শিরোনাম
◈ ২০২৬ সালে ভ্রমণের জন্য সেরা ২০ আন্তর্জাতিক গন্তব্য ◈ ১২ জানুয়ারি ঢাকায় আসছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ◈ গণভোটের প্রচারে সরকারের উদ্যোগ: জনগণকে জানাতে সকল বিভাগে বড় আয়োজন ◈ মোস্তাফিজের শেষ ওভারের ম্যাজিকে ঢাকাকে হারিয়ে রংপুরের শ্বাসরুদ্ধকর জয় ◈ মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ১৮৪২, বাতিল ৭২৩ ◈ দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত পরিবর্তনে কূটনৈতিক উদ্যোগে মার খাচ্ছে ভারত ◈ গুমের পেছনে মূলত ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্য, চূড়ান্ত প্রতিবেদনে কমিশন ◈ দিল্লিতে বসে থাকা ‘বোন’ শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠান: মোদিকে আসাদুদ্দিন ওয়াইসি ◈ ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলা, এবার ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল উত্তর কোরিয়া ◈ নির্বাচন সামনে রেখে দেশজুড়ে যৌথবাহিনীর অভিযান শুরু

প্রকাশিত : ১৪ মার্চ, ২০১৯, ০৫:০৪ সকাল
আপডেট : ১৪ মার্চ, ২০১৯, ০৫:০৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মানুষ থেকে বানর হওয়া প্রাণীদের কী অবশিষ্ট আছে?

সাইদুর রহমান : অনেকের ধারণা, বর্তমানের বানর নাকি বনি ইসরাইলের কিছু মানুষ বানরে রুপান্তরিত হওয়ার পর অবশিষ্টাংশ। আজাব স্বরুপ বনি ইসরায়েলের একটি সম্প্রদায়কে শুকর ও বানরে পরিণত করা হয়েছিল। এ বিষয়ে হাদীসে এসেছে, সাপ হলো জ্বীনের বিকৃত আকৃতি। যেমন বনি ইসরাইল থেকে বানর ও শুকর পরিবর্তিত হয়েছিল। (তাবরানী,সি: সিহাহ, হাদীস নং ১৮২৪)

উক্ত হাদীসের অর্থ এই নয় যে, বর্তমান সকল সাপ জ্বীনের বিকৃত রুপ। এর অর্থ হলো, জ্বীন জাতির ভিতরে আকৃতি-বিকৃতির ঘটনা ঘটেছে। আর সে আকৃতি ছিল সাপের। যেমন বানি ইসরাইলের মধ্যে ঘটেছিল, এবং তাদেরকে বানর ও শুকরে পরিণত করা হয়েছিল।

তবে সেই বিকৃত জ্বীন ও বনি ইসরাইলের কোনো বংশধর বেঁচে নেই। কেননা হাদীসে এসেছে, নিশ্চয় আল্লাহ বিকৃত প্রাণীর কোনো বংশধর বা উত্তরসূির করেননি। তার পূর্বেও বানর ও শুকর বর্তমান ছিল। (আহমদ, মুসলিম, হাদীস নং ৬৯৪১)

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়