শিরোনাম
◈ কথা দিচ্ছি, আর্জেন্টিনায় বিশ্বকাপ ফিরিয়ে আনতে সবটুকু উজাড় করে দেবো: নি‌কোলাস পাজ ◈ দুইবা‌রের সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়ে বাছাইপর্ব খেলা অপ্রত্যাশিত, বল‌লেন আ‌মির জাঙ্গু ◈ মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: আজও দুঃসহ স্মৃতি বয়ে বেড়াচ্ছেন সহপাঠী-শিক্ষকরা ◈ মূলধন সংকটে বন্ধের মুখে সংযুক্ত আরব আমিরাতে জনতা ব্যাংকের চার শাখা ◈ চীনে জ্বালানির দাম ১২% বৃদ্ধি, বাংলাদেশসহ বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বাড়ছে চাপ ◈ সরবরাহ স্বাভাবিক, তবু বাড়ছে ডলারের দর—তদন্তে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ◈ আমদানি-রফতানি কমেছে, বেড়েছে বাণিজ্য ঘাটতি; স্বস্তি দিচ্ছে রেকর্ড রেমিট্যান্স ◈ স্থানীয় নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে না: মির্জা ফখরুল ◈ পাঠ্যবইয়ে আসছে বড় পরিবর্তন, দুই শ্রেণিতে নতুন চার বই ◈ মিত্রদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি: বাস্তবায়ন হবে ৩১ দফা ও জুলাই সনদ

প্রকাশিত : ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৪:৫৩ সকাল
আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৪:৫৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মানসিক দ্বন্দ্ব নিয়ে প্রগতিশীল হওয়া যায় না

আনোয়ার কবির : স্কুল কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে যে একবার সক্রিয়ভাবে ছাত্র শিবির বা ছাত্রদল করেছে, সে মোহ পুরোপুরি ত্যাগ করতে না পারলে পরবর্তী জীবনে লেখালেখি, শিল্প-সাহিত্য, চিত্রকলা, সঙ্গীতজীবন বা প্রগতিশীল হিসেবে নিজেকে তৈরি করতে চাইলে তার জন্য এক কঠিন স্ববিরোধী বাস্তবতায় মানসিক বৈকল্য তৈরি হয়। না পারে নিজেকে বাঙালি সংস্কৃতি কৃষ্টির সাথে একাত্ম করতে না পারে বাস্তবতা মেনে নিতে। মোহের কারণে না পারে বঙ্গবন্ধুকে ধারণ করতে, না পারে বাঙালি সংস্কৃতি, রাজনীতি ইতিহাস ধ্বংসের অপচেষ্টার জন্য সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের কঠিন খলনায়ক চরিত্র মেনে নিতে। না পারে রবীন্দ্রনাথ, জীবনান্দকে ধারণ করতে, না পারে শামসুর রাহমান, সৈয়দ হক, নির্মলেন্দু গুণ, আবুল হাসান, রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহকে আত্মস্থ করতে। কারণ শিক্ষা জীবনের সে মোহ ও ঘোর বারবারে তাকে পিছু টানে। না পারে যুদ্ধাপরাধী-সাম্প্রদায়িকদের গ্রহণ করতে, না পারে পুরনো প্রেমের দলের যুদ্ধাপরাধী প্রেমকে অস্বীকার করতে। না পারে শক্তভাবে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে, না পারে সাম্প্রদায়িকতার পক্ষে লেখা, চিত্র আঁকা বা সে চেতনাকে প্রকাশ করতে। নিজের জীবনের এক সময়ের সে প্রেম মোহ একধরনের নিষিদ্ধ বস্তুতে পরিণত হয়। নিজের সাথে নিজের দ্বন্দ্বে মানসিক অস্থিরতায় ভোগে। একধরনের মানসিক ট্রমায় আক্রান্ত হয়। খুব কাছ থেকে এক সময়ের শিক্ষা জীবনে সাবেক ছাত্রদল বা শিবির করা, পরবর্তী সময়ে প্রগতিশীল হতে চেষ্টারত অনেক বন্ধু জানাশোনাদের ফেসবুক স্ট্যাটাস বা শিল্প সাহিত্য চর্চার অবস্থা দেখে তাই মনে হয়। তাদেরকে কখনো বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, রবীন্দ্রনাথ, জীবনানন্দ, বাঙালি সংস্কৃতি, জিয়াউর রহমানের সামরিক শাসন, বিএনপির যুদ্ধাপরাধীদের দালালী, জিয়া ও বিএনপির বাঙালি সংস্কৃতি ধ্বংসের অপচেষ্টা নিয়ে এক শব্দ বা এক লাইনও লিখতে দেখি না। এভাবে মানসিক দ্বন্দ্ব নিয়ে প্রগতিশীল হওয়া যায় না-রে পাগলা। নানাভাবে ল্যাঞ্জা বেরিয়ে যায়! ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়