শিরোনাম
◈ নিউইয়র্ক সফরের সাফল্য আড়ালে ‘পরিকল্পিত ঘটনা’: অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিবের ◈ জাতিসংঘে জাইমা রহমানের নিয়োগে সরকারের ন্যূনতম সম্পৃক্ততা নেই: মাহদী আমিন ◈ ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল লিটারে প্রায় ১২ টাকা, রাত থেকেই কার্যকর ◈ প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ◈ সীমান্তের দুই মুখ : এপার থেকে মানুষ পাচারের ফাঁদ, ওপার থেকে ঢুকছে মাদক ◈ সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা: অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল গ্রেপ্তার ◈ চাকরি ও দক্ষ কর্মীর খোঁজ মিলবে এক জায়গায়, উদ্যোগ সরকারের ◈ মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযানে সমন্বয়ের ঘাটতি, তদন্তের নির্দেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ ৫০৭ কোটি টাকা বিদ্যুৎ বিল আসা গ্রাহককে মন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ, জিএম বরখাস্ত ◈ ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক এগিয়ে নিতে দ্রুতই আলোচনা: দীনেশ ত্রিবেদী

প্রকাশিত : ২১ আগস্ট, ২০১৯, ০৯:২৬ সকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০১৯, ০৯:২৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যৌন সম্পর্ক গোপন রাখতে ক্যাথরিনকে তিন কোটি টাকা দেন রোনালদো

মো. তৌহিদ এলাহী : যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক মডেল ক্যাথরিন মায়োরগা এর আগে ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর মায়োরগার মুখ বন্ধ রাখতে রোনালদো একটি গোপন চুক্তিপত্র করেছিলেন। ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে চলমান এই বিতর্কের পরিপ্রেক্ষিতেই সেই গোপন চুক্তিপত্রের ছবি প্রকাশ করেছে ডার স্পেইগেল। বাংলাদেশ প্রতিদিন।।

২০১০ সালের ১২ জুলাই এই চুক্তিপত্র স্বাক্ষরিত হয়। যেখানে রোনালদো ও মায়োরগার সই রয়েছে। এই নথি প্রকাশ করে সংবাদমাধ্যমটির মন্তব্য, ‘এই নথির সত্যতা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। রোনালদোর আইনজীবীর পক্ষ থেকেও কিছু বলা হয়নি।’ প্রকাশিত এই নথিতে রোনালদোর ছদ্মনাম (টফার) ব্যবহার করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমটির বক্তব্য অনুযায়ী, প্রকাশিত নথিতে রোনালদোর আইনজীবী প্রশ্ন করেছিলেন, মিসেস সি (মায়োরগা) কি চিৎকার করেছিলেন? জুভেন্টাস তারকার জবাব, সে ‘না’ বলেছে এবং কয়েকবার বাধা দিয়েছে।

ধর্ষণের অভিযোগকারী যুক্তরাষ্ট্রের মডেল ক্যাথরিন মায়োরগাকে ৩৭৫,০০০ মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩ কোটি ১৮ লাখ টাকা প্রায়) দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন পর্তুগিজ তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ২০১০ সালে সেই মডেলকে এই অর্থ দেওয়া হয়েছিল বলে রোনালদোর আইনজীবীরা আদালতে বক্তব্য দিয়েছেন।

রোনালদোর আইনজীবী বলেছেন, এই অর্থ দোষ স্বীকার করতে নয়, গোটা ঘটনা জনসমক্ষে যাতে না আসে সে জন্য দেওয়া হয়েছিল।

মার্কিন মডেল মায়োরগা অভিযোগ করেছিলেন রোনালদো ২০০৯ সালে লাস ভেগাসের একটি হোটেলে তাকে ধর্ষণ করেন। রোনালদো সেই অভিযোগ তীব্রভাবে অস্বীকার করেছেন। লাস ভেগাস প্রশাসন গত মাসে জানিয়েছিলেন, রোনালদোকে অপরাধী সাব্যস্ত করার মতো যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ নেই। এর পরে মায়োরগা দেওয়ানি মামলার উদ্যোগ নেন। রোনালদোর আইনজীবী সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই বলেছেন, মায়োরগার সঙ্গে আগেই এ ব্যাপারে মিটমাট হয়ে গেছে। ২০১০ সালে ৩৭৫ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে গোপন চুক্তিও হয়েছিল ।

পর্তুগিজ তারকার আইজীবীরা অবশ্য স্বীকার করে নিয়েছেন ২০০৯ সালে রোনালদোর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক হয়েছিল মায়োরগার। কিন্তু তাদের দাবি, সেটা দুজনের সম্মতিতেই হয়েছিল। গত অক্টোবরে রোনালদো বলেছিলেন, 'আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেটা অস্বীকার করছি। ধর্ষণ একটা ঘৃণ্য অপরাধ। আমি কোনও অবস্থাতেই তা সমর্থন করি না।'

এদিকে লাস ভেগাস পুলিশ জানিয়েছে, তারা রোনালদোকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায়। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মিররকে লাস ভেগাস পুলিশের মুখপাত্র বলেছেন, ‘আমরা জানি না এটা কখন ঘটবে (জিজ্ঞাসাবাদ)। তবে একটা পর্যায়ে গিয়ে অবশ্যই তাঁর কথা শুনতে হবে।’

  • সর্বশেষ