শিরোনাম
◈ মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর ঢাকায়, কৌশলগত অংশীদারিত্বে জোর ◈ আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব ◈ খামেনি হত্যার পর ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেকশিয়ানের কার্যালয়ে ইসরাইলের হামলা ◈ লন্ডনে কমনওয়েলথ বৈঠক: বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক জোরদার করতে সাক্ষাতের সম্ভাবনা ◈ ইরানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৮৭: রেড ক্রিসেন্ট ◈ মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা বন্ধ থাকায় ভার‌তে আটকা পড়‌লো জিম্বাবুয়ে ও ও‌য়েস্ট ইন্ডিজ ‌ক্রিকেট দল ◈ দেশে কতদিনের জ্বালানি মজুত রয়েছে, জানালেন বিপিসি চেয়ারম্যান ◈ মব কালচার বন্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি, থানায় হাসিমুখে সেবা দেওয়ার নির্দেশ ◈ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন তিন সিটির নবনিযুক্ত প্রশাসক ◈ পুলিশ পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১১:১৫ দুপুর
আপডেট : ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১১:১৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রতিটি শিশুই নিষ্পাপ, পরিবেশ তাদেরকে শেখায়…

আমিন মুনশি : মিথ্যা বলা শিশুরা শিখে তাদের মাতাপিতার কাছ থেকেই। কারণ, শিশুরা প্রকৃতিগতভাবেই নিরীহ এবং নিষ্কলুষ। তারা যে পরিবেশে থেকে বড় হয় সেই পরিবেশের শিক্ষাই তাদেরকে মিথ্যাবাদী বা সত্যবাদিতে পরিণত করে। গবেষণায় দেখা গেছে, শিশুদের প্রকৃতিতে অসৎ বা খারাপ মনোবৃত্তি নেই। পরিবার, স্কুল বা সমাজের কারণেই তার মাঝে অসৎ মনোবৃত্তি দানা বেঁধে ওঠে।

ইসলামের শিক্ষায় বলা হয়েছে, শিশুর অন্তর সকল প্রকার কলুষ থেকে মুক্ত। পৃথিবীর পরিবেশই তাকে খারাপ করে গড়ে তোলে। যেমন, হযরত মুহাম্মাদ (সা.) বলেন- ‘প্রতিটি শিশুই নিষ্পাপ অবস্থায় জন্মগ্রহণ করে।’

শিশু মিথ্যে বললে তাকে থামানো দরকার। যদি অভিভাবক হিসেবে আপনি জিনিসটি না করতে পারেন, তাহলে শিশু বারবার এটি করতে থাকবে। সে বুঝে যাবে, মিথ্যে বলেও পার পাওয়া যায়। তাই সে অন্যায়টি বারবার করবে। তাই মা বাবার উচিত শিশুদেরকে সত্য-মিথ্যার পার্থক্য বোঝানো।

শাস্তি পাওয়ার ভয়েও শিশু অনেক সময় মিথ্যা কথা বলে। যদি শিশু বুঝত যে, তাদের অপরাধ স্বীকার করলে কোন শাস্তি দেয়া হবে না, তাহলে তারা কখনো মিথ্যা কথা বলত না। অকপটে তাদের দোষ স্বীকার করত। কিন্তু কোন দোষ করার পরে পিতামাতার বা পরিবারের অন্য সদস্যদের মারধোর বা বকাঝকা খাওয়ার ভয়ে শিশু মিথ্যার আশ্রয় নেয়। এক্ষেত্রে মাতাপিতা এবং শিক্ষকরা যদি একটু সতর্ক হয়ে শিশুদের দোষারোপ না করে তাদের কৃতকর্মের অপকারিতার কথা হাসিমুখে আদর করে তাদের বুঝিয়ে বলেন তাহলে শিশুরা মিথ্যা কথা বলার কোন প্রয়োজনই বোধ করবে না।

হযরত আলী (রা.) বলেন, ‘তোমাদের শিশুদের প্রতি রাগান্বিত হয়ো না।’ একবার ইমাম মূসা কাযিম (আ.)-এর এক সহচর ইমামের কাছে এসে তার ছেলের বিরুদ্ধে নালিশ জানালে ইমাম বলেন- ‘তাকে প্রহার করো না। তবে কিছুকাল তার থেকে দূরে পৃথক হয়ে থাক।’

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়