শিরোনাম
◈ তাবলিগের শীর্ষ মুরুব্বি মাওলানা ফারুকের ইন্তেকাল ◈ আরও ১৭১ খেলোয়াড় ক্রীড়া কার্ড পেলেন ◈ ওয়াশিংটনের দাবিকে ‘অবাস্তব’ আখ্যা, আলোচনায় না যাওয়ার ঘোষণা ইরানের ◈ যে জেলায় আগের দামেই মিলছে জ্বালানি তেল! ◈ ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন শেয়ার করায় গ্রেফতারের পর কারাগারে, সংসদে হাসনাত ও চিফ হুইপের মধ্যে বিতর্ক ◈ জোট শরিকরা সংরক্ষিত নারী আসনে কে কতটি পেল জামায়াত থেকে ◈ বিদ্যুৎ খাতে ৫২ হাজার কোটি টাকা বকেয়া, ঋণের বোঝা দেড় লাখ কোটি: সংসদে জ্বালানিমন্ত্রী ◈ বাসে ৬৪ শতাংশ, লঞ্চ ভাড়া দেড়গুণ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব ◈ ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনার জন্য ইসলামাবাদে পৌঁছাল মার্কিন দল ◈ সোমবার বগুড়ায় যাত্রা, ‘ই-বেইল বন্ড’ চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ১৭ জুন, ২০১৯, ০৯:১০ সকাল
আপডেট : ১৭ জুন, ২০১৯, ০৯:১০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পাকিস্তানের সিভিল সোসাইটি বলছে, বাংলাদেশের উন্নয়নের চাবিকাঠি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব (ভিডিও)

খালিদ আহমেদ : করাচীর টি টু এফ ক্যাফে নিয়মিত সরব থাকে সিভিল সোসাইটির জ্ঞানগর্ভ আলোচনা এবং প্রশ্নোত্তরে। টি টু এফ মানে দ্য সেকেন্ড ফ্লোর, এটি শহরের মুক্তবুদ্ধির মানুষের জানা এবং জানানোর একটি শক্তিশালী প্লাটফরম। এখানে আলোচনা হয় মানবাধিকার, শান্তি প্রতিষ্ঠা, ন্যায়বিচার, পরিবেশ, সামাজিক উন্নয়ন এবং দারিদ্র বিমোচনের মতো জীবনঘনিষ্ঠ জটিল বিষয়গুলো নিয়ে। এই ক্যাফের প্রাণবন্ত এক আলোচনা হয়ে গেলো বাংলাদেশ নিয়ে। বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার বিষয় নিয়ে।

এই সেশনের আলোচ্য বিষয় ছিলো ছিলো, আইএমএফ এবং পাকিস্তানের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ। প্যানেল আলোচক ছিলেন আসাদ উমর, কায়সার বাঙ্গালি ও ড. এস আকবর জায়েদি।

বাংলাদেশ কিভাবে পাকিস্তানকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দিক থেকে পিছনে ফেললো, প্রশ্ন আসে দর্শকদের সারি থেকে। উত্তরে আলোচকদের একজন বলেন, পাকিস্তান আইএমএফ-এর সাথে চুক্তি করতে আগেপিছে ভাবেনি। এ নিয়ে নানা মত থাকলেও পাকিস্তানের প্রধান ক্ষতি হয়েছে জিডিপির, যা জিডিপিকে নিন্মুমুখি করেছে। বর্তমানে পাকিস্তানের জিডিপি মাথাপিছু ১৬শ ৫৬ ডলার। তিন বছর পর যা নেমে দাঁড়াবে ১৩শ’ ডলারে। আর তখন বাংলাদেশের জিডিপি হবে ১৫শ’ ডলার।
আলোচকরা জানান, তিনটি প্রধান কারণে বাংলাদেশের জিডিপি বাড়ছে। প্রথমত : বাংলাদেশ তাদের সেনাবাহিনীকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে পেরেছে। দ্বিতীয়ত : বাংলাদেশ তাদের সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা সংযোজন করেছে এবং তৃতীয়ত তারা নারী শিক্ষার উপর গুরুত্ব আরোপ করেছে।

পক্ষান্তরে পাকিস্তান রাজনীতি থেকে সেনাবাহিনীকে দূরে রাখার কথা ভাবতেও পারে না। আর ধর্মনিরপেক্ষতার কথা উচ্চারণ করতেই ভয় পায়। আর নারীদের শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি।

অপর এক আলোচক বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি লাভের অন্যতম প্রধান কারণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং বলিষ্ঠ নেতৃত্ব। বাংলাদেশে প্রতি বুধবার শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে পরিকল্পনা কমিশনের মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। এই মিটিং শুরু হয় সকল নয়টায়, কিন্ত শেষ হওয়ার নির্দিষ্ট কোনো সময় নেই। পাকিস্তানের নেওয়াজ শরীফ অথবা হালের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে এই ধরনের কোনো মিটিং করতে দেখা যায়নি। সম্পাদনা : সালেহ্ বিপ্লব

https://www.facebook.com/yeasin.k.joy/videos/10156419376824537/?t=0

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়