শিরোনাম
◈ তারেক রহমানের সঙ্গে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের বৈঠক, গুরুত্ব পেল রোহিঙ্গা ও জলবায়ু ইস্যু ◈ প্রতিরোধকে গুরুত্ব দিয়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা পুনর্বিন্যাস করছে বাংলাদেশ: ডা. জুবাইদা ◈ বন্ধের পথে ৪ এনবিএফআই, আমানতকারীদের সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা ফেরতের সিদ্ধান্ত ◈ টেকসই এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিতে আরও সময় চায় বাংলাদেশ ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে বোয়িং চুক্তি, মার্কিন অর্থনীতিতে বড় সাফল্য বললেন ট্রাম্প ◈ জাতিসংঘে তারেক–শাহবাজ বৈঠক: সম্পর্ক জোরদারে জোর ◈ দেশে আরও ৪ ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন, বাড়ছে অ্যাপনির্ভর ব্যাংকিং সেবা ◈ কারা এই হুতি বিদ্রোহীরা, কী তাদের লক্ষ্য? ◈ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি মোকাবিলায় বৈশ্বিক নিঃসরণ কমানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ বিশ্বের বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য জোটে যুক্ত হওয়ার পথে বাংলাদেশ, গঠিত হচ্ছে বিশেষ ওয়ার্কিং গ্রুপ

প্রকাশিত : ১০ মার্চ, ২০১৯, ১১:২১ দুপুর
আপডেট : ১০ মার্চ, ২০১৯, ১১:২১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সিলেটের পতিত জমিতে এবার আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে

সাত্তার আজাদ, সিলেট: সিলেটে পতিত জমিতে ও নদীর চরে চাষ করে আলুর বাম্পার উৎপাদন হয়েছে। মৌসুমের শুরু থেকে ফলন তোলা পর্যন্ত বৃষ্টি না হওয়াতে পচন ধরেনি আলুতে। ফলে এবার আশানুরূপ বাম্পার ফলন হয়েছে বলে দাবি চাষীদের।

সিলেট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয়ের হিশেবে এবার সিলেটের চার জেলায় আলুর ফলন ভালো হয়েছে। সিলেটের মানুষ এক সময় আলু চাষে বিমুখ ছিল। আলুতে লাল উই পোকার আক্রমণে ফসল হানী ঘটত। ফলে টাকা খরচ করে চাষাবাসের পর ফলন ঘরে তোলা যেত না। তাই স্থানীয় চাষীরা আলু চাষ থেকে সরে পড়ে। এবার আধুনিক প্রযুক্তর ব্যবহারে চাষাবাসে কৃষকদের উৎসাহিত করে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কর্মকর্তারা। আর তাতেই আলুতে দ্বিগুণ ফলন ঘরে তুলেন চাষীরা।

সিলেট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয়ের দেয়া তথ্যে সিলেটের চার জেলার মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুমানগঞ্জে ও সিলেটে আলুর চাষাবাস হয়েছে। বিভাগের মোট সাত হাজার ২৩১ হেক্টর জমিতে আলু উৎপাদন করা হয়। সবচেয়ে বেশি আলু চাষ হয়েছে হবিগঞ্জ জেলায়। দ্বিতীয় অবস্থানে মৌলভীবাজার। সিলেটে এবার ৯৮৬ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়। এতে ফলন তোলা হয় দুই হাজার ৬২৫ মেট্রিক টন। মৌলভীবাজারের দুই হাজার ১২৬ হেক্টর জমি থেকে ফলন পাওয়া গেছে ৩২ হাজার ১৩২ মেট্রিক টন। হবিগঞ্জ জেলায় দুই হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ করে ফলন হয়েছে ৩৮ হাজার ৪৪০ মেট্রিক টন। আর সুনামগঞ্জের এক হাজার ৬১৯ হেক্টর জমিতে আলু চাষাবাস করে উৎপাদন হয়েছে ১৮ হাজার ১৭৯ মেট্রিক টন।

সিলেট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ পরিচালক মো. ইলিয়াস বলেন, সিলেটের মানুষ আলু চাষে নিরুৎসাহিত হয়ে পড়ে। আলুতে পোকার আক্রমণ ও লাল উই পোকা আলু খেয়ে ফেলত। গত দুই বছর ধরে আমারা আলু চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করে আসছি। তাই এবার সিলেটে আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। তাছাড়া মৌসুমে বৃষ্টি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়নি। ফলে আলুতে পচন ধরার সুযোগ বা গাছ মরে পচে যায়নি। এতে ফলন প্রায় দ্বিগুন হয়েছে সিলেটে।

  • সর্বশেষ