শিরোনাম
◈ পুলিশ সদর দপ্তরে কন্ট্রোল রুম থেকে ভোটের চিত্র পর্যবেক্ষণ করলেন প্রধান উপদেষ্টা ◈ দুপুর ১২টা পর্যন্ত দেশের ৩২ হাজার ৭৮৯ কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৩২.৮৮ শতাংশ: ইসি সচিব ◈ দুপুরে এনসিপির জরুরি সংবাদ সম্মেলন ◈ ক্ষমতায় এলে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ককে ‘অগ্রাধিকার’ দেবে জামায়াত: এনডিটিভিকে শফিকুর রহমান ◈ এবার সারা বাংলাদেশের ভোটের চিত্র একরকম, কিন্তু গোপালগঞ্জের পরিস্থিতি অন্যরকম ◈ ভোট দেওয়া শেষে সবাইকে 'ঈদ মোবারক' জানান প্রধান উপদেষ্টা ◈ রুমিন ফারহানার অ‌ভি‌যোগ, বিভিন্ন জায়গায় সিল মারার পায়তারা করছে ◈ তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী পুত্র থেকে যেভাবে বিএনপির একক নেতায় পরিণত হলেন  ◈ বিএনপির অস্তিত্বের লড়াই, জামায়াতের নতুন স্বপ্ন: সারাদেশে চলছে ভোট গ্রহণ ◈ ভোটের দিনে স্বাভাবিক রয়েছে মেট্রোরেল ও ট্রেন চলাচল

প্রকাশিত : ২৬ জুন, ২০১৮, ০৮:০৯ সকাল
আপডেট : ২৬ জুন, ২০১৮, ০৮:০৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বৃষ্টির শঙ্কা গাসিক প্রার্থী-ভোটারদের

ডেস্ক রিপোর্ট : গাজীপুর সিটি করপোরেশনের দ্বিতীয় নির্বাচনে কাল মঙ্গলবার ভোট নেওয়া হবে। আয়তনের দিক দিয়ে দেশের সর্ববৃহৎ এই সিটি নির্বাচনেই রয়েছে সবার চোখ। নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের কঠোর নজরদারির মধ্যে আনন্দ-উৎসবের মধ্য দিয়ে চলবে ভোটগ্রহণ। এমনটাই আশা করছেন নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে ভোটগ্রহণ।
ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার বিষয়টি প্রার্থীদের সম্ভাব্য জয়-পরাজয়ের অন্যতম নিয়ামক। তবে সংশ্লিষ্ট সবার মনে এ নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কারণ, বর্ষা; যখন-তখন মুষলধারে বৃষ্টি।
আজ মঙ্গলবার আষাঢ় মাসের বারোতম দিন। ভরাবর্ষায় প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে যেকোনও সময় শুরু হতে পারে ঝুম বৃষ্টি। সিটি এলাকার রাস্তাঘাটের অবস্থা তেমন ভালো না থাকায় বৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসায় বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে নারী, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ভোটারদের তাদের স্বজনেরা কীভাবে ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যাবেন, তা চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এরই মধ্যে গত কয়েকদিনের ভারী বর্ষণে মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হয়েছে জলাবদ্ধতা। এরপর যদি আজ বৃষ্টি হয় তাহলে ভোটার উপস্থিতি বেশ কমে যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

মহানগরের ছায়াবিথী এলাকার ভোটার মাওনা এস কিউ সেলসিয়াস লিমিটেডের (পোশাক কারখানা) কর্মকর্তা রুবায়েত বিন আজিজ বলেন, ‘আবহাওয়া ভালো থাকলে সাধারণ লোকজন স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে যায়, ভোটার উপস্থিতি ভালো হয়। আর বৃষ্টি হলে ভোটার উপস্থিতি কিছুটা ব্যাঘাত ঘটতে পারে।’ তিনি মনে করেন আবহাওয়ার ওপর অনেকটা নির্ভর করছে একজন প্রার্থীর জয়-পরাজয়।
মহানগরের পূবাইল এলাকার চা দেকানী সত্তোরোর্ধ ভোটার মফিজ উদ্দিন বলেন, ‘দিন ভালো থাকলে ভোটা দিবার যামু, বৃষ্টি হলে কার ঠেকা পড়ছে?’

রিক্সা চালক আব্দুল জব্বার বলেন, ‘এমনিতেই শহরের বেশিরভাগ রাস্তা ভাঙাচোড়া। তার ওপর গত কয়েকেদিনের বৃষ্টির কারণে কেউ বাসার বাহিরে বের হতে চায় না। ভোটের দিন বৃষ্টি হলে ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে আসার ইচ্ছা হারিয়ে ফেলবে। আমি চাই দিনটা যেন ভালো যায়। তাহলে ভোটারসহ প্রার্থীরাও খুশি হবে।’
মহানগরের জাঝর এলাকার ভোটার ও শ্রীপুরের এমসি বাজার এলাকার নাইস ডেনিম মিলস্ পোশাক কারখানার মহাব্যবস্থাপক সৈয়দ শামসুর রায়হান বলেন, ‘নির্বাচনের দিন যদি বৃষ্টি হয় তাহলে সবার জন্য ক্ষতির কারণ হবে। আবহাওয়ার বিষয়টি আগেই কর্তৃপক্ষের ভাবা উচিত ছিল। তারপরও দিনটা যেন ভালো যায় এবং ভোটাররা ভালোভাবে সুন্দর পরিবেশে ভোট কেন্দ্রে আসতে পারে।’
মহানগরের ১৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী তানভীর আহমেদ জানান, নির্বাচনের দিন বৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা করছেন তিনি। বলেন, ‘নির্বাচনের দিন যদি বৃষ্টি হয় তাহলে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসতে সমস্যা হবে।’ সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়