শিরোনাম
◈ ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছ থেকে ১২০০ কোটি টাকা ঘুষের অভিযোগ, ‘ইকোনমিক হিটম্যান’ তকমা নিয়ে যা বললেন আশিক চৌধুরী ◈ অ্যাপস ভিত্তিক রাইড পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ গ্রাহকের তথ্য চুরির দাবি, মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ডলার ◈ শক্তিশালী হচ্ছে এল নিনো, ডিসেম্বরে চূড়ায় উঠতে পারে; প্রভাব থাকতে পারে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ◈ ‘বাবা, তারা আমাকে আটকে রেখেছে উদ্ধার করো, না হলে ওরা মেরে ফেলবে’—শেষ ফোনের কয়েক ঘণ্টা পর স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার ◈ বিশ্বের সেরা দুই শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাকৃবির ১৬ গবেষক ◈ ১০ অক্টোবরের বিক্ষোভের আগে ভারতজুড়ে কর্মী-সমর্থকদের আটক করা হচ্ছে, ‘আরও মানুষ রাজপথে নামবে’: অভিজিৎ দীপকে ◈ বাংলাদেশে ফ্রি ট্রেড জোন ও রেলভিত্তিক আইসিডিতে ডিপি ওয়ার্ল্ডকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ◈ বাংলাদেশে স্টারলিংকের মোবাইল সেবা চালু নিয়ে উচ্ছ্বাস ইলন মাস্কের, ক্ষোভ ঝারলেন ভারতের ওপর ◈ রূপপুরের প্রথম ইউনিটে ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটির অনুমোদন, গ্রিডে বিদ্যুৎ আসতে আরও দুই ধাপ ◈ ফ্রান্সে উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি ভাষা ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের আহ্বান বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের

প্রকাশিত : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৩:৪৮ রাত
আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৩:৪৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এতো ঘৃণা নিয়ে মানুষ কী করে বেঁচে থাকে?

রিয়াজ

একটি বিশেষ দলের হেটলিস্ট তথা ‘ঘৃণার তালিকা’ দিন দিন বড় হচ্ছে। এই হেটলিস্টে এখন বিখ্যাত হলিউড তারকা অ্যাঞ্জেলিনা জোলিও স্থান করে নিলেন। বাংলাদেশের তারকারা তো আগেই ছিলো, এখন হলিউড তারকারাও তাদের ‘শত্রু’তে পরিণত হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎকারের পরে কিংবদন্তিতুল্য এই অভিনেত্রীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে আবারো নোংরামি শুরু হয়েছে। তারা বোধহয় আর কাউকে পাচ্ছে না যাদের তারা ভালোবাসতে পারবে। আমেরিকা, রাশিয়া, চায়না, ভারতসহ আন্তর্জাতিকম-লী সবাই তো তাদের থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নিয়েছে। ফিল্ম তারকা থেকে শুরু করে ক্রিকেটার, লেখক, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, আলেম, ইসলামী চিন্তাবিদরাও তাদের পাশে নেই। জনমানুষও মোটামুটি বলতে গেলে এই বিশেষ দলের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। যারাই তাদের সাথে দ্বিমত পোষণ করছে, তাদের ভাগ্যেই জুটছে ঘৃণা আর অপবাদ। সামাজিক গণমাধ্যমে তাদের হতে হচ্ছে অপমান এবং হেনস্তার শিকার।
তবে আমার চিন্তার বিষয়টি হলো, এই হেটলিস্ট কিংবা ঘৃণা তালিকা যদি দিন দিন বড় হতে থাকে, তবে একদিন তো ঘৃণা ছাড়া তাদের কাছে আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। তখন এরা কী নিয়ে বাঁচবে? এতো ঘৃণা নিয়ে মানুষ কী করে বেঁচে থাকে? একজন মানুষের সাথে মতের অমিল হলেই কী তাকে ঘৃণা করতে হবে? খধি ড়ভ ঁহরাবৎংব বলে ‘ওভ ুড়ঁ যধঃব ংড়সবড়হব, ংড়সবড়হব রিষষ যধঃব ুড়ঁ নধপশ. অহফ রভ ুড়ঁ যধঃব বাবৎুড়হব, বাবৎুড়হব রিষষ যধঃব ুড়ঁ.’
মানব জীবন অনেক ছোট। এক জীবনে ভালোবাসার জন্যই যেখানে সময় যথেষ্ট সময় পাওয়া যায় না, সেখানে ঘৃণা, বিদ্বেষ, হিংসা-হানাহানির সময় কোথায়? আর এই অবিরাম ঘৃণার শেষই বা কোথায়? আপনারা কী কখনো ভেবে দেখেছেন আপনাদের নিজেদের ভুলত্রুটিগুলো কোথায়? একবার কী ভেবে দেখেছেন যে চিত্রজগতের তারকা, গায়ক, ক্রিকেটার, লেখক, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, আলেম, ইসলামী চিন্তাবিদ, কেউই আজ কেন আপনাদের পাশে নেই? কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে আজ সবাই আছেন। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক থেকে শুরু করে হলিউড তারকারা যখন শেখ হাসিনার পাশে দাঁড়ান, তার নিশ্চয়ই কোনো কারণ আছে এবং সেই কারণ হচ্ছে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশপ্রেম, মানবতাবোধ এবং দেশকে দারিদ্র্যমুক্ত, ক্ষুধামুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত করার জন্য উনার অক্লান্ত পরিশ্রম। তিনি দেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন এক নতুন আলোর পথে, যা বিশ্বের সবার চোখে পড়ছে। শুধু কী আপনাদেরই চোখে পড়ছে না? ঘৃণা কী আপনাদের চোখকে এতোটাই অন্ধ করে দিয়েছে? ঘৃণাকে একটু দূরে সরিয়ে আসুন আমরা সত্যকে একবার দেখার চেষ্টা করি। চলুন না বিনাকারণের ঘৃণা-বিদ্বেষ ত্যাগ করে ভালোবাসার এক বাংলাদেশ গড়ে তুলি। আমরা সবাই এদেশের নাগরিক। দেশকে তো আমাদের সবাইকে মিলেই গড়তে হবে। ঘৃণা আমাদের কিছুই দেবে না, ঘৃণা কিছুই দেয় না। ঘৃণা শুধু জানে ধ্বংস করতে। আর শুধুমাত্র ভালোবাসা আর দেশপ্রেমই গড়তে পারবে এক সোনার বাংলা, যার স্বপ্ন দেখেছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং যার বাস্তবায়ন করছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। যার সুফল ভোগ করছে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