শিরোনাম
◈ সিলেট টেস্টের জন‌্য বাংলা‌দেশ দল ঘোষণা বি‌সি‌বির  ◈ সমান সুযোগ ছাড়া ভারতকে বিদ্যুৎ করিডর দেবে না বাংলাদেশ ◈ নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে উত্তাল তেল আবিব ◈ তিন মাসে বিএসএফের গুলিতে নিহত ৪ বাংলাদেশি ◈ ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে আগামী সংসদ অধিবেশনেই আইন পাস, থাকছে আরও যেসব সুবিধা ◈ শুধু কাঞ্চনজঙ্ঘা নয় পঞ্চগড় থেকে এবার দেখা গেল এভারেস্ট ও মাকালু, ক্যামেরায় বিরল দৃশ্য ধারণ (ভিডিও) ◈ ভারতীয় ভিসা জটিলতায় হাতছাড়া হচ্ছে গ্রিসের শ্রমবাজার, পিছিয়ে বাংলাদেশ ◈ সাতক্ষীরায় লংমার্চফেরত জামায়াত-শিবিরের বাস খাদে, নিহত ১, আহত অন্তত ২০ ◈ খিলক্ষেতের বাড়িতে ডিজে পার্টির ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহির ◈ ছেলেপুলে পাঠাতে হয়, ঘটনা ঘটাতে হয়, তবে ৫০ লাখ ১ কোটি হয়ে যাবে, কমবে না: শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের সহযোগী

প্রকাশিত : ১৫ এপ্রিল, ২০১৯, ০৫:১৯ সকাল
আপডেট : ১৫ এপ্রিল, ২০১৯, ০৫:১৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আমরা কখনো ভাবিনি বিজিএমইএ ভবন আমাদের ছাড়তে হবে, বললেন সংগঠনের ভাইস প্রেসিডেন্ট

ফাতেমা ইসলাম : বাংলাদেশ গার্মেন্ট মালিক সমিতি (বিজিএমইএ) হাতির ঝিলের পুরনো ভবন থেকে যাবতিয় দাপ্তরিক কাজকর্ম অবশেষে উত্তরার নতুন ভবনে। মালামাল স্থানান্তরের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। হাতির ঝিলের পুরনো ভবনটি সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশের পরও আজ পর্যন্ত ভাঙ্গার কাজ শুরু করা যায়নি। বিজিএমই আদৌ এই ভবনটি কখনও ছাড়তে রাজি হবে সেটিও যেন অনেকেই বিশ্বাস করতে পারতেন না। বিবিসি বাংলা

সংগঠনটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ ফেরদৌস বলেন, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে আমরা সরকার থেকে অনেক কষ্ট করে জমি নিয়ে আমরা কাজটা শুরু করেছিলাম। একটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অফিসটা নিয়ে যাওয়ার জন্য সচেষ্ট ছিলাম। জমি পাওয়া, প্লান করে সেখানে বিল্ডিং করে যাওয়াটা একটা ঝামেলাপূর্ণ কাজ ছিলো তার পরেও আমরা সফল হয়োছি।

তিনি আরো বলেন, এখান থেকে যেতে সময় লাগলেও, যখন আমাদেরকে বলা হলো বিল্ডিংটা এখানে রাখা যাবে না, তখন কোর্টে মামলা হলো কোর্ট থেকে আদেশ আসলো আমরা সময় চেয়ে নিলাম সব মিলিয়ে একটা বড় ধরনের ব্যাপার, বিরাট চ্যালেঞ্জ ছিলো আমাদের জন্য। ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রীকে তিনি আমাদের কম সময়ের মধ্যে জায়গা দিলেন। খুব তাড়াহুড়ো করে দো’তলা ভবন করে ওখানে চলে যাচ্ছি।

আমাদের সংগঠনটি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অনেক অবদান রাখছে। যখন এই বিল্ডিংটি করা হয়েছিলো তখনতো এমন কোন কথা ছিলো না যে ওখানে ঝিল করবে। সরকারের অনুমতি নিয়ে বিল্ডিংটি করেছি, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী গিয়ে উদ্ভোধন করেছেন দু’বার। আমরা কখনই বিশ্বাস করিনি, এই বিল্ডিংটি সরাতে হবে। কিভাবে পরিবেশটা ঠিক রেখে বিল্ডিংটা রাখা যায় সে চেষ্টা আমরা করেছিলাম কিন্তু সেটা হয়নি। আদালত যখন আমাদের আদেশ দিয়েছে আমরা তখন আদেশ মেনে অন্য জায়গায় চলে গেলাম।

  • সর্বশেষ