শিরোনাম
◈ বিশ্বকাপ নিয়ে অনিশ্চয়তা, আইনি পথেও যেতে পারে বিসিবি ◈ দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে বাংলাদেশে নির্বাচনী উত্তেজনা ◈ রিট খারিজ, নির্বাচন করতে পারবেন না মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ◈ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় ইতালির পূর্ণ সমর্থন: জুলাই সনদের প্রশংসা ◈ জামিন প্রক্রিয়ায় যুগান্তকারী পরিবর্তন, ৮ জেলায় ই-বেইলবন্ড চালু ◈ বাংলা চলচিত্রের অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ আর নেই ◈ আজ বিকাল ৫টা থেকে অ্যাপের মাধ্যমে ভোট দিতে পারবেন প্রবাসীরা ◈ এবা‌রো কলকাতা বইমেলায় বাংলাদেশকে যোগ দিতে দিলেন না আয়োজকরা ◈ পাঁচ দিনে ঢুকেছে অন্তত ৫০০ গরু, বাংলাদেশে আসার অপেক্ষায় মিয়ানমার সীমান্তে হাজার হাজার বার্মিজ গরু ◈ স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনে লটারি, যেভাবে প্রতীক বরাদ্দ দেয় নির্বাচন কমিশন

প্রকাশিত : ২১ জুন, ২০১৯, ০২:০৭ রাত
আপডেট : ২১ জুন, ২০১৯, ০২:০৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাণিজ্যযুদ্ধে অন্যান্য দেশকে বিপুল করছাড় দিচ্ছে চীন

নূর মাজিদ : যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশের পণ্য আমদানিতে বিপুল পরিমাণ করছাড় দিচ্ছে চীন। দিচ্ছে অন্যান্য সুবিধাও। দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক স¤পর্ক উন্নয়নে ওই দেশগুলোকে লাল গালিচা অভ্যর্থনা দিচ্ছে চীন। যা বিশ্বের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী বাণিজ্যনীতিকে আরো অজনপ্রিয় করে তুলেছে এবং চীনের পক্ষে সহানুভূতির পরিমাণ বাড়াচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্বনামধন্য গবেষণা সংস্থা পিটারসন ইন্সটিটিউড অব ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক্স প্রকাশিত এক গবেষণায় এমনটাই বলা হয়েছে। সূত্র : সিএনবিসি।

প্রতিবেদনে প্রকাশ, গতবছর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পণ্য রপ্তানিতে প্রতিযোগিতা করতে সক্ষম এমন দেশগুলো থেকে পণ্য আমদানির শুল্ক কমিয়েছে চীন। গবেষণায় আরো উঠে আসে, গতবছর মার্কিন পন্যে চীন অতিরিক্ত ৮ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্কাদায় করে। যার পরিমাণ চলতি মাসের শুরু নাগাদ ২০ দশমিক ৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। একইসময় বৈদেশিক বাণিজ্য সহযোগী অন্যান্য দেশ থেকে চীনের পণ্য আমদানিতে গতবছর শুল্কের পরিমাণ ৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে গত নভেম্বরে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ করা হয়। এখনও, এটা আগের অবস্থানেই রয়েছে।

চীনের এই ধরনের পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের কম মানুষেরই দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। কারণ অধিকাংশ গণমাধ্যম বেজিং এবং ওয়াশিংটন একে-অপরের প্রতি কি বলছে সেদিকেই পাঠকের মনোযোগ অধিক আকৃষ্ট করে। তবে গণমাধ্যমের বেশিরভাগ গণমাধ্যমের মাথাব্যথা না হলেও চীনের এমন পদক্ষেপ সত্যকার অরথেই যুক্তরাষ্ট্রকে শাস্তি দেয়ার শামিল। এর মাধ্যমে বেজিং মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোকে এক ধরনের অসম বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতার মুখে ফেলে পাল্টা প্রতিশোধ নিতে চাইছে। ট্রা¤প যখন অতিরিক্ত শুল্কারোপকে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনার প্রধান অস্ত্রে পরিণত করেছেন, ঠিক তখনই তিলে তিলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি জোরদার হচ্ছে চীনের প্রতিশোধমূলক বাণিজ্যনীতি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়