শিরোনাম
◈ প্রাথমিকভাবে আট উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড, কমিটি গঠন ◈ ডিসি সারোয়ারকে শোকজ ◈ ৪৪তম বিসিএসের নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগ, তালিকা প্রকাশ ◈ অস্ট্রেলিয়া-শ্রীলঙ্কা গ্রুপে অপরা‌জিত থে‌কে জিম্বাবুয়ে সুপার এইটে ◈ রোজার প্রথম দিনেই মুরগির দাম চড়া, কেজিতে বাড়লো ২০ থেকে ১০০ টাকা ◈ ৫০ নারী প্রতিনিধিত্ব নিয়োগ নিয়ে দুই জোটে চলছে হিসাব-নিকাশ ◈ জনগণের ট্যাক্সে চলি, তাই জবাবদিহি নিশ্চিত করা নৈতিক দায়িত্ব: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ◈ বগুড়া থেকে হিরো আলম গ্রেপ্তার ◈ তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে ট্রাম্পের চিঠি: প্রতিরক্ষা চুক্তি ও বাণিজ্যে জোর ◈ অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী করা নিয়ে বিএনপিতেও 'বিস্ময়'

প্রকাশিত : ২৫ জুন, ২০১৯, ০৪:২৩ সকাল
আপডেট : ২৫ জুন, ২০১৯, ০৪:২৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ধানের পর মরিচেও কৃষকের লোকসান, কেজি প্রতি ১২ টাকা

আবু মুত্তালিব মতি, আদমদীঘি (বগুড়া): বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় ধানের লোকসান কাটিয়ে উঠতে লাভের আশায় মরিচ চাষ করেও কৃষকরা লোকসানের হাত থেকে রেহায় পাচ্ছেন না। চলতি মৌসুমে ইরি-বোরো ধানের বাজারে দাম কম হওয়ায় কৃষকরা লোকসানে পড়েন। সেই লোকসানকে পুষিয়ে নিতে তারা কাঁচা মরিচ চাষে ঝুঁকে পড়েন। কিন্তু বর্তমান বাজারে মাত্র ১২ টাকা কেজিতে মরিচ বিক্রি করায় ধানের লোকসান পুষিয়ে নেয়াতো দূরের কথা মরিচ চাষে উৎপাদন খরচই তুলতে পারছেন না। এখানেও কৃষকদের লোকসান গুনতে হচ্ছে। ফলে তারা হতাশায় পড়েছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আদমদীঘি উপজেলার কোমারপুর, মঙ্গলপুর, জিনইর, কাশিমালা, শিবপুর, কড়ই, সালগ্রাম, আমইল, তেতুলিয়া, ছাতিয়াগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় বর্ষা মৌসুমে ১৮৮বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করে। বিগত বছরের তুলনায় এবার মরিচ চাষের পরিমাণ বেশি ছিল। এখানকার মরিচ ঢাকা চট্রগ্রাম সিলেট কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ট্রাকযোগে সরবরাহ করা হয়।

উপজেলার কোমারপুর গ্রামের মরিচ চাষি নূর মোহাম্মাদ জানায়, ইরি বোরো ধান বাজারে কম দাম পাওয়ায় সেই লোকসান পুষিয়ে নিতে এবার বেশি জমিতে মরিচ চাষ করা হয়েছে। এক বিঘা জমিতে মরিচ চাষে জমি তৈরি লাগানো, ফসলে খাবার, পোকা দমনে ঔষধ প্রয়োগ, পরিচর্যা শ্রমিকের মজুরিসহ বিভিন্ন খাতে প্রায় ২৫ হাজার টাকা খরচা হয়ে থাকে। কিন্তু মাত্র ১২ টাকা কেজিতে মরিচ বিক্রি করে উৎপাদন খরচ তোলা সম্ভব হচ্ছে না। সালগ্রামের মরিচ চাষি হামিদুল ইসলাম সাড়ে ৮ হাজার টাকা খরচ করে ১০শতক জমিতে মরিচ চাষ করে দাম কম পাওয়ায় হতাশায় পড়েছেন।

কাঁচা মরিচ পাইকার ব্যবসায়ী ফারুক হোসেনসহ কয়েকজন জানায়, আদমদীঘি এলাকা থেকে কক্সবাজার, সিলেট, কুমিল্লা, চট্রগ্রাম রিয়াজ উদ্দিন বাজার, ঢাকার কাওরান বাজার, মিরপুর, চৌরাস্তাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিদিন প্রায় আড়াই হাজার মন কাঁচামরিচ ট্রাক যোগে সরবরাহ করা হয়। বাজারে কাঁচা মরিচের অধিক সরবরাহ ও পাইকার কম থাকায় মূল্য কমে গেছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মিঠুন চন্দ্র অধিকারী জানায়, এবার কাঁচা মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে বাজারে সরবরাহ বেশি কিন্তু পাইকার বা ক্রেতা কম থাকায় কাঁচা মরিচের দাম কিছুটা কমে গেছে। সম্পাদনা : মিঠুন রাকসাম

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়