প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ফিচার
দেশ-বিদেশের রোজাদারগণ যা দিয়ে ইফতার করেন

আদিল মাহমুদ : ‘সঠিক সময় সেহরী খেয়ে/রাখে মুমিন রোজা, হাশর মাঠে তাদের হিসাব/হবে অতি সোজা। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে/দিনে খাওয়া বন্ধ, ইফতার দিয়ে রোজা খোলে/পায় যে হৃদয়ে আনন্দ।’ বছরঘুরে আবারও সৃষ্টিকর্তার অফুরন্ত রহমত-বরকত, মাগফিরাত ও নাজাতের অমিয় বার্তা নিয়ে শুভাগমন করেছে হিজরি ১৪৪০ সালের মাহে রমজানুল মোবারক। মুসলিমপ্রধান দেশ হিসেবে বাংলাদেশও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পালন করা হচ্ছে মহিমান্বিত এই মাস। আর একজন রোজাদারের সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্ত ইফতারের সময়। কারণ এ সময় আল্লাহ তাআলা তাঁর রোজাদার বান্দাদের দোয়া কবুল করেন এবং ইফতারের মাধ্যমেই একজন রোজাদার তাঁর রোজা সম্পন্নের পর মহান আল্লাহ তাআলার নৈকট্য অর্জন করেন।

ইফতারের গুরুত্ব ও ফজিলত সম্পর্কে স্বয়ং রাসূল সা. বলেছেন, ‘রোজাদারের জন্য দুটি আনন্দ রয়েছে ১. ইফতারের সময় ২. মহান আল্লাহর সঙ্গে মোলাকাত বা সাক্ষাতের সময়’। (বোখারি ও মুসলিম) ইফতার, হোক না সেটা একগ্লাস পানি ও একটি লালচে খেজুরে কিংবা শুধুই একমুঠো শুভ্র মুড়িতে। একজন রোজাদার এতেই পূর্ণ তৃপ্তি পায়। যা সেই রোজাদারই শুধু উপলদ্ধি করতে পারে। কোন রোজাদার ব্যক্তিকে ইফতার করানো সম্পর্কে রাসূল সা. বলেছেন, ‘কেউ যদি রমজান মাসে কোনো রোজাদারকে ইফতার করায়, তাহলে ঐ ইফতার করানোটা তার গুনাহ মাফের ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির কারণ হবে। সাথে সাথে সে একটি রোজার সওয়াব পাবে অথচ রোজা পালনকারীর নেকি মোটেই কমানো হবে না।’

প্রত্যেকটি দেশের মুসলমানরাই বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে ইফতার করে। তবে সব দেশে ইফতার সংস্কৃতি এক নয়। একেক দেশে একেক রকম। ইফতার আয়োজনে উঠে আসে তাদের সংস্কৃতি, কৃষ্টি-কালচার ও ঐতিহ্য। কিন্তু কিছু কিছু খাবার আছে যা সব দেশের ইফতারের আয়োজনেই থাকে। এর অন্যতম একটি হলো খেজুর। আমাদের প্রিয় নবীজী হজরত মুহাম্মদ সা. খেজুর দিয়ে ইফতার করতেন বা পানি পান করতেন। সেই ধারাবাহিকতায় এখনও ইফতার শুরু হয় খেজুর বা পানি দিয়ে। কিন্তু পরিবর্তনশীল বিশ্বের অনেক দেশেই ইফতার এখন উৎসবে পরিণত হয়েছে। আর যুক্ত হয়েছে বিচিত্র ধরনের খাবার। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ইফতারের বৈচিত্র্য নিয়ে আজকের এই ফিচার—

১. বাংলাদেশ : আমাদের প্রিয় দেশকে দিয়েই শুরু করা যাক। তবে আমাদের ইফতার সংস্কৃতি সবারই জানা। বাংলাদেশের মানুষের কাছে নিজের পরিবার-পরিজনদের নিয়ে ইফতার করাটা অনেকদিনের রীতি। ইফতারের তালিকায় থাকে খেজুর, শরবত, ছোলা, মুড়ি, পিঁয়াজু, বেগুনি, চপ, জিলাপি, কাবাব, হালিম ইত্যাদি। আর বড় বাপের পোলায় খায়, টানা পরাটা, শাহী হালিম, শাহী জিলাপি, নূরানি লাচ্ছি, ঘুগনি, ছোলা সহ মুখরোচক সব খাবারের পসরা বসে বহু বছরের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য আর ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে থাকা পুরান ঢাকায়। বিক্রেতার কণ্ঠে শুনা যায়, ‘বড় বাপের পোলায় খায়, ঠোঙ্গায় ভইরা লইয়া যায়।’ পুরো ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ এখানে ভিড় জমায় ইফতার কেনার জন্য। রমজান শুরুর কয়েক দিন আগে থেকেই বিভিন্ন শপিং সেন্টার আর খাবারের দোকানগুলোতে চলে সাজ সাজ রব।

