প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নদী নিয়ে মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করতে ‘পানি জাদুঘর’

হ্যাপি আক্তার : জাদুঘর নাম শুনলেই মনে হবে এখানে পাওয়া যাবে দুর্লব বাহারি কিছু। কিন্তু হারিয়ে যেতে পারে শুধু এমন সচেতনতাকে সামনে রেখে দেশের দক্ষিণ অঞ্চলে গড়ে উঠেছে ‘পানি জাদুঘর’। যা বিশ্বে ৮ম আর দক্ষিণ এশিয়ায় ১ম। দেশের নদ-নদীগুলো পানি ও নদী সংরক্ষণ এবং পানির সাথে ব্যবহৃত বস্তু বা উপাদানও আছে এই পানি জাদুঘরে। উদ্যোক্তা রা জানালেন মানুষের মাঝে সচেতনতা বাড়াতেই এমন উদ্যোগ। যমুনা টেলিভিশন।

বাংলাদেশের মানুষের নদীকেন্দ্রিক জীবন-জীবিকা ও সংস্কৃতি তুলে ধরতেই ২০১৪ সালে একশনএইড এর উদ্যোগে টুয়াখালী জেলার কলাপড়া উপজেলার পাখিমারা বাজারের পাশে স্থাপিত ‘পানি জাদুঘর’টি। বাংলাদেশের ছোট বড় প্রায় ৭০০টি নদীর ইতিহাস, বিভিন্ন নদীর পানি ও ছবি, বাঁধ, পরিবেশ দ‚ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পরিবেশের কারণে বিরূপ প্রতিক্রিয়াসহ বিভিন্ন তথ্য রয়েছে এই ‘পানি জাদুঘরে’। বাংলাদেশে বিদ্যমান নদীগুলোর মধ্যে ৫৭টি আন্তর্জাতিক নদী। যার উৎস নেপাল, ভারত ও মিয়ানমার। ৫৪টি নদী ভারতের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে এসেছে। বাকি ৩টি নদী এসেছে মিয়ানমারের ওপর দিয়ে।

দর্শনার্থীরা বলছেন, ৫৭টি নদীর পানি সংগ্রহ করা হয়েছে এখানে। এমন কি পশ্চিমা নদী থেকেও পানি নিয়ে এসেছেন, এই বিষয়গুলো অনেক ভালো লেগেছে।

বিশ্বের ৮ম ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম জাদুঘরটিতে রয়েছে গ্রাম বাংলায় মাছ ধরার বিভিন্ন উপকরণ। নদী নিয়ে গান ও পল্লিশিল্প। স্থান পেয়েছে, হাঁড়ি-পাতিল, মাটির তৈরি বিভিন্ন জিনিসপত্র। তার সাথে বাংলাদেশর সাথে ৫৭টি অভিন্ন নদীর ইতিহাস রয়েছে এখানে।

উদ্যোক্তারা জানালেন, পানি নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতেই এমন উদ্যোগ।  মঙ্গলবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ১০ থেকে সন্ধা ৭টা পর্যন্ত খোলা থাকে এই ‘পানি জাদুঘর’। জাতিসংঘ কর্তৃক ১৯৬৬ সালের ‘হেলসিংকি জলস্রোত সম্মেলনের ঘোষণা অনুযায়ী, জলস্রোত যথাযথভাবে সংরক্ষণ, সকল প্রকার ক্ষতি থেকে সুরক্ষা, পরিবেশ পদ্ধতিগত বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করার বিধান আছে। অভিন্ন নদীতে কোনো স্থাপনা তৈরি করার আগে সংশ্লিষ্ট সকল দেশ, জাতি, সমাজ ও পক্ষের সঙ্গে পরিকল্পনা ও তার বাস্তবায়ন কৌশল নির্ধারণ করার কথা বলা আছে। সম্পাদনা : রাজু

সর্বাধিক পঠিত