শিরোনাম
◈ তারেক রহমানের সঙ্গে ছাত্রদলের শীর্ষ পাঁচ নেতার বিদায়ী সাক্ষাৎ, আসছে নতুন কমিটি ◈ রাষ্ট্রপতি হলে কি রাজনৈতিকভাবে নিষ্ক্রিয় হয়ে যেতে হয়? ◈ বাংলাদেশে নিজেদের গোপন নেটওয়ার্ক গঠনের চেষ্টা করছে আল-কায়েদা: জাতিসংঘের সতর্কর্তা ◈ বন্ধ হলো সামিটের এলএনজি সরবরাহ, গ্যাস সংকট আরও তীব্র হওয়ার শঙ্কা ◈ র‍্যাবের টিএফআই সেলে পৈশাচিক নির্যাতন: ট্রাইব্যুনালে চিকিৎসকের চাঞ্চল্যকর জবানবন্দি ◈ সবার মতামত নিয়েই সংবিধান সংশোধন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা হবে: চিফ হুইপ ◈ লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল হবে আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব: নৌপরিবহন মন্ত্রী ◈ সিসিটিভিতে মারধরের দৃশ্য, ছাত্রদল নেতার ঘটনায় ইউএনও বদলি ◈ ৭ জেলায় সকাল ৯টার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস ◈ ২৬ আগস্ট সরকারি ছুটি থাকছে

প্রকাশিত : ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৪:৫৩ সকাল
আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৪:৫৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মানসিক দ্বন্দ্ব নিয়ে প্রগতিশীল হওয়া যায় না

আনোয়ার কবির : স্কুল কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে যে একবার সক্রিয়ভাবে ছাত্র শিবির বা ছাত্রদল করেছে, সে মোহ পুরোপুরি ত্যাগ করতে না পারলে পরবর্তী জীবনে লেখালেখি, শিল্প-সাহিত্য, চিত্রকলা, সঙ্গীতজীবন বা প্রগতিশীল হিসেবে নিজেকে তৈরি করতে চাইলে তার জন্য এক কঠিন স্ববিরোধী বাস্তবতায় মানসিক বৈকল্য তৈরি হয়। না পারে নিজেকে বাঙালি সংস্কৃতি কৃষ্টির সাথে একাত্ম করতে না পারে বাস্তবতা মেনে নিতে। মোহের কারণে না পারে বঙ্গবন্ধুকে ধারণ করতে, না পারে বাঙালি সংস্কৃতি, রাজনীতি ইতিহাস ধ্বংসের অপচেষ্টার জন্য সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের কঠিন খলনায়ক চরিত্র মেনে নিতে। না পারে রবীন্দ্রনাথ, জীবনান্দকে ধারণ করতে, না পারে শামসুর রাহমান, সৈয়দ হক, নির্মলেন্দু গুণ, আবুল হাসান, রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহকে আত্মস্থ করতে। কারণ শিক্ষা জীবনের সে মোহ ও ঘোর বারবারে তাকে পিছু টানে। না পারে যুদ্ধাপরাধী-সাম্প্রদায়িকদের গ্রহণ করতে, না পারে পুরনো প্রেমের দলের যুদ্ধাপরাধী প্রেমকে অস্বীকার করতে। না পারে শক্তভাবে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে, না পারে সাম্প্রদায়িকতার পক্ষে লেখা, চিত্র আঁকা বা সে চেতনাকে প্রকাশ করতে। নিজের জীবনের এক সময়ের সে প্রেম মোহ একধরনের নিষিদ্ধ বস্তুতে পরিণত হয়। নিজের সাথে নিজের দ্বন্দ্বে মানসিক অস্থিরতায় ভোগে। একধরনের মানসিক ট্রমায় আক্রান্ত হয়। খুব কাছ থেকে এক সময়ের শিক্ষা জীবনে সাবেক ছাত্রদল বা শিবির করা, পরবর্তী সময়ে প্রগতিশীল হতে চেষ্টারত অনেক বন্ধু জানাশোনাদের ফেসবুক স্ট্যাটাস বা শিল্প সাহিত্য চর্চার অবস্থা দেখে তাই মনে হয়। তাদেরকে কখনো বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, রবীন্দ্রনাথ, জীবনানন্দ, বাঙালি সংস্কৃতি, জিয়াউর রহমানের সামরিক শাসন, বিএনপির যুদ্ধাপরাধীদের দালালী, জিয়া ও বিএনপির বাঙালি সংস্কৃতি ধ্বংসের অপচেষ্টা নিয়ে এক শব্দ বা এক লাইনও লিখতে দেখি না। এভাবে মানসিক দ্বন্দ্ব নিয়ে প্রগতিশীল হওয়া যায় না-রে পাগলা। নানাভাবে ল্যাঞ্জা বেরিয়ে যায়! ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়