প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বেশির ভাগ আওয়ামী লীগ প্রার্থী বিজয়ী

ডেস্ক রিপোর্ট: দেশের বিভিন্ন স্থানে ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বেশির ভাগ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। এর মধ্যে জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার বড়াইল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগপ্রার্থী আবু রাশেদ আলমগীর বিজয়ী হয়েছেন। পটুয়াখালীর কলাপাড়ার পায়রা বন্দর এলাকার লালুয়া ইউনিয়নে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শওকত হোসেন বিশ্বাস তপন।

এদিকে ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ফজলুল হক বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। শোচনীয় পরাজয় ঘটেছে বিএনপিদলীয় প্রার্থীর। আর উল্লেখযোগ্য ভোট পেয়েছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী। বিস্তারিত আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে :

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার বড়াইল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবু রাশেদ আলমগীর বিজয়ী হয়েছেন। নৌকা প্রতীকে আট হাজার ১৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপি মনোনীত আশরাফ আলী মণ্ডল পেয়েছেন দুই হাজার ৫৭৯ ভোট। ওই ইউনিয়নে মোট ভোটার ছিলেন ১২ হাজার ৪৯৭ জন। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদের পাশাপাশি সাধারণ সদস্য পদে ২২ জন ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

পটুয়াখালীর কলাপাড়ার পায়রা বন্দর এলাকার লালুয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শওকত হোসেন বিশ্বাস তপন বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন চার হাজার ৭৩৪ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী জসিম উদ্দিন পেয়েছেন তিন হাজার ৭৯৩ ভোট। আওয়ামী লীগ মনোনীত বর্তমান চেয়ারম্যান মীর তারিকুজ্জামান তারা নৌকা প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ৭৭২। বিএনপি মনোনীত সজল বিশ্বাস ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ৪৫১ ভোট পেয়েছেন।

এদিকে ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগপ্রার্থী ফজলুল হক বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। শোচনীয় পরাজয় ঘটেছে বিএনপিদলীয় প্রার্থীর। আর উল্লেখযোগ্য ভোট পেয়েছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গতবার বিজয়ী হন বিএনপি প্রার্থী মোতাহার হোসেন তালুকদার। এবার তিনি আর প্রার্থী হননি। বিএনপি থেকে একাধিক ব্যক্তি উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আগ্রহী ছিলেন। কিন্তু কেন্দ্র শেষ পর্যন্ত বিএনপি প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়ন দেয় মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নিলুফার ইয়াসমীন মনিকে। এদিকে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে থেকে যান উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদ রানা খান। তিনি আনারস প্রতীক নিয়ে লড়েন। শেষ পর্যন্ত এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোট চারজন প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন। অন্য দুজন হলেন তারাকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফজলুল হক। জাসদ থেকে প্রার্থী হন উপজেলা জাসদের সভাপতি মো. শহীদুল হক। কালের কণ্ঠ ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