শিরোনাম
◈ এক যুগের বেশি সময় পর বিআরটি প্রকল্প বন্ধের সিদ্ধান্ত, বদলে যাচ্ছে সড়কের নকশা ◈ সুখবর পেলেন ঋতুপর্ণারা, ফিফা নারী র‍্যাংকিংয়ে এক ধাপ এগিয়ে ১০৬ নম্বরে বাংলাদেশ ◈ রাজশাহীতে ৩৮ হাজার ৯৭০ আখচাষিকে ১২ কোটি টাকার প্রণোদনা দিলেন তারেক রহমান ◈ শাহজালাল বিমানবন্দরে স্টোর ভবনে আগুন ◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফর ২৬ অক্টোবর, সই হবে অন্তত ৪ সমঝোতা স্মারক ◈ যে কারণে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কতা জারি, নেপথ্যে যা জানা গেল ◈ জাতীয়কৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জরুরি নির্দেশনা ◈ ভারতবিরোধী কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে দিল্লি থেকে টাকা আসছে কলকাতায়, উসকানি ছড়াচ্ছে বাংলাদেশ থেকে: দিলীপ ঘোষ ◈ ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ কার্যকর ◈ নাটোরে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১৪, চালকসহ ৭ জনের পরিচয় শনাক্ত

প্রকাশিত : ১৯ অক্টোবর, ২০১৮, ০৮:৩৭ সকাল
আপডেট : ১৯ অক্টোবর, ২০১৮, ০৮:৩৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রোগীর সেবা মহৎ কাজ

মো. আবু তালহা তারীফ : কিয়ামতের দিন আল্লাহপাক বলবেন, হে আদম সন্তান! আমি অসুস্থ ছিলাম; কিন্তু তুমি আমার সেবা করনি। বান্দা বলবে, হে আমার প্রতিপালক! আপনি তো গোটা বিশ্বের প্রতিপালক। আমি কী করে আপনার সেবা-শুশ্রূষা করতে পারি! তখন আল্লাহতায়ালা বলবেন, তুমি কি জানোনি যে, আমার অমুক বান্দা অসুস্থ হয়েছিল কিন্তু তুমি তার সেবা করনি। যদি তুমি তার সেবা-শুশ্রূষা করতে, তাহলে তুমি সেখানে আমি আল্লাহকে পেতে। (মুসলিম শরিফ)

যারা রোগীকে অবহেলা করে, তারা আল্লাহর প্রতি অবহেলা করে। সে জন্য শেষ বিচারের দিন আল্লাহ তাদের আসামির কাঠগড়ায় দাঁড় করাবেন। এটা চরম সত্য যে, রোগীর সঙ্গে দেখা করলে নিজে রোগী হলে অন্য মানুষ দেখা কিংবা সেবা করতে আসবে। তাই সেবা যে একটা শ্রেষ্ঠ ইবাদত, সেটি সহজেই অনুমেয়। হাদিসের আলোকে দেখা যায়, এক মুসলিমের অপর মুসলিমের কাছে ছয়টি হক রয়েছে। তার মধ্যে প্রথম হক হলো কারো রোগ হলে তাকে দেখতে যাওয়া। হজরত আলী (রা.) বলেন, আমি রসুল (সা.)-কে বলতে শুনেছি, ‘যে ব্যক্তি সকালে কোনো মুসলমান রোগীকে দেখতে যায়, সত্তর হাজার ফেরেশতা তার জন্য সন্ধ্যা পর্যন্ত নেক দোয়া করতে থাকে। যে ব্যক্তি সন্ধ্যায় কোনো মুসলমান রোগীকে দেখতে যায়, পরদিন সকাল পর্যন্ত নেক দোয়া করতে থাকেন। আর তাকে জান্নাতের একটি বাগান দান করা হয়।’ (তিরমিজি শরিফ)

রোগীকে দেখতে গেলে প্রথমেই তার কপালে হাত রেখে তার অবস্থা জিজ্ঞেস করতে হবে। রোগী অথবা রোগীর পরিবার-পরিজনের সঙ্গে এমন কথাবার্তা বলা উচিত নয় যাতে তারা রোগীর হায়াতের ব্যাপারে নিরাশ হয়ে যেতে পারে। সবাইকে সান্ত্বনার কথা বলতে হবে, কোনোভাবেই মনভাঙা কথা বলা উচিত নয়। (আদাবুল মু’আশারাত)

রোগীকে দেখতে যাওয়ার পর তার সঙ্গে নম্র-ভদ্রভাবে কথা বলতে হবে। আপনি ধৈর্য ধারণ করুন, আমি আপনার জন্য দোয়া করি, খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যাবেন। এসব মঙ্গলজনক কথা বলে তাকে সাহস দিতে হবে। রসুল (সা.) বলেন, ‘যখন তুমি কোনো রোগীর কাছে যাবে কিংবা মৃত্যুপথযাত্রী ব্যক্তির কাছে যাবে, তখন তার সঙ্গে মঙ্গলজনক কথাবার্তা বলবে। কেননা তুমি যা বলো, ফেরেশতাগণ তার ওপর আমিন আমিন বলেন।’ (মুসলিম ও মিশকাত শরিফ)

আল্লাহর দরবারে রোগীর দোয়া ফেরেশতাদের দোয়ার মতো কবুল হয়। হজরত উমর (রা.) বলেন, রসুল (সা.) বলেন, তুমি কোনো রোগীকে দেখতে গেলে তোমার জন্য দোয়া করতে বলো। কেননা রোগীর দোয়া ফেরেশতাগণের দোয়ার মতো কবুল করা হয়। [উসওয়াতে রসুলে আকরাম (সা.)]

  • সর্বশেষ