শিরোনাম
◈ সাগর-রুনি হত্যা: রোকেয়া প্রাচীর বাসা থেকে দু’টি ডিস্ক আনা হয়েছিল জিয়াউল আহসানের নির্দেশে ◈ ৪৮ বছরে বিএনপি, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য কর্মসূচি ◈ ‘মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের’ সদরদপ্তর রিয়াদে, প্রথম মহাসচিব পাকিস্তানি ◈ বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল বিমানবাহিনীর ৩ সদস্যের ◈ আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি লিওনেল মেসির ২১ বছরের যত রেকর্ড! ◈ সরকারি চাকরিজীবীদের পেনশন বাড়বে ৫৫ থেকে ১০০% পর্যন্ত ◈ নির্বাচনের ৭ বছর পর রাশেদ খানকে ডাকসুর জিএস ঘোষণা ◈ ডিপিডিসির জরুরি বার্তা প্রিপেইড মিটার ও বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ◈ নতুন পে স্কেল নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি ◈ দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণই বিএনপির সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস: তারেক রহমান

প্রকাশিত : ১৫ এপ্রিল, ২০১৯, ০৫:১৯ সকাল
আপডেট : ১৫ এপ্রিল, ২০১৯, ০৫:১৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আমরা কখনো ভাবিনি বিজিএমইএ ভবন আমাদের ছাড়তে হবে, বললেন সংগঠনের ভাইস প্রেসিডেন্ট

ফাতেমা ইসলাম : বাংলাদেশ গার্মেন্ট মালিক সমিতি (বিজিএমইএ) হাতির ঝিলের পুরনো ভবন থেকে যাবতিয় দাপ্তরিক কাজকর্ম অবশেষে উত্তরার নতুন ভবনে। মালামাল স্থানান্তরের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। হাতির ঝিলের পুরনো ভবনটি সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশের পরও আজ পর্যন্ত ভাঙ্গার কাজ শুরু করা যায়নি। বিজিএমই আদৌ এই ভবনটি কখনও ছাড়তে রাজি হবে সেটিও যেন অনেকেই বিশ্বাস করতে পারতেন না। বিবিসি বাংলা

সংগঠনটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ ফেরদৌস বলেন, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে আমরা সরকার থেকে অনেক কষ্ট করে জমি নিয়ে আমরা কাজটা শুরু করেছিলাম। একটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অফিসটা নিয়ে যাওয়ার জন্য সচেষ্ট ছিলাম। জমি পাওয়া, প্লান করে সেখানে বিল্ডিং করে যাওয়াটা একটা ঝামেলাপূর্ণ কাজ ছিলো তার পরেও আমরা সফল হয়োছি।

তিনি আরো বলেন, এখান থেকে যেতে সময় লাগলেও, যখন আমাদেরকে বলা হলো বিল্ডিংটা এখানে রাখা যাবে না, তখন কোর্টে মামলা হলো কোর্ট থেকে আদেশ আসলো আমরা সময় চেয়ে নিলাম সব মিলিয়ে একটা বড় ধরনের ব্যাপার, বিরাট চ্যালেঞ্জ ছিলো আমাদের জন্য। ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রীকে তিনি আমাদের কম সময়ের মধ্যে জায়গা দিলেন। খুব তাড়াহুড়ো করে দো’তলা ভবন করে ওখানে চলে যাচ্ছি।

আমাদের সংগঠনটি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অনেক অবদান রাখছে। যখন এই বিল্ডিংটি করা হয়েছিলো তখনতো এমন কোন কথা ছিলো না যে ওখানে ঝিল করবে। সরকারের অনুমতি নিয়ে বিল্ডিংটি করেছি, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী গিয়ে উদ্ভোধন করেছেন দু’বার। আমরা কখনই বিশ্বাস করিনি, এই বিল্ডিংটি সরাতে হবে। কিভাবে পরিবেশটা ঠিক রেখে বিল্ডিংটা রাখা যায় সে চেষ্টা আমরা করেছিলাম কিন্তু সেটা হয়নি। আদালত যখন আমাদের আদেশ দিয়েছে আমরা তখন আদেশ মেনে অন্য জায়গায় চলে গেলাম।

  • সর্বশেষ