শিরোনাম
◈ দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় বিএনপি: নতুন সরকারের অগ্রাধিকার হতে পারে যেসব বিষয় ◈ ফাঁসির দণ্ডাদেশ থেকে খালাস পেয়ে সংসদের পথে বাবর, পিন্টু ও আজহারুল ইসলাম ◈ ‌‌টি-‌টো‌য়ে‌ন্টি বিশ্বকা‌পে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হওয়া নিয়ে শঙ্কা! ◈ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জিতে যাওয়ায় যেসব পরিবর্তন আসতে পারে ◈ কতটা ক্ষমতাধর একজন এমপি, তিনি কী কী কাজ করেন? ◈ অনেকেই ধারণা করছেন নির্বাচন শেষ হলে আমি যুক্তরাজ্যে ফিরে যাব: তাসনিম জারা ◈ অর্থনীতি সচল করাই আগামী সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ: ফখরুল ইসলাম ◈ গণতান্ত্রিক অধিকারের জন্য বিএনপি সব সময় লড়াই করেছে তারই বহিঃপ্রকাশ এই বিজয়: মির্জা ফখরুল ◈ মন্ত্রিসভা নিয়ে যা বললেন সালাহউদ্দিন ◈ ভোটে জিতেই আওয়ামী লীগের অফিস খুলে দিলেন বিএনপি নেতা (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২৯ এপ্রিল, ২০১৯, ০৪:০৫ সকাল
আপডেট : ২৯ এপ্রিল, ২০১৯, ০৪:০৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অন্যরা শপথ নিলেও বিএনপি থেকে তাদের বহিষ্কার করা হবে, বললেন সামসুজ্জামান দুদু

লিয়ন মীর : বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ মোট ছয়জন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে নির্বাচিত হয়েছে। এদের মধ্যে একমাত্র জাহিদুর রহমান দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে এমপি হিসেবে শপথ গ্রহণ করায় দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে তাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। অন্য পাঁজনের কেউ যদি একইভাবে দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে এমপি হিসেবে শপথ গ্রহণ করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধেও দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান দুদু।

আমাদের নতুন সময়ের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কোনো নির্বাচনই নয়। ভোট ডাকাতির নির্বাচন হয়েছে। তাই সরকার নিজেদের বৈধ্যতা পেতে বিরোধীদের শপথ গ্রহণের ক্ষেত্রে নানান ধরনের চাপ এবং প্রলোভন দেখাচ্ছে। যারা দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে শপথ গ্রহণ করছে তারা সবাই চাপ এং প্রলোভনের কাছে পরাজিত হয়েই শপথ গ্রহণ করছে।

বিএনপি নেতা জাহিদুর রহমান দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে শপথ নিয়ে সমাজ, ধর্ম এবং রাজনীতিচ্যুত হয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, এমন একজন ঘৃণ্য ব্যক্তিকে নিয়ে আলোচনার কিছুই নেই। দুর্গন্ধ নিয়ে যতো ঘাঁটাঘাঁটি করা হবে ততোই গন্ধ ছড়াবে, ভালো কিছুই পাওয়া যাবে না। জাহিদুর রহমান এখন আর বিএনপির কেউ নন। তাকে নিয়ে আমরা কোনো আলোচনা করতে চাই না।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পিতা বেঁচে থাকলে এই নির্বাচন গ্রহণ করতো না, মওলানা আব্দল হামিদ খান বেঁচে থাকলেও এই নির্বাচন মেনে নিতো না। বিএনপির পক্ষেও এই নির্বাচন কোনোভাবেই গ্রহণ করা সম্ভাব নয়। তাই যে নির্বাচন আমরা গ্রহণ করতে পারছি না, সেই সংসদে অংশগ্রহণ করার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। শেখ হাসিনা যদি এই সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে পুনরায় সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান করে তাহলে সেই সংসদে বিএনপি অংশগ্রহণ করবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়