শিরোনাম
◈ সৌদিতে আকামা নবায়নে নতুন সুযোগ পেলেন বাংলাদেশি প্রবাসীরা ◈ শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি সরকারের আহ্বান ◈ শহীদের আত্মত্যাগে গড়া জাতীয় ঐক্য রক্ষা করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী ◈ ত্বক ফর্সাকারী ৮ ক্রিমে বিষাক্ত মার্কারি, ব্যবহার না করার আহ্বান ◈ সিঙ্গাপুরে চালু হলো প্রবাসীদের জন্য এনআইডি ও ভোটার নিবন্ধন সেবা চালু ◈ এবার নেইমার অবসরের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন ◈ মালয়েশিয়ায় তিন বাংলাদেশিকে হত্যা, সহকর্মী গ্রেপ্তার ◈ রাজধানীর বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসা চত্বরে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষ, ঢামেকে আহত ৭ ◈ শেখ হাসিনার বক্তব্য দেওয়ার প্রসঙ্গে অবস্থান স্পষ্ট করল ভারত ◈ সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে চালু হচ্ছে জিপিএস প্রযুক্তি

প্রকাশিত : ২১ এপ্রিল, ২০১৯, ০৩:৪০ রাত
আপডেট : ২১ এপ্রিল, ২০১৯, ০৩:৪০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তদন্তে অদক্ষতা, মিথ্যা অভিযোগের কারণে সাইবার অভিযোগ প্রমাণ করা কঠিন হয়ে পড়ে, বললেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া

কেএম নাহিদ : দেশে সাইবার অপরাধ দিন দিন বাড়ছে, ৬ বছরে বিভিন্ন থানা ও সাইবার ট্রাইব্যুনালে ২০৪৪টি মামলা হয়েছে। সাইবার অপরাধ অনেকটা জ্যামিতিক হারে বাড়ছে। সোমবার ভয়েস অব আমেরিকার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া যায়। গত বছর মামলা হয় ৯২৫টি। পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, ২০১৩ সালে মামলা হয়েছিল মাত্র ৩টি। সাইবার অপরাধে সাজা হয় মাত্র ৩ ভাগ অপরাধীর। এর মূল কারণ হচ্ছে, ঢালাওভাবে মানহানির মামলা দায়ে, যেগুলো আদালতে প্রমাণ করা সম্ভব হয় না। মিথ্যা মামলাও দায়ের হয় পাইকারি ভাবে।

ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া মনে করেন, তদন্তে অদক্ষতা এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মিথ্যা মামলা দায়েরের কারণে অভিযোগ প্রমাণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

সাইবার অপরাধের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাভোকেট নজরুল ইসলাম শামীমের অভিজ্ঞতা হচ্ছে, অনেক ক্ষেত্রে আইটি এবং ফরেনসিক রিপোর্ট ছাড়াই পুলিশ সাইবার অপরাধের মামলায় চার্জশিট দিয়ে দেয়। সাইবার অপরাধে গ্রেপ্তারকৃতদের বেশিরভাগই মামলা থেকে খালাস পেয়ে যাচ্ছে। এর কারণ প্রসিকিউশন সন্দেহাতীতভাবে অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি। আইনে সর্বোচ্চ ১৪ বছর ও সর্বনিম্ন ৭ বছরের জেলের বিধান রাখা হয়েছে। কিন্তু সাজা হচ্ছে খুবই কম অপরাধীর।

প্রতিবেদনে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাড়ায় চরিত্র হনন করার একটি  গ্রুপকে চিহ্নিত করেছে পুলিশের সাইবার অপরাধ বিভাগ। দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা পয়সার বিনিময়ে বিভিন্ন জনের কুৎসা রটনা করতো। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছে, রাজনৈতিক নেতা নেত্রী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিরা প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে তাদের সাহায্য নিতেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়