শিরোনাম
◈ বিএনপি শপথ না নেওয়ায় সংবিধান সংস্কার পরিষদের এখন কী হবে ◈ পররাষ্ট্র মন্ত্রী হলেন ড. খলিলুর রহমান ◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ড. ইউনূসের শুভেচ্ছা বিনিময় ◈ বুধবার স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ কানাডাকে হা‌রি‌য়ে বিশ্বকা‌পের সুপার এইটে নিউজিল্যান্ড  ◈ ভারত-বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকায় জামায়াতের জয় পশ্চিমবঙ্গে কীভাবে দেখা হচ্ছে? ◈ অন্তর্বর্তী অধ্যায়ের অবসান, দেড় বছর পর নির্বাচিত সরকার পেল দেশ ◈ নতুন সরকারের পর ড. ইউনূসের গন্তব্য কোথায়—বঙ্গভবন নাকি প্যারিস? ◈ প্রথমবার এমপি হয়েই তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় স্থান পেলেন অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিদায়, সুপার এইটে জিম্বাবুয়ে

প্রকাশিত : ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১১:১৫ দুপুর
আপডেট : ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১১:১৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রতিটি শিশুই নিষ্পাপ, পরিবেশ তাদেরকে শেখায়…

আমিন মুনশি : মিথ্যা বলা শিশুরা শিখে তাদের মাতাপিতার কাছ থেকেই। কারণ, শিশুরা প্রকৃতিগতভাবেই নিরীহ এবং নিষ্কলুষ। তারা যে পরিবেশে থেকে বড় হয় সেই পরিবেশের শিক্ষাই তাদেরকে মিথ্যাবাদী বা সত্যবাদিতে পরিণত করে। গবেষণায় দেখা গেছে, শিশুদের প্রকৃতিতে অসৎ বা খারাপ মনোবৃত্তি নেই। পরিবার, স্কুল বা সমাজের কারণেই তার মাঝে অসৎ মনোবৃত্তি দানা বেঁধে ওঠে।

ইসলামের শিক্ষায় বলা হয়েছে, শিশুর অন্তর সকল প্রকার কলুষ থেকে মুক্ত। পৃথিবীর পরিবেশই তাকে খারাপ করে গড়ে তোলে। যেমন, হযরত মুহাম্মাদ (সা.) বলেন- ‘প্রতিটি শিশুই নিষ্পাপ অবস্থায় জন্মগ্রহণ করে।’

শিশু মিথ্যে বললে তাকে থামানো দরকার। যদি অভিভাবক হিসেবে আপনি জিনিসটি না করতে পারেন, তাহলে শিশু বারবার এটি করতে থাকবে। সে বুঝে যাবে, মিথ্যে বলেও পার পাওয়া যায়। তাই সে অন্যায়টি বারবার করবে। তাই মা বাবার উচিত শিশুদেরকে সত্য-মিথ্যার পার্থক্য বোঝানো।

শাস্তি পাওয়ার ভয়েও শিশু অনেক সময় মিথ্যা কথা বলে। যদি শিশু বুঝত যে, তাদের অপরাধ স্বীকার করলে কোন শাস্তি দেয়া হবে না, তাহলে তারা কখনো মিথ্যা কথা বলত না। অকপটে তাদের দোষ স্বীকার করত। কিন্তু কোন দোষ করার পরে পিতামাতার বা পরিবারের অন্য সদস্যদের মারধোর বা বকাঝকা খাওয়ার ভয়ে শিশু মিথ্যার আশ্রয় নেয়। এক্ষেত্রে মাতাপিতা এবং শিক্ষকরা যদি একটু সতর্ক হয়ে শিশুদের দোষারোপ না করে তাদের কৃতকর্মের অপকারিতার কথা হাসিমুখে আদর করে তাদের বুঝিয়ে বলেন তাহলে শিশুরা মিথ্যা কথা বলার কোন প্রয়োজনই বোধ করবে না।

হযরত আলী (রা.) বলেন, ‘তোমাদের শিশুদের প্রতি রাগান্বিত হয়ো না।’ একবার ইমাম মূসা কাযিম (আ.)-এর এক সহচর ইমামের কাছে এসে তার ছেলের বিরুদ্ধে নালিশ জানালে ইমাম বলেন- ‘তাকে প্রহার করো না। তবে কিছুকাল তার থেকে দূরে পৃথক হয়ে থাক।’

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়