প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

৪৫ হাজার একরের মধুপুর জাতীয় উদ্যানের আয়তন এখন মাত্র ৯ হাজার একর

নুর নাহার : মিথ্যা মামলা আর ভুয়া বাদীর গ্যাঁড়াকলে সাবাড় হচ্ছে মধুপুর জাতীয় উদ্যান। অরনখোলা মৌজার ৮২৬ একর জমি নিয়ে ৪০ বছর ধরে মামলা চলছে, বেশিরভাগ বাদীই জানেন না, তারা মামলা করেছেন বন বিভাগের বিরুদ্ধে। স্থানীয় ইউনিয়ন ভূমি অফিসের বিরুদ্ধে মামলার নম্বর পরিবর্তনের প্রমাণ মিলেছে। চ্যানেল ২৪

৫৭ বছরে ৪৫ হাজার একরের মধুপর বনের আয়তন এস দাঁড়িয়েছে মাত্র ৯ হাজার একরে। এর মাঝে দখলে হারিয়ে গেছে ৩৪ হাজার একর। মধুপুরের ছোট্ট জনপথ অরনখোলা মৌজার ৮শ ২৬ একর জমি প্রাণীদের নিরাপদ আশ্রয়। কিন্তু হঠাৎ করেই ১৯৭৯-৮০ সালে ৩৭ জন মামলা করে নিজেদের বলে।

অরনখোলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নিবন্ধন বই ঘেটে বের হয় আরেক তথ্য। বাদীদের নাম, জমির দাগ, পরিমান ঠিক থাকলেও মামলার প্রত্যেকটির সামনে ১ বসানো। অর্থাৎ ৪৪০ নম্বর মামলা হয়েছে ১৪৪০। এই সংখ্যা বিভ্রাটই নাকি বাধা রায় কার্যকরে।
তহশিলদার মনির বলেন, হয়তো ভুল আছে না হয় ইচ্ছকৃতভাবে ভুল করা হয়েছে। হয়তো এতে কোনো স্বার্থ থাকতে পারে।
অরনখোলা ইউনিয়নের ভূমি অফিসের তহশিলদার(অব) আব্দুল রশিদ আকন্দ বলেন, আপরানা যে স্বাক্ষর আর সিল দেখিয়েছেন তার কোনোটাই আমার না। এবং আমি নতুন কোনো রেজিষ্টার ব্যবহার করিনি। আমি পুরোনোটাই ব্যবহার করছি।

অরনখোলা সামাজিক বনায়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম বলেন, রইচ উদ্দিন নামের এক লোক ছিলো যে সমস্ত কার্যকলাপ ঘটিয়েছে এগুলো সেই করে গেছে।

তহশিলদার রইস উদ্দিন রাষ্ট্রের তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী হয়ে মধুপুরে করেছেন ২তলা বাড়ি, গ্রামে ২০ একর জমি, পাকা বাড়ি আর বীজের ব্যবসা।

তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে কোনো অনিয়মের প্রমাণ কেউ পারবে না কারণ আমি এরকমের কোনো কাজ করিনি।
পরিবেশ ও বন মন্ত্রী মো, শাহাব উদ্দিন বলেন, আপিলের রায় পাওয়ার পরপরই আমরা আমাদের জায়গা দখল করবো।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত