার মনোযোগ দিলে বাল্যবিবাহ কমে যাবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়