শিরোনাম
◈ কোনো দেশের মুখাপেক্ষী নয়, সমমর্যাদার অংশীদার হতে চায় বাংলাদেশ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ◈ দিল্লিতে সিজেপি নেতাদের আটক, আগেই আন্দোলনের পরবর্তী নেতৃত্ব ঠিক করে রেখেছিলেন প্রতিষ্ঠাতা ◈ মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় যৌথ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের হিরা ◈ শেখ হাসিনার সঙ্গে মাঝেমধ্যে কথা হয়, তিনি দেশে ফিরতে চান: জি এম কাদের (ভিডিও) ◈ মানববর্জ্য ও কৃষিজ বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন, গবেষকদের পাশে থাকার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ◈ ‘ভোট চুরির প্রমাণ চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি, আমাদের কাছে তা আছে’: রাহুল গান্ধী ◈ খুলনার চার থানায় বিশেষ অভিযান, পুলিশ সদস্যদের একা চলাচলে নিষেধাজ্ঞা ◈ দিল্লিতে ধর্না থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক, কারণ জানাল পুলিশ ◈ ২০২৭ সালের হজ মিশন ভিসা পেতে ২৭০ এজেন্সিকে জরুরি নির্দেশ, তথ্য জমার শেষ সময় রোববার ◈ চুরির অপরাধে বাতিল হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি

প্রকাশিত : ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৬:৪১ সকাল
আপডেট : ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৬:৪১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দেশের ক্যান্সার চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে আমরা সন্তুষ্ট নই বললেন, অধ্যাপক গোলাম মহিউদ্দিন

মঈন মোশাররফ : বাংলাদেশ ক্যান্সার সমিতির প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক বলেছেন, দেশে ক্যান্সার রোগ সনাক্ত করার জন্য ভালো মানের ল্যাব আছে, কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। প্রথমে প্রয়োজন আমরা রোগ শনাক্ত করতে পারছি কী না? যা সনাক্ত করতে পারছি তা প্রয়োজনের তুলনায় কতটুকু। আমাদের ক্যান্সার চিকিৎসায় সার্জারি ব্যবস্থাপনা অনেক কম।

আমরা ১০ শতাংশ মানুষকে সার্জারি চিকিৎসা দিতে পারি। বড় একটি পদ্ধতি আছে রেডিও থেরাপি বা বিকিরণ রশ্মির মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া। আমাদের আছে ২৪ টি মেশিন যেখানে প্রয়োজন ১৭০ টি তাহলে কীভাবে চিকিৎসা করবো। আমি পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ বলবো না। বলবো আমরা মোটেও সন্তুষ্ট নই।

সোমবার বিবিসি বাংলাকে তিনি আরো বলেন, অনেক ক্যান্সারের রোগী বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছে। বাংলাদেশে এখন ক্যান্সারের সমস্যা চিহ্নিত হওয়ার মতোই সমস্যা। যে তথ্য উপাত্ত আমাদের কাছে আছে তাতে বাংলাদেশে ১৪ থেকে ১৬ লাখ ক্যান্সারের রোগী আছে।

প্রতি বছর তিন লাখ নতুন ক্যান্সারের রোগী পাই। আমরা যদি আমাদের জনসংখ্যার কথা চিন্তা করি সে অর্থে রোগীর সংখ্যা নিয়ে চিন্তা করার কথা না। কিন্তু একটা কথা বলার আছে আমরা যদি ১০০ জন ক্যান্সারের রোগী পাই তার মধ্যে ৪০ থেকে ৬০ বছরের রোগী বেশি পাই তারা কিন্তু একটি পরিবারের আয়ের উৎস । আমরা যদি ভয়াবহতাকে সংখ্যা দিয়ে বিবেচনা করি তাহলে প্রতিকার ও পতিরোধ হবে না।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে ২ থেকে ৩ লাখ মানুষ প্রতিবছর ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্তের পরিবার বিপর্যস্থ হয়ে পড়েছে। ক্যান্সার চিকিৎসার তিনটি পদ্ধতি আছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অপারেশনের মাধমে চিকিৎসা করার প্রয়োজন পড়ে। তার পর রেডিও থেরাপি বা বিকিরণ রশ্মির মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া। আরেকটা হচ্ছে ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া যেটাকে আমরা কেমোথেরাপি বলি ।

  • সর্বশেষ