২. পাকিস্তান : পাকিস্তানে রমজান মাস উদযাপন মানেই বাহারি ইফতারের সমাহার। যুগ যুগ ধরে এই দেশের মুসলিমরা উৎসবের সাথে ইফতারে আয়োজনে করে আসছে নানা ধরনের স্পেশাল আইটেম। ঘরে তো বটেই, আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও বন্ধু-বান্ধবদের নিয়ে ইফতারের অনুষ্ঠান করাটাও তাদের রীতির মধ্যে পড়ে। তাদের ঐতিহ্যবাহী ইফতারের মেন্যুতে থাকে- চানা চাট, দই বালাই, নুডলস্‌ স্যুপ, নামাক পাড়া, পাপড়, ভেজিটেবল পাকোড়া, শামি কাবাব ও ফ্রুট সালাদ। এছাড়াও আরও রকমারি আইটেমের দেখা মিলে তাদের ইফতারের টেবিলে।

৩. ভারত : ভারতের ইফতারিতে রয়েছে নানা রকমের বৈচিত্র্য। সেখানকার একেক রাজ্যে ইফতারির একেক রকম পদ হয়। হায়দরাবাদের লোকজনের ইফতার হয় হালিম দিয়ে। তামিলনাড়ু ও কেরালায় ইফতার হয় ননবো কাঞ্জি দিয়ে। এটি তৈরি হয় ভাত, খাসির মাংস, সবজি ও মসলা দিয়ে। পাশাপাশি থাকে বন্ডা, পাকুড়া—এসব খাবার।

৪. সৌদি আরব : সৌদি আরব আমাদের পেয়ারে নবীজী মুহাম্মদ সা.-এর দেশ। এখানের চেয়ে ইফতারের বড় আয়োজন আর কোনো দেশেই করা হয় না। মসজিদে হারাম ও মসজিদে নববিতে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ইফতারের আয়োজন হয়।। পবিত্র কাবা প্রাঙ্গণে প্রতিদিন ইফতার করেন ১০ লক্ষাধিক রোজাদার। পবিত্র জমজম কূপের পানির সঙ্গে সৌদি আরবের ঐতিহ্যবাহী খেজুর-খোরমাসহ নানা পদের খাবার দিয়ে এখানে ইফতার করেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। তবে এখন পর্যন্ত এত বিপুলসংখ্যক মুসল্লির ইফতার সামাল দিতে কোনো বিশৃঙ্খলা হয় না। ধনী-গরিব সবাই একাকার হয়ে পবিত্র কাবা চত্ত্বরের ইফতার করতে সামিল হন। ইফতার ও নামাজের পর পথে পথে মুসল্লিদের গরম চা ও কফি পরিবেশন করে তরুণরা। মুসল্লিদের হাতে গরম চা ও কফির পেয়ালা তুলে দিয়ে এক চরম প্রশান্তি অনুভব করে তারা। ইফতারিতে থাকে কোনাফা, ত্রোম্বা, বাছবুচান্ডর নামক নানা রকম হালুয়া। এ ছাড়া রয়েছে সাম্বুচা, যা দেখতে ঠিক সমুচার মতো, এর ভেতর থাকে মাংসের কিমা। তবে মরিচ থাকে না। এ ছাড়া থাকে সালাতা (সালাদ), সরবা (স্যুপ), জাবাদি (দই), লাবান, খবুজ (ভারী ছোট রুটি) বা তমিজ (বড় রুটি)। তা ছাড়া খেজুরের নানা রকম লোভনীয় আইটেম তো রয়েছেই। যার মধ্যে খেজুরের বিস্কুট, পিঠা ইত্যাদি।

৫. তুরস্ক : তুরস্কের অধিকাংশ মানুষই ধর্মপরায়ণ। এদেশেও খেজুর আর পানি দিয়ে ইফতার করেন রোজাদাররা। তুরস্কের অনেক জায়গায় ‘রমজান কিবাবি’ নামক খাদ্যটির ইফতার হিসেবে আলাদা কদর রয়েছে। এটা বিশেষ ধরনের কাবাব। নানারকম শরবতের ব্যবহারও বেশ পুরোনো। এছাড়া জলপাই, বিখ্যাত রমজান পাইড রুটি, পনির, মশলাদার গরুর মাংসের পাতলা স্লাইস, সসেজ, মিষ্টি মাখন, ফল, মধু, প্রচুর পরিমাণ টমেটো, শশা ইত্যাদি দিয়ে ইফতার করেন তুর্কিরা। তুর্কিদের ইফতার আয়োজনে শুধু মুসলমানরাই নয়, ভিন্ন ধর্মাবলম্বীরাও এক কাতারে বসে ইফতার করে। এছাড়া বড় বড় মসজিদের চারপাশে শত শত দোকানদার নানারকম ইফতারের পসরা সাজিয়ে বসে।

