শিরোনাম
◈ আমেরিকা তাঁকে ১৫ মিনিট দিয়েছিল সিদ্ধান্ত নিতে – কথামতো চলো, নয়তো মরবে: ভিডিও ফাঁস ◈ যুক্তরাষ্ট্র-চীনের কূটনৈতিক লড়াই বাংলাদেশে কতটা প্রভাব ফেলবে? ◈ বিদেশে কর্মসংস্থান ও শিক্ষায় বাধায় বিপর্যস্ত প্রবাসী বাংলাদেশি ◈ দিল্লি থেকে অডিও বার্তায় বাংলাদেশ রাজনীতি নিয়ে বিস্ফোরক বক্তব্য শেখ হাসিনার ◈ হাসিনা আপার কর্মী-সমর্থকদের বিপদে ফেলে রেখে গেছেন, আমরা তাদের পাশে আছি : মির্জা ফখরুল ◈ অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকা‌পে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে সুপার সিক্সে বাংলাদেশ ◈ আইসিজেতে রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের দাবি নাকচ বাংলাদেশের ◈ বিসিবির আপিল বাতিল, কঠোর ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছেন জয় শাহ ◈ পোস্টাল ব্যালট সংরক্ষণে নির্দেশনা জারি ইসির ◈ চট্টগ্রাম রয়্যালস‌কে হা‌রি‌য়ে বি‌পিএ‌লে নতুন চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী   

প্রকাশিত : ২০ জুন, ২০১৯, ১১:৪৩ দুপুর
আপডেট : ২০ জুন, ২০১৯, ১১:৪৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নগরায়নের সাথে বৃক্ষরোপন ও জলাধার সংরক্ষণ করতে হবে, বললেন প্রধানমন্ত্রী

আবুল বাশার নূরু : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নগরায়নের সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশ সুরক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে নতুন প্রকল্প গ্রহণকালে প্রাকৃতিক জলাধার সৃষ্টি ও তা সংরক্ষণ এবং অধিকহারে বৃক্ষরোপণের প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের এটাও লক্ষ্য রাখতে হবে, যে কোনো প্রকল্পের সঙ্গে বৃক্ষ রোপণ করতেই হবে এবং জলাধার সৃষ্টি এবং জলাধার সংরক্ষণ করতে হবে। প্রত্যেককে কর্মস্থলে ও বাসস্থানে গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়ে সন্তানদেরও এই পরিবেশবাদী কাজ শেখানোর পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা ২০১৯ এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০১৯ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন। পরিবেশ, বন এবং জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের বিরোধিতা করি না, সবাইকে অনুরোধ করবো আমাদের বিভিন্ন প্র্রজেক্ট নেয়ার সময় আমি দেখেছি যেখানে জলাধার রয়েছে সেটা ভরাট করেই বিল্ডিং তুলতে হবে। এই করতে করতে ঢাকা শহরে যতগুলো খাল, পুকুর ছিল এখন আর তা নেই। তিনি বলেন, একটি সংস্থার পরামর্শে পূর্বের সরকার তা শুরু করে দিল। আমাদের বক্স কালভার্ট করার কোনো প্রয়োজন নেই। আমাদের খালগুলোকে ওভাবে রেখেই আমরা কিন্তু খালের দুই পার দিয়ে রাস্তা করতে পারি অথবা আমরা সেখানে এলিভেটেড রাস্তাও করে দিতে পারি। খাল যেখানে খালের মতই থাকবে। সেখানে নৌ চলাচলও করতে পারে তাতে আমাদের পরিবেশও রক্ষা পাবে, বায়ু দ‚ষণ কমবে এবং সেখানকার বাতাসটাও আরামদায়ক হবে। কিন্তু যেখানে কোন গাছ থাকে না সেখানে সেই পরিবেশটা থাকে না। সেই বিষয়ে আমাদের বিশেষভাবে দৃষ্টি দিতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, সভ্যতা এবং তার ক্রমবিকাশ অবশ্যই অব্যাহত থাকবে। কিন্তু সাথে সাথেই আমাদের সর্বক্ষেত্রেই এই বিষয়টা লক্ষ্য রাখতে হবে যে, আমাদের পরিবেশটাকেও রক্ষা করতে হবে। সবাইকে গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেকেই নিজের কর্মস্থল ও বাসস্থানে গাছ লাগাবেন। অন্তত, একটি করে বনজ, ফলদ এবং ভেষজ গাছ লাগাবেন। ছেলে-মেয়েদেরও বৃক্ষরোপণ শেখাতে হবে। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, পরিচর্যাও করতে হবে। প্রত্যেকে নিজের এলাকায় যতো ইচ্ছে গাছ লাগাবেন। এতে কয়েকবছর পর টাকাও পাওয়া যায়, বছর বছর ফল পেলেও খুশি লাগে। এসময় শেখ হাসিনা আজিমপুর গার্লস স্কুলে পড়ার সময় বান্ধবীদের সঙ্গে নিয়ে গাছ লাগানোর স্মৃতিচারণও করেন।

সুন্দরবন রক্ষণাবেক্ষণে সরকারের কর্মস‚চির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সুন্দরবনকে রক্ষায় নদীর লবণাক্ততা দ‚র করতে হবে। লবণাক্ততা দ‚র হলে হোগলা বন বেড়ে যায়। আর হোগলা বন বাড়লে বাঘের ব্রিডিং পয়েন্ট বাড়ে। সেইসাথে নদীর নাব্যতা বাড়ানোরও কাজ করা হচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, মানবিক কারণে মিয়ানমার থেকে জোরপ‚র্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া হলেও ধ্বংস হয়ে গেছে পাহাড়ি বনাঞ্চল। এ সময় উখিয়া’র প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ অতীতকে স্মরণ করে বর্তমানের সঙ্গে এর বিস্তর ব্যবধানের উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়