শিরোনাম
◈ ১ লাখ সেনাসদস্য, উন্নত ইন্টারনেট ও বিদ্যুৎ নিশ্চিতে উদ্যোগ, ভোট গণনায় বিলম্বের আশঙ্কা ◈ ১৮৩ দিন পর হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরল মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির সর্বশেষ শিক্ষার্থী আবিদ ◈ আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা: এবারের  নির্বাচন ভবিষ্যতের জন্য আদর্শ তৈরি করবে ◈ বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে নিষিদ্ধের আবেদন খারিজ, ‘এটা কী ধরনের আবেদন’ প্রশ্ন দিল্লি হাইকোর্টের ◈ বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী: রাজনৈতিক অবস্থান কী, ভবিষ্যতে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা কতটা? ◈ বিশ্বকাপ নিয়ে অনিশ্চয়তা, আইনি পথেও যেতে পারে বিসিবি ◈ দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে বাংলাদেশে নির্বাচনী উত্তেজনা ◈ রিট খারিজ, নির্বাচন করতে পারবেন না মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ◈ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় ইতালির পূর্ণ সমর্থন: জুলাই সনদের প্রশংসা ◈ জামিন প্রক্রিয়ায় যুগান্তকারী পরিবর্তন, ৮ জেলায় ই-বেইলবন্ড চালু

প্রকাশিত : ২৭ অক্টোবর, ২০১৮, ০৪:০৪ সকাল
আপডেট : ২৭ অক্টোবর, ২০১৮, ০৪:০৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের প্রশ্নই আসে না: প্রধানমন্ত্রী

সমীরণ রায় : আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ড. কামাল হোসেনের নির্বাচনকালীন সরকারের দাবি সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক। শুক্রবার সন্ধ্যায় গণভবনে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদ ও সংসদীয় দলের এক যৌথসভায় তিনি বলেন, নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের প্রশ্নই আসে না। দেশে অস্থিতিশীলতা না করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে ভোটের লড়াইয়ে শামিল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সভা-সমাবেশ করতে কোনো বাধা দেয়া হবে না। তবে যারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে লম্বা লম্বা কথা বলেন, তারাই দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে ও পলাতক আসামীদের সঙ্গে জোট বেঁধেছেন। ড. কামাল হোসেন একজন সংবিধান প্রণেতা। তার কাছ থেকে অসাংবিধানিক কথা বার্তা মানায় না। তিনি যে নির্দলীয় সরকারের দাবি করছেন, তা সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক। তাদের যদি এতো শক্তি থাকে নির্বাচনে আসুক। তিনি একদিকে নির্বাচন চান, অন্যদিকে বলেন, নির্বাচন স্বচ্ছ হবে না। তাহলে তিনি কী চান! আওয়ামী লীগের জনগণের ওপর আস্থা আছে, নির্বাচনে জয় আমাদের হবেই।

শেখ হাসিনা বলেন, দেশের সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্র¿ণ করতে সক্ষম হয়েছি। মাদক নির্মূল করতে সক্ষম হয়েছি। কত পরিবার স্বস্তি পেয়েছে। আমরা দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। মানুষের মৌলিক চাহিদা অন্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা আমরা পূরণ করেছি। আমরা সব ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছি। এখন আর আমাদের কারো কাছে হাত পাততে হয় না। জাতির জনকের স্বপ্নের বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। এখন সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাচ্ছে তরুণ সমাজ। আমাদের লক্ষ্য ২০২০ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মজয়ন্তী পালন করা। আমাদের লক্ষ্য ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করা। তবে আমরা স্বাধীনতা সুবর্র্ণ জয়ন্তী যেভাবে পালন করব, স্বাধীনতা বিরোধীরা ক্ষমতায় থাকলে, সেইভাবে পালন হবে না।

তিনি বলেন, আমরা বিদ্যুৎ পাওযার প্লান্ট করেছি, পদ্মাসেতু, মেট্রোরেল, ফ্লাইওভার, গ্রামগঞ্জে রাস্তা-ঘাট, ব্রিজসহ এমন কোনো উন্নয়ন নেই যা করিনি। কিন্তু বিএনপির উন্নয়ন চোখে পড়ে না। তারা বলে, দেশে নাকি কোনো উন্নয়ন হয়নি। দেশে দারিদ্রসীমা ২২ভাগে নামিয়ে এনেছি। এটা কি উন্নয়ন নয়। আজকে ফোনের মাধ্যমে সহজেই কথা বলা যায়। সহজেই টাকা পাঠানো যায়। এটা কে দিয়েছে? আমি দিয়েছি। বিদ্যুতের কোনো লোডশেডিং নেই। এখন তারা এয়ারকন্ডিশনে বসে বাতাস খান। আর বলেন উন্নয়ন হয়নি। যেহেতু উন্নয়ন হয়নি। এয়ারকন্ডিশনে বসে বাতাস খান কেন? কারো কারো পাকিস্তানের উন্নয়ন চোখে পড়ে। তাদের পাকিস্তানে পাঠিয়ে দেওয়া উচিত। সম্পাদনা : সালেহ্ বিপ্লব

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়