শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধান উপদেষ্টা ◈ ‘পছন্দ না হলে মাজারে নাও আসতে পারেন, আঘাত-ভাঙচুর গ্রহণযোগ্য নয়’ ◈ জনসভা ছাড়িয়ে নিউজফিড: কেন সামাজিক মাধ্যমই এবারের নির্বাচনের মূল ময়দান ◈ উত্তরবঙ্গকে কৃষিভিত্তিক শিল্পের রাজধানী বানাতে চাই, বেকারত্ব দূর করবো: ডা. শফিকুর রহমান ◈ বিএনপি চাইলে ঢাকা শহরে জামায়াতের কোনো প্রার্থীই রাস্তায় নামতে পারবে না: ইশরাক হোসেন ◈ সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ইসির ◈ এক সপ্তাহে যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেফতার ২৭৮, অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার ◈ নতুন পে-স্কেল, রাজস্ব ঘাটতি ও উচ্চ মূল্যস্ফীতি: পরবর্তী সরকার আর্থিক চাপে পড়বে ◈ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে: মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে প্রধান উপদেষ্টা ◈ আইসিসিকে ফের চিঠি বিসিবির, নিরপেক্ষ কমিটিতে দাবি পাঠানোর অনু‌রোধ

প্রকাশিত : ১২ মে, ২০১৯, ০৮:৪১ সকাল
আপডেট : ১২ মে, ২০১৯, ০৮:৪১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিশ্ব মা দিবসে সব মায়েদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি

সুদেব সাহা: মা পৃথিবীর সবচেয়ে মধুর শব্দ। মা শব্দটি মনে করিয়ে দেয় অকৃত্রিম স্নেহ, মমতা আর গভীর ভালোবাসা। প্রতিটি সন্তানের ভালোবাসা আর নিরাপদ আশ্রয়ের শ্রেষ্ঠ জায়গা মা। মা স্নেহ আর ভালোবাসা দিয়ে সন্তানকে লালন পালন করে বড় করে, বিনিময়ে কিছুই চান না। সেই মায়ের জন্য আজ একটি বিশেষ দিন । আজ বিশ্ব মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার এ দিবসটি পালন করা হয়। যদিও গর্ভধারিনী মা কে ভালোবাসার জন্য কোন দিনক্ষণ লাগে না তবুও মায়ের প্রতি সন্তানের ভালোবাসা ও মহিমা প্রকাশের দিন আসে এই বিশ্ব মা দিবসে। সন্তানের প্রতি মায়ের ভালোবাসা যেন অফুরান সবসময়। সংসারের সকল কাজ, সবার দেখাশোনা, সকল বাস্তবতা মানে সবকিছুতেই যেন মায়ের অন্তর্ভূক্তি। মা ক্লান্তিহীন, ছুটি নেই তার। কাজ, কাজ আর কাজ। আমার মাকে দেখেছি সারাদিন স্কুলে শিক্ষকতা করে, সংসারের সকল কাজ করে, সন্তানদের লেখাপড়াসহ সকল খোঁজ রাখতে। আসলে প্রতিটি সংসারে মায়েদের অবদান এমনি অপরিসীম। ঘরে বাইরে মায়েদের এই অবদানকে প্রতিষ্ঠা ও সম্মান জানানোর জন্য এই মা দিবস পালন করা হয়।

ইউরোপ আমেরিকায় মা দিবস ঘটা করে পালন হলেও আমাদের দেশে মা দিবস পালনের ইতিহাস খুব পুরোনো নয়। কিন্তু মা দিবস পালনের ক্ষেত্রে এখন বেশ সাড়া মিলছে আমাদের দেশে।

যুক্তরাষ্ট্রে আনা জার্ভিস ও তার মেয়ে আনা রিভস জার্ভিসের উদ্যোগে মা দিবসের প্রচলন শুরু হয়। ১৯০৭ সালের এক রবিবার আনা জার্ভিস স্কুলের বক্তব্যে মায়ের জন্য একটি দিবসের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন। এরই প্রেক্ষিতে তিনি ১৯১২ সালে মাদারস ডে ইন্টারন্যাশনালন আ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠা করেন এবং এর পক্ষে জনমত গড়ে তোলেন। পরে ১৯১৪ সালের ৮ মে মার্কিন কংগ্রেস মে দ্বিতীয় রবিবারকে মা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এরই ধারাবাহিকতায় অস্ট্রেলিয়া, ইতালি, জার্মানি, কানাডা ও রাশিয়া সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যথাযথ সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে দিবসটি পালন করা হচ্ছে।

পরিশেষে বলি, মা দিবসটি যেন শুধু উদযাপনে নয়, অঙ্গিকার হোক প্রতিটি সন্তানের যেন মায়ের প্রতি দায়িত্ব, ভালোবাসা ও কর্তব্য জাগ্রত হয় তার প্রাত্যহিক/দৈনন্দিন জীবনে। পৃথিবীর প্রতিটি মা সুস্থ ও সুন্দর থাকুক এই কামনা করি।

লেখকঃ সুদেব সাহা (পিএইচডি অধ্যয়নরত, ইতালি)
সহকারী অধ্যাপক
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়