শিরোনাম
◈ মালদ্বীপের সঙ্গে ড্র করে ফাইনালের স্বপ্ন শেষ বাংলাদেশের ◈ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত ◈ এবার লেবাননে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালানোর বার্তা ট্রাম্পের ◈ বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের বেড়া নির্মাণে মেঘালয়ের আপত্তি, গ্রামবাসীর প্রতিবাদ ◈ পুরোপুরি সুস্থ নন ইলিয়াস কাঞ্চন: কথা বলছেন, তবে জড়তা কাটেনি, স্বাস্থ্য নিয়ে নতুন তথ্য ◈ এমপিদের সরাসরি তহবিল বরাদ্দ বাতিল, প্রকল্প অনুমোদন দেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ◈ পুলিশের দ্রুততম তদন্ত, আদালতের ছুটি বাতিল এই দৃষ্টান্তমূলক রায় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে ◈ ঢাকাকে যানজটমুক্ত করতে ‘জিরো সিগন্যাল’ মহাপরিকল্পনা, ব্যয় আড়াই হাজার কোটি টাকা ◈ পরিচালক‌দের ‌ভো‌টে তা‌মিম ইকবাল বিসিবির সভাপতি  ◈ সংসদে প্রতিশ্রুতি দিলে স্ট্যাডি করেই দেবেন: জ্বালানিমন্ত্রীকে স্পিকার (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২৮ জানুয়ারী, ২০১৯, ০৫:১৮ সকাল
আপডেট : ২৮ জানুয়ারী, ২০১৯, ০৫:১৮ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পাইলটের ধূমপানের কারণেই ইউএস-বাংলা বিমান দুর্ঘটনা, জানালো তদন্ত কমিশন

ইমরান মিয়া : বিমানের ককপিটে পাইলটের ধূমপানের কারণেই ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমানটি দুর্ঘটনার শিকার হয় বলে দাবি করেছে নেপালের দুর্ঘটনা তদন্ত কমিশন। সোমবার (২৮ জানুয়ারি) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটির সংবাদে এই তথ্য জানা যায়। সূত্র: সারাবাংলা

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছরের মার্চ মাসে ইউএস-বাংলা বোম্বারডিয়ার ইউবিজি-২১১ বিমানটি নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে অবতরণের সময় দুর্ঘটনায় আক্রান্ত হয়। এতে মৃত্যু হয় পাইলটসহ ৫১ যাত্রীর। দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে, নিষেধ থাকা সত্ত্বেও বিমানের ককপিটে পাইলটের ধূমপান।

রিপোর্টে আরও বলা হয়, কমিশন সূত্র জানায় বিমানটির দায়িত্বে থাকা পাইলট ধূমপায়ী ছিলেন, সিভিআর বা ককপিট ভয়েস রেকর্ডার থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে। অভ্যন্তরীণ বা আন্তর্জাতিক যেকোনো রুটে ধূমপান নিয়ে ইউএস-বাংলা কোম্পানির বিধি নিষেধ থাকলেও তা মানা হয়নি। দায়িত্বরত কর্তৃপক্ষ হয়তো এ বিষয়ে জানতেন না।

তবে পাইলট তামাক ছাড়া অন্য কোন ‘নিষিদ্ধ’ দ্রব্য গ্রহণ করেননি বলেও নিশ্চিত করা হয়েছে।

কমিশন আরও জানায়, তাই দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে, পরিস্থিতি সম্পর্কে ‘পাইলট ও ক্রু’ সদস্যদের পর্যাপ্ত মনোযোগের অভাব।

উল্লেখ্য, গত ১২ মার্চ নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ড্যাশ-৮ কিউ 8০০ বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। বিমানটিতে ৪ জন ক্রু ও ৬৭ যাত্রীসহ ৭১ জন আরোহী ছিলেন। তাদের মধ্যে ৪ জন ক্রুসহ ২৭ জন বাংলাদেশি, ২৩ জন নেপালি ও একজন চীনা যাত্রী নিহত হন। আহত হন ৯ জন বাংলাদেশি, ১০ জন নেপালি ও ১ জন মালদ্বীপের নাগরিক।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়