শিরোনাম
◈ আজও গাজীপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টা ◈ আগামী এক বছরে সৌরবিদ্যুতের আওতায় আসবে ১৭ হাজার সেচ পাম্প: প্রধানমন্ত্রীর (ভিডিও) ◈ পাকিস্তানে এমবিবিএস-বিডিএস পড়ার সুযোগ পাচ্ছেন বাংলাদেশিরা, আবেদন ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত ◈ ভোক্তার স্বার্থ উপেক্ষা করে ব্যবসায়ীদের চাপের কাছে নতি স্বীকার এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের ◈ ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস উষ্ণতা ছাড়ালেই বরফে স্থায়ী বিপর্যয়ের আশঙ্কা, বিজ্ঞানীদের সতর্কবার্তা! ◈ মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের শারীরিক শাস্তি নিষিদ্ধ করল বেফাক, অমান্যে স্বীকৃতি বাতিল হতে পারে ◈ গোলরক্ষকের হাঁটুর আঘাতে জ্ঞান হারালেন স্ট্রাইকার, পরিত্যক্ত ম্যাচ ◈ উৎসবের আনন্দ রূপ নিল আতঙ্কে: যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে হ্যালোইন উৎসবে বন্দুক হামলা, নিহত ২৪ আহত ৯৪ ◈ বিশ্বকা‌পে বাংলাদেশের ম্যাচ দেখতে ৯ লাখ আবেদন ◈ জামিনে কারামুক্ত জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান

প্রকাশিত : ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৪:৫৩ সকাল
আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৪:৫৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মানসিক দ্বন্দ্ব নিয়ে প্রগতিশীল হওয়া যায় না

আনোয়ার কবির : স্কুল কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে যে একবার সক্রিয়ভাবে ছাত্র শিবির বা ছাত্রদল করেছে, সে মোহ পুরোপুরি ত্যাগ করতে না পারলে পরবর্তী জীবনে লেখালেখি, শিল্প-সাহিত্য, চিত্রকলা, সঙ্গীতজীবন বা প্রগতিশীল হিসেবে নিজেকে তৈরি করতে চাইলে তার জন্য এক কঠিন স্ববিরোধী বাস্তবতায় মানসিক বৈকল্য তৈরি হয়। না পারে নিজেকে বাঙালি সংস্কৃতি কৃষ্টির সাথে একাত্ম করতে না পারে বাস্তবতা মেনে নিতে। মোহের কারণে না পারে বঙ্গবন্ধুকে ধারণ করতে, না পারে বাঙালি সংস্কৃতি, রাজনীতি ইতিহাস ধ্বংসের অপচেষ্টার জন্য সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের কঠিন খলনায়ক চরিত্র মেনে নিতে। না পারে রবীন্দ্রনাথ, জীবনান্দকে ধারণ করতে, না পারে শামসুর রাহমান, সৈয়দ হক, নির্মলেন্দু গুণ, আবুল হাসান, রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহকে আত্মস্থ করতে। কারণ শিক্ষা জীবনের সে মোহ ও ঘোর বারবারে তাকে পিছু টানে। না পারে যুদ্ধাপরাধী-সাম্প্রদায়িকদের গ্রহণ করতে, না পারে পুরনো প্রেমের দলের যুদ্ধাপরাধী প্রেমকে অস্বীকার করতে। না পারে শক্তভাবে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে, না পারে সাম্প্রদায়িকতার পক্ষে লেখা, চিত্র আঁকা বা সে চেতনাকে প্রকাশ করতে। নিজের জীবনের এক সময়ের সে প্রেম মোহ একধরনের নিষিদ্ধ বস্তুতে পরিণত হয়। নিজের সাথে নিজের দ্বন্দ্বে মানসিক অস্থিরতায় ভোগে। একধরনের মানসিক ট্রমায় আক্রান্ত হয়। খুব কাছ থেকে এক সময়ের শিক্ষা জীবনে সাবেক ছাত্রদল বা শিবির করা, পরবর্তী সময়ে প্রগতিশীল হতে চেষ্টারত অনেক বন্ধু জানাশোনাদের ফেসবুক স্ট্যাটাস বা শিল্প সাহিত্য চর্চার অবস্থা দেখে তাই মনে হয়। তাদেরকে কখনো বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, রবীন্দ্রনাথ, জীবনানন্দ, বাঙালি সংস্কৃতি, জিয়াউর রহমানের সামরিক শাসন, বিএনপির যুদ্ধাপরাধীদের দালালী, জিয়া ও বিএনপির বাঙালি সংস্কৃতি ধ্বংসের অপচেষ্টা নিয়ে এক শব্দ বা এক লাইনও লিখতে দেখি না। এভাবে মানসিক দ্বন্দ্ব নিয়ে প্রগতিশীল হওয়া যায় না-রে পাগলা। নানাভাবে ল্যাঞ্জা বেরিয়ে যায়! ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