শিরোনাম
◈ চীনে বাংলাদেশি পণ্যের বাজার বাড়াতে ৬ প্রস্তাব বিসিসিসিআইর ◈ বিদেশের কারাগারে ১০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি বন্দি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক: চতুর্থ দিনে ৯ হাজার গ্রাহককে ৩৯১ কোটি টাকা পরিশোধ ◈ নবম শ্রেণির ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রের ফাঁদে পড়ে, অতঃপর... ◈ ভারতের কা‌ছে হেরে নারী এশিয়া কা‌পের ফাইনা‌লে খেলার স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের ◈ দীর্ঘসময় শুক্রবার বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় ◈ দায়িত্ব বাড়ল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর ◈ ভারতে পাচারের শিকার ৪৭ বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন ◈ শিশুর পেটে ইয়াবা, আড়ালে পাচারচক্র: মাদক কারবারিদের নতুন বাহন শিশুরা! ◈ আন্তদেশীয় ট্রেন চালুর সিদ্ধান্ত হয়নি, ভারতের প্রস্তাব এলে পরীক্ষা করবে বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ২০ মে, ২০১৯, ০৭:৩৪ সকাল
আপডেট : ২০ মে, ২০১৯, ০৭:৩৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তারল্য সংকটে ব্যাংক, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অস্বীকার

মঈন মোশাররফ : রাষ্ট্রয়াত্ত এবং বেসরকারি খাতের কয়েকটি ব্যাংক তারল্য সংকটে থাকলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দাবি সামগ্রিক আর্থিকখাতে কোনো তারল্য সংকট নেই। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করে, ব্যাংকগুলোর নিজেদের ব্যবসায়িক কৌশলের কারণে সাময়িক তারল্য সংকট সৃষ্টি হয়। ডিবিসি নিউজ

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত দেশের ব্যাংকগুলোতে আমানতের পরিমাণ ১০ লাখ কোটি টাকারও বেশি। যার বিপরীতে ঋণ আছে ১১ লাখ কোটি টাকারও বেশি। ব্যাংকাররা বলছেন, ঋণের আদায় কমে যাওয়া, রপ্তানির তুলনায় আমদানি বেশি হওয়াসহ বেশ কিছু কারণে তারল্য সংকটে পড়েছে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো।

এ প্রসঙ্গে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজি তৌহিদুল আলম সোমবার ডিবিস নিউজকে বলেন, তারল্য সংকট বছর দেড়েক আগে থেকেই শুরু হয়েছে এবং এটা এখনও আছে। বড় বড় আমানত সংগ্রহ করতে গিয়ে বেশির ভাগ ব্যাংক রেট নিয়ে প্রতিযোগিতায় নেমে পড়েছে।

সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ বলেন, এক লক্ষ আট হাজার কোটি টাকা আছে আমাদের আমানত। আমাদের ঋণ আছে ৪৬ হাজার কোটি টাকা। তারল্য সংকটের কারণে আমরা বিভিন্ন ব্যাংকে প্রায় দশ হাজার কোটি টাকা ঋণ করে রেখেছি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, সামগ্রিক বিচারে দেশের ব্যাংকিংখাতে কোনো তারল্য সংকট নেই। তবে ট্রেজারি বন্ড বিক্রি আছে, কল মানি আছে, ঋণের যে অবস্থা এরও তথ্য থেকে দেখা যাচ্ছে যে আমাদের খুব বেশি সংকট রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক পরিচালক ড. জামালউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘তারল্য সংকট সাময়িকভাবে কিছুটা হবেই। কারণ যখন আমানত হার ৬ শতাংশ, ঋণের সুদ হার ৯ শতাংশ। রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংকগুলো পালন করেছে, বেসরকারি ব্যাংকগুলো করেনি। এটা না করার কারণে এটার একটা অমিল তৈরি হয়েছে।

ব্যাংকাররা মনে করেন, খেলাপি ঋণ আদায় বাড়ানোসহ আমানত সংগ্রহে সুদের হার নিয়ে ব্যাংকগুলো প্রতিযোগিতা বন্ধ না করা গেলে আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা ধরে রাখা কঠিন হবে।

  • সর্বশেষ