শিরোনাম
◈ শিক্ষায় বেহাল অবস্থা, একাদশে ১৫ লাখ আসন ফাঁকা থাকার শঙ্কা! ◈ ৮ মাস পর বাংলাদেশ সিরিজ দিয়ে ফিরছেন নাথান লায়ন? ◈ ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আজও বৃষ্টির সম্ভাবনা ◈ বিরোধীদের চাপে নতি স্বীকার, ছাত্র আন্দোলন নিয়ে সংসদে আলোচনায় রাজি মোদি সরকার ◈ কিউবার পরিণতি ইরানের মতো হতে পারে, সতর্ক করছে মার্কিন গোয়েন্দারা ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা স্থগিতের সিদ্ধান্ত বাতিল করল পোলিশ ব্র্যান্ড এলপিপি ◈ সাভার-আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার: বাড়ছে চুরি-ছিনতাই ও আইনশৃঙ্খলা ঝুঁকি ◈ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলতেই নতুন সিন্ডিকেটের তৎপরতা, জনপ্রতি চাঁদা ১৭ কোটি টাকা ◈ মোবাইল ব্যাংকিংয়ে সন্দেহজনক লেনদেন ধরবে এআই, নজরে থাকবে অবস্থানও ◈ শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ০৮ আগস্ট, ২০১৯, ০৪:৪৮ সকাল
আপডেট : ০৮ আগস্ট, ২০১৯, ০৪:৪৮ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফিল্ড আম্পায়ারের দায়িত্বে থাকছে না ‘নো বল’ এর সিদ্ধান্ত

স্পোর্টস ডেস্ক : বিশ্বকাপ থেকেই শুরু হয়েছে আম্পায়ারিং নিয়ে বিতর্ক। ফাইনাল ম্যাচে বাজে আম্পারিংয়ের জন্য শিরোপা হাত ছাড়া করতে হয়েছে একটি দলকে। সেই ভুল আম্পায়ারিংয়ের জন্য ক্ষমাও চেয়েছেন শ্রীলঙ্কান কুমার ধর্মসেনা। কিন্তু ভুল সিদ্ধান্ত দেয়া এখনো শেষ হয়নি। সম্প্রতি অ্যাশেজ টেস্টে ভুল আম্পারিংয়ের রেকর্ডও গড়েছেন জোয়েল উইলসন। আটটি সিদ্ধান্ত তাকে পালটাতে হয়েছিলো। এসব কারণে এবার আর মাঠের আম্পায়ারদের ওপর পায়ের নো বল দেয়ার ক্ষমতা রাখছে না আইসিসি। নো বলের সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য আইসিসি ভরসা করতে যাচ্ছে টিভি আম্পায়ারের ওপর। সেই রকমই পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে আইসিসি।

জনপ্রিয় ক্রিকেট ওয়েবসাইট ক্রিকইনফোকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে আইসিসি’র জেনারেল ম্যানেজার (ক্রিকেট অপোরেশনস) জিওফ অ্যালারডাইস বলেন, ‘২০১৬ সালে যে পদ্ধতি আনা হয়েছিলো তা আবার ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। তৃতীয় আম্পায়ার বোলারের পায়ের নো বলের দিকে নজর রাখবেন। বোলিংয়ের সময় বোলারের পা পড়ার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ছবি চলে যাবে তৃতীয় আম্পায়ারের কাছে। তিনি জানাবেন মাঠের আম্পায়ারকে যে সেটি নো বল ছিলো কি না। তিনি কিছু না জানালে বলটিকে নো বল ঘোষণা করা যাবে না।’

২০১৬ সালে ইংল্যান্ড বনাম পাকিস্তানের মধ্যকার একটি একদিনের ম্যাচে এই পদ্ধতি পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করা হয়েছিলো।
পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, ‘২০১৮ সালে শুধুমাত্র পুরুষদের একদিনের ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটেই ৮৪ হাজারের বেশি বল করা হয়েছে। এই বিশাল সংখ্যক ডেলিভারি নজরে রাখা খুবই কঠিন বলে জানিয়েছে আইসিসি। তাই আপাতত পরীক্ষামূলকভাবেই এই বছর কিছু কিছু ম্যাচে এই পদ্ধতি ব্যবহারের কথা ভাবছে আইসিসি।’

আইসিসি যদি এই পদ্ধতি পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করে সফলতার দেখা পায়, তবে স্থায়ীভাবে পায়ের নো বল ঘোষণার জন্য টিভি আম্পায়ারকেই মূল দায়িত্ব দেয়া হবে। মূলতঃ মাঠের আম্পায়ারদের ভুল বেশি মাত্রায় সামনে আসায় এই সিদ্ধান্ত আনার কথা ভাবছে আইসিসি। সময়ের সঙ্গে বাড়ছে প্রযুক্তির উপর নির্ভরতাও। সেই প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে খেলাকে আরও নির্ভুল ও নিখুঁত করে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে আইসিসি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়