৬. মিসর : মিসরের পথে পথে রমজান মাসে লেটুস পাতা বিক্রি করতে দেখা যায়। সেখানকার ইফতারে এ পাতার দারুণ সমাদর। ইফতারের মেন্যুতে কোনাফা ও কাতায়েফ থাকতেই হবে। এগুলো মূলত কেক জাতীয় খাদ্য। যেগুলো আটা, চিনি, মধু ও বাদাম দিয়ে তৈরি হয়। তবে মিসরে ইফতারের প্রধান মেন্যুতে থাকে শরবত, দুধ, নানারকমের ফল, স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী কেক, পিঠা প্রভৃতি। আর নিয়মিত অনুষঙ্গ খেজুর তো আছেই। ইফতারের জন্য বাদাম, কিসমিসসহ প্রভৃতি উপকরণে তৈরি করা হয় তায়েফ পিঠা। এছাড়া বাজারের শহর খ্যাত রাজধানী কায়রোর অলিগলিতে পসরা সাজিয়ে বসে হরেকরকম ইফতারির দোকান।

৭. মরক্কো : সারা বিশ্বের মুসলিম দেশগুলোতে রমজানের ২-৩ দিন পূর্বে প্রস্তুতি নেয়া শুরু হলেও এই দেশে রমজানের প্রস্তুতি শুরু হয় ২-৩ সপ্তাহ আগে থেকে। মরক্কোর লোকেরা তাদের বাড়ি-ঘর রঙ করে, বাড়ির চারদিক পরিস্কার করে ও রান্নাঘরের যাবতীয় জিনিসপত্র একদম নতুনের মতো চকচকে করে ফেলে। আত্মীয় আর বন্ধু-বান্ধবদের মধ্যে চলে একে অপরের বাসায় দাওয়াত দেওয়া-নেওয়ার পালা। এ সময়ে এখানকার রাস্তাগুলো পরিণত হয় খাবারের বাজারে। মরক্কোয় ইফতারকে বলা হয় ‘এফতোর’। তাদের ‘এফতোর’-এ থাকে নানান ঐতিহ্যবাহী খাবার। যেমন- রিজ্জা, ক্রাচেল, মিস্সামেন, হারিরা, ব্রিওয়াত, স্টিল্লা, হারশা, স্যাল্লো, রিজ্জা, মালবি, বাঘরির, এবং কুসকুস। মরক্কোর অধিবাসীরা একটু বেশি সময় নিয়েই ইফতার করে থাকেন।

৮. মালদ্বীপ : মালদ্বীপে ইফতার ‘রোয়াদা ভিলান’ নামে পরিচিত। তাদের ইফতারের মূল উপাদান শুকনো বা ফ্রেশ খেজুর। বিলাসবহুল রেস্তোরাঁ বা হোটেলে ইফতার ও ডিনারের বিশেষ আয়োজন থাকে। অন্যদিকে সেখানকার মসজিদগুলোতে ফ্রি খেজুর জুসের ব্যবস্থা করা হয়।

৯. মস্কো : মস্কোতে ইফতার আয়োজনে খেজুর ও অন্য ফল রাখা হয়। এরপর স্যুপ, রুটি ও বিভিন্ন স্থানীয় খাবারের আয়োজন তো রয়েছেই। রাশিয়ান ঐতিহ্যবাহী কাভাসকেও তৃষ্ণা মেটাতে সেরা পানীয় হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

১০. ব্রুনাই : ব্রুনাইয়রে স্থানীয় ভাষায় ইফতারকে সোংকাই বলা হয়। ঐতিহ্যগতভাবেই আঞ্চলিক বা গ্রামীণ মসজিদগুলোতে এর আয়োজন করা হয়। সাধারণত সরকার ও স্থানীয় বাসিন্দারা এই সোংকাইয়ের আয়োজন করে থাকে। এখানে ইফতারের আগে বেদুক নামে এক ধরনের ড্রাম বাজানো হয়, যার মানে হচ্ছে, ইফতারের সময় হয়ে গেছে। এ ছাড়া রাজধানী বন্দর সেরি বেগাওয়ানে সোংকাইয়ের সংকেত হিসেবে কামান থেকে গুলি ছোড়া হয়।

