প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

অবশেষে অনুমোদন পেলো আরও ৩টি ব্যাংক

আবু বকর : অবশেষে অনুমোদন পেলো আরও ৩টি ব্যাংক। এ নিয়ে বাংলাদেশে ব্যাংকের সংখ্যা ৬২তে উন্নীত হতে যাচ্ছে। এগুলো হচ্ছে বেঙ্গল ব্যাংক, পিপলস ব্যাংক ও সিটিজেন ব্যাংক।

রোববার রাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরের সভাপতিত্বে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই তিনটি ব্যাংকটির কার্যক্রম শুরুর চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম জানান, বোর্ডসভায় সর্বসম্মতিক্রমে তিনটি ব্যাংক অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে তাদের পেইড আপ ক্যাপিটাল (পরিশোধিত মূলধন) ৫০০ কোটি টাকা হতে হবে। এটিসহ প্রয়োজনীয় আরও শর্ত পূরণের পর তাদের লাইসেন্স দেওয়া হবে।

বিকেল সাড়ে ৪টায় বোর্ড সভার নির্ধারিত সময় থাকলেও অর্থ সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান বিলম্ব করার কারণে সন্ধার পর সভা শুরু হয়। রাত ৯টার পরেও সভা অব্যাহত থাকে।

গত বছর ২৯ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্ষদ সভায় দেশের তফসিলভুক্ত ৫৯তম ব্যাংক হিসেবে পুলিশের ‘কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডকে’ চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। বিবেচনায় থাকা বাকি তিনটি বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক, পিপলস ব্যাংক ও সিটিজেন ব্যাংকের অনুমোদন ‘এই মুহূর্তে’ দেওয়া সম্ভব নয় বলে ঐদিনের পর্ষদ সভায় জানিয়ে দেওয়া হয়। সেই থেকে এসব ব্যাংকের উদ্যোক্তারা অনুমোদন পেতে নানামুখি তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছিলো। এর আগে একই বছরের মাঝামাঝি সময়ে তফসিলভুক্ত ব্যাংক হিসেবে বাণিজ্যিক কার্যক্রমের লাইসেন্স পেয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক। সব মিলিয়ে ২০০৯ থেকে এখন পর্যন্ত ১৫টি ব্যাংকের অনুমোদন দেয়া ৫ হলো। ১৭ ফেব্রুয়ারির পর্ষদ সভায় নতুন তিন বেসরকারি ব্যাংক অনুমোদন দেয়ায় দেশে তফসিলভুক্ত ব্যাংকের সংখ্যা দাঁড়ালো ৬২ তে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এবং মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, ২৯ অক্টোবর বোর্ড সভায় কমিউনিটি ব্যাংককে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। সে সময় বাকি তিনটি ব্যাংকের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়নি। কারণ বেঙ্গল ব্যাংকের আবেদনে যে পরিচালকদের নাম প্রস্তাব করা হয়েছিলো, তাদের মধ্যে তিনজনের বিরুদ্ধে করসংক্রান্ত মামলা থাকায় অনুমোদন দেওয়া হয়নি। ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যাংকের কোনো পরিচালক আদালতের রায়ে সাজাপ্রাপ্ত হলে তিনি আর ওই ব্যাংকের পরিচালক থাকতে পারবেন না। যেহেতু আবেদন করা বেঙ্গল ব্যাংকের তিন উদ্যোক্তা পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলা আছে সেহেতু তাদেরকে পরিচালক রাখলে কোনো অবস্থাতেই ব্যাংকটির অনুমোদন দেওয়া সম্ভব ছিলোনা।

পিপলস ব্যাংকটির আবেদনে প্রস্তাবিত চেয়ারম্যান যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা এম এ কাশেম। এই ব্যাংকটির অনুমোদন না দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, বোর্ড সভায় এম এ কাশেমের যুক্তরাষ্ট্রের যাবতীয় সম্পদের হিসাব চাওয়া হয়। আবেদনে কাশেম সম্পদের যে হিসাব দেন তা যথাযথ নয় বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করেছিলো। আর সিটিজেন ব্যাংক যে আবেদন করে তাতে সে সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় অনুমোদন দেওয়া হয়নি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত