শিরোনাম
◈ ইয়াবা পাচারে বদলেছে রুট, বাড়ছে রেল-নৌ ও পাহাড়ি পথের ব্যবহার ◈ বিদেশিবিরোধী উত্তেজনায় আতঙ্কিত দক্ষিণ আফ্রিকার অভিবাসীরা ◈ আর্মব্যান্ড ছাড়াই হামজা নেতা: থমাস ডুলি ◈ তুচ্ছ ঘটনায় বারবার সংঘর্ষে ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ ◈ পাথর নিক্ষেপ ঠেকাতে কক্সবাজারগামী ট্রেনে বসছে সিসি ক্যামেরা ◈ গোয়েন্দা নথিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য: পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা নাকচ করেনি সৌদি ◈ দফায় দফায় হামলা, ধ্বংসস্তূপ থেকে যেভাবে বেঁচে ফিরলেন মোজতবা খামেনি ◈ ডিমের বাজারে অস্বাভাবিক দাম ও কৃত্রিম সংকট নিয়ে কড়া বার্তা বাণিজ্যমন্ত্রীর, ব্যবসায়ীদের যা বললেন ◈ জার্মানিতে দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য ৬ লাখ ৫০ হাজার চাকরি, আবেদন করতে পারবেন যারা ◈ আকাশসীমার জটিলতা কাটল, ১ অক্টোবর থেকে আসছে রূপপুরের ইউরেনিয়াম

প্রকাশিত : ২৭ অক্টোবর, ২০১৮, ০৪:০৪ সকাল
আপডেট : ২৭ অক্টোবর, ২০১৮, ০৪:০৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের প্রশ্নই আসে না: প্রধানমন্ত্রী

সমীরণ রায় : আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ড. কামাল হোসেনের নির্বাচনকালীন সরকারের দাবি সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক। শুক্রবার সন্ধ্যায় গণভবনে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদ ও সংসদীয় দলের এক যৌথসভায় তিনি বলেন, নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের প্রশ্নই আসে না। দেশে অস্থিতিশীলতা না করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে ভোটের লড়াইয়ে শামিল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সভা-সমাবেশ করতে কোনো বাধা দেয়া হবে না। তবে যারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে লম্বা লম্বা কথা বলেন, তারাই দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে ও পলাতক আসামীদের সঙ্গে জোট বেঁধেছেন। ড. কামাল হোসেন একজন সংবিধান প্রণেতা। তার কাছ থেকে অসাংবিধানিক কথা বার্তা মানায় না। তিনি যে নির্দলীয় সরকারের দাবি করছেন, তা সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক। তাদের যদি এতো শক্তি থাকে নির্বাচনে আসুক। তিনি একদিকে নির্বাচন চান, অন্যদিকে বলেন, নির্বাচন স্বচ্ছ হবে না। তাহলে তিনি কী চান! আওয়ামী লীগের জনগণের ওপর আস্থা আছে, নির্বাচনে জয় আমাদের হবেই।

শেখ হাসিনা বলেন, দেশের সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্র¿ণ করতে সক্ষম হয়েছি। মাদক নির্মূল করতে সক্ষম হয়েছি। কত পরিবার স্বস্তি পেয়েছে। আমরা দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। মানুষের মৌলিক চাহিদা অন্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা আমরা পূরণ করেছি। আমরা সব ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছি। এখন আর আমাদের কারো কাছে হাত পাততে হয় না। জাতির জনকের স্বপ্নের বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। এখন সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাচ্ছে তরুণ সমাজ। আমাদের লক্ষ্য ২০২০ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মজয়ন্তী পালন করা। আমাদের লক্ষ্য ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করা। তবে আমরা স্বাধীনতা সুবর্র্ণ জয়ন্তী যেভাবে পালন করব, স্বাধীনতা বিরোধীরা ক্ষমতায় থাকলে, সেইভাবে পালন হবে না।

তিনি বলেন, আমরা বিদ্যুৎ পাওযার প্লান্ট করেছি, পদ্মাসেতু, মেট্রোরেল, ফ্লাইওভার, গ্রামগঞ্জে রাস্তা-ঘাট, ব্রিজসহ এমন কোনো উন্নয়ন নেই যা করিনি। কিন্তু বিএনপির উন্নয়ন চোখে পড়ে না। তারা বলে, দেশে নাকি কোনো উন্নয়ন হয়নি। দেশে দারিদ্রসীমা ২২ভাগে নামিয়ে এনেছি। এটা কি উন্নয়ন নয়। আজকে ফোনের মাধ্যমে সহজেই কথা বলা যায়। সহজেই টাকা পাঠানো যায়। এটা কে দিয়েছে? আমি দিয়েছি। বিদ্যুতের কোনো লোডশেডিং নেই। এখন তারা এয়ারকন্ডিশনে বসে বাতাস খান। আর বলেন উন্নয়ন হয়নি। যেহেতু উন্নয়ন হয়নি। এয়ারকন্ডিশনে বসে বাতাস খান কেন? কারো কারো পাকিস্তানের উন্নয়ন চোখে পড়ে। তাদের পাকিস্তানে পাঠিয়ে দেওয়া উচিত। সম্পাদনা : সালেহ্ বিপ্লব

  • সর্বশেষ