১১. ইন্দোনেশিয়া : ইন্দোনেশিয়ার ইফতারকে বুকা পুয়াসা বলা হয়। এখানে বেদুক বাজানোর মাধ্যমে ইফতারের সময় নিশ্চিত করার রেওয়াজ রয়েছে। আসরের নামাজের পর বাজারগুলোতে বিভিন্ন ইফতার বিক্রি হয়।

১২. ইরান : ইরানরে ইফতার আয়োজনে খুব বেশি কিছু থাকে না। চায়ে (চা), লেভাস বা বারবারি নামের এক ধরনের রুটি, পনির, তাজা ভেষজ উদ্ভিদ, মিষ্টি, খেজুর ও হালুয়া দিয়েই চলে সেখানকার ইফতার।

১৩. মালয়েশিয়া : মালয়েশিয়ার স্থানীয় লোকেরা ইফতারে আখের রস ও সয়াবিন মিল্ক খান, যাকে তাদের ভাষায় বারবুকা পুয়াসা বলা হয়। এ ছাড়া স্থানীয় খাবারের মধ্যে থাকে লেমাক লাঞ্জা, আয়াম পেরিক, নাসি আয়াম, পপিয়া বানাস ও অন্যান্য খাবার। মালয়েশিয়ার বেশির ভাগ মসজিদে রোজায় আসরের নামাজের পর স্থানীয়দের ফ্রি রাইস পরিজ দেওয়া হয়।

১৪. আমেরিকা : আমেরিকায় ইফতারসামগ্রীর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের খেজুর, খুরমা, সালাদ, পনির, রুটি, ডিম, মাংস, ইয়াগার্ট, হট বিনস, স্যুপ, চা ইত্যাদি। জানা যায়, সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের আমল থেকে রমজান মাসে হোয়াইট হাউসেও ইফতারের আয়োজন করা হয়। এটা বর্তমানে সেখানকার একটি প্রথা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেখানে বিভিন্ন দেশের মুসলিম প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

১৫. কানাডা : কানাডার মুসলমানদের ইফতারিতে খেজুর, খুরমা, পনির, সালাদ, ফল, স্যুপ, জুস, রুটি, ডিম, মাংস, চা-কফি ইত্যাদি থাকে।

১৬. ব্রিটেন : ব্রিটেনে ইফতারিতে ব্রিটিশ রোজাদাররা খেজুর, ফল, স্যুপ, জুস, রুটি, ডিম, মাংস, চা-কফি ইত্যাদি গ্রহণ করে থাকে।

১৭. ইতালি : ১ শতাংশ মুসলমানের এই দেশে রোজাদাররা বার্গারজাতীয় খাদ্য, নানাবিধ ফল যেমন—মাল্টা, আপেল, আঙুর, বিভিন্ন ফলের রস ইত্যাদি দিয়ে ইফতার করেন।

১৮. অস্ট্রেলিয়া : ২ শতাংশ মুসলমানের এই দেশে ইফতারিতে স্যান্ডউইচ, পনির, মাখন, দুধজাতীয় খাবার, নানাবিধ ফল ও ফলের রস খাওয়া হয়।

১৯. স্পেন : স্পেন একসময় মুসলমানদের দেশ থাকলেও বর্তমানে এখানে মুসলমানের সংখ্যা মাত্র ৪.১ শতাংশ। এখানকার মুসলিমরা ইফতারিতে হালাল শরমা, ডোনার কাবাব, হামাস (যা তৈরি করা হয় ছোলা, তিল, জলপাই তেল, লেবু, রসুন ইত্যাদি দিয়ে। এটি মূলত মধ্যপ্রাচ্যের খাবার।), লাম্ব কোফতা, আলা তুরকা, পাইন অ্যাপেল, টমেটো সালাদ ইত্যাদি খেয়ে থাকেন। এ ছাড়া রয়েছে খিচুড়ি, বিরিয়ানি, যা সেখানে অবস্থানরত ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের প্রবাসীরা খেয়ে থাকেন।

২০. পর্তুগাল : পর্তুগালের মুসলমানরা ইফতারি হিসেবে পাস্টার দি নাতা (এক প্রকার কেক) ও সারডিন মাছের কোপ্তা বেশ পছন্দ করে। এ ছাড়া রয়েছে প্রেগোরোজ, ট্রিনচেডো, প্রাউজ (চিংড়ি), স্প্রিং গ্রিল ও স্যুপ।

মহিমান্বিত এ মাসে বিভিন্ন দেশের মানুষেরা সংযম করার সাথে সাথে পালন করে যায় তাদের নিজেদের ঐতিহ্যবাহী এসব রীতিনীতি। তাই রমজান মাস এসব জায়গায় শুধু যে সিয়াম সাধনার মাস তা-ই নয়, বরং ঐতিহ্যগুলোকে চর্চা করার সময়ও বটে! (মসলিম মেমো অবলম্বনে)

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত