প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মিয়ানমারের ওপর সমালোচকদের বিরুদ্ধে দমনমূলক আইন ব্যবহারের অভিযোগ

আব্দুর রাজ্জাক : শান্তিকামী সমালোচকদের বিরুদ্ধে মিয়ানমার সরকার দমনমূলক আইন ব্যবহার করছে। যদিও দেশটির স্টেট কাউন্সিলর অং সান সুচি গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হওয়ার পর বাক স্বাধীনতা রক্ষিত হবে বলে আশা করা হয়েছিলো। শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইআরডব্লিউ)। রয়টার্স

‘ড্যাশড হোপস: দ্য ক্রিমিনালাইজেশন অব পিসফুল এক্সপ্রেশন ইন মিয়ানমার’ শিরোনামে প্রতিবেদনটিতে দেশটির সরকারের নিপীড়নমূলক আচরণের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। সুচি ২০১৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে মিয়ানমার সমালোচকদের জন্য আরো ভয়ানক হয়ে উঠতে শুরু করে। বিশেষ করে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে
দেশটির বিচার ব্যবস্থা দমনমূলক আইন প্রয়োগ করছে বলে এইআরডব্লিউ জানায়।

সুচি ও তার দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি একটি নতুন মিয়ানমার গঠনের প্রতিশ্রুতি দিলেও তাদের হাতে ক্ষমতা যাওয়ার পর থেকেই বাধ স্বাধীনতা হ্রাস পেতে শুরু করে। এখনো তারা শান্তিকামী সমালোচক ও প্রতিবাদকারীদের ওপর দমনপীড়ন চালিয়ে যাচ্ছে। মুখে শান্তির কথা বললেও এখনো সমালোচকদের নির্যাতন-নিপীড়নে দেশটির পুরাতন আইনগুলো পরিবর্তনের কোন উদ্যোগই নেয়া হয়নি বলে এইচআরডব্লিউ অভিযোগ করে।

২০১৬ সাল থেকে এপর্যন্ত শুধু বাধ স্বাধীনতার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে ১৪০ টি এবং প্রতিটি মামলাই দায়ের করা হয়েছে দেশটির টেলিকমিউনিকেশন অ্যাক্টের অধিনে। যা সমালোচকদের দমনে মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন সামরিক সরকারের অন্যতম হাতিয়ার বলে অভিযোগ করেছেন সংস্থাটির এশিয়ার আইন বিষয়ক উপদেষ্টা লিন্দা লাখদির।

উল্লেখ্য, সুচি ক্ষমতায় থাকাবস্থায় দেশটির সেনাবাহিনীর গণহত্যার শিকার হয়েছে কয়েক হাজার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ও নিধনযজ্ঞের শিকার হয়ে দেশ ছেড়েছে আরো ৮ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত