শিরোনাম
◈ উচ্চপর্যায়ের পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে ইইউ, প্রধান উপদেষ্টাকে পাওলা পাম্পালোনি ◈ জকসু নির্বাচন: ২৬ কেন্দ্রের ফলাফলে ভিপি পদে ৩৫১ ভোটে এগিয়ে শিবিরের রিয়াজুল ◈ ইসিতে যেসব অভিযোগ জানাল জামায়াত ◈ সংগীত বিভাগে শিবির সমর্থিত জিএস-এজিএস প্রার্থীর ঝুলিতে শূন্য ভোট ◈ নিজ দেশের নাগরিক হত্যা, তাদের গণকবর—সভ্য রাষ্ট্রে কল্পনাও করা যায় না: প্রধান উপদেষ্টা ◈ গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের আগ্রহ কেন? দ্বীপটি কতটা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ◈ ব্যাংক ঋণে বাড়ি কেনা সহজ হলো, নতুন সার্কুলার জারি ◈ তারেক রহমান নয়াদিল্লির জন্য “সবচেয়ে নিরাপদ বাজি” ◈ হলফনামায় তথ্য অনিচ্ছাকৃত ভুল ছিল, সংশোধন করেছি: এনসিপি প্রার্থী সারজিস আলম ◈ ‘ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার বিষয়ে আমরা অনড়’

প্রকাশিত : ২৯ মে, ২০১৮, ০৩:৫৭ রাত
আপডেট : ২৯ মে, ২০১৮, ০৩:৫৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মাদক সেবনকারীর জীবনের স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হয়

মনিহার মজুমদার : মাদক একটি মরণব্যাধি, অসৎ এবং কুৎসিত একটি পথ। সাময়িকভাবে মাদক সেবনে উন্মাদনা এবং উত্তেজনা সৃষ্টি করে। এর পরিণতি কতটা নির্মম এবং ভয়াবহ তা কেবল ভুক্ত ভোগীরাই জানে। প্রথম প্রথম মাদক সেবীরা মনে করে, মাদক সেবনের মাধ্যমে জীবন হয় আনন্দের এবং নিজেকে রাজকীয় আসনের ব্যক্তি মনে করে। ধীরে ধীরে মাদক সেবনকারীরা মাদকাসক্তির পথে চলে যেতে বাধ্য হয়। তখন কুৎসিত এবং মারাত্মক পথ থেকে ফেরা খুবই কঠিন। আমাদের কেন্দ্রীয় ¯œায়ুতন্ত্র মাদকের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন প্রকার শারীরিক-মানসিক ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। ফলে, মাদক সেবনে বাধ্য হয়।

পরবর্তীতে এটা দৈনিক সেবনের একটি নেশা হিসেবে গড়ে উঠে। মাদক সেবনে আসক্ত ব্যক্তিদেরকে মাদকদ্রব্য কুড়ে কুড়ে খেয়ে ধীরে ধীরে পঙ্গুত্বের দিকে নিয়ে যায়। মাদক সেবীর জীবনের স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হয়। জ্ঞান বুদ্ধিহীন পঙ্গু ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে পরিণত করে। জীবন হয় দুর্বিষহ। নেমে আসে জীবনে অন্ধকার, কুয়াশাচ্ছন্ন এক আত্মঘাতিক মূলক জীবন প্রবাহ। এ ব্যাধি শুধু মাদকাসক্ত ব্যক্তির একার নয়। এটা সারা পরিবার এবং সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রকে কলুষিত করে। ব্যক্তি, পরিবার, সমাজের ধ্বংসের পথ প্রশস্ত হয়। মাদকের কারণে প্রচুর অর্থ ব্যয়ে পিছু নেয় অর্থনৈতিক অস্বচ্ছলতা।

পরবর্তীতে এ সমস্যার কারণে সামাজিক, পারিবারিক এমনকি রাষ্ট্রীয় সমস্যায় পরিণত হয়। এ সমস্যা মানব সম্পদসহ সামাজিক উন্নয়নকেও বাধাগ্রস্ত করে । সমাজ থেকে মাদকাসক্তি দূর করতে পরিবারের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি পরিবারে সচেতনতা, ভালবাসা, দৃঢ় অঙ্গীকার ও সক্রিয় ভূমিকা মাদকাসক্তি নামক বিভীষিকাকে কঠোরভাবে করবে প্রতিরোধ। একই সাথে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা এবং পরিবার, সমাজ এবং সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে। রাষ্ট্রীয়ভাবে সমাজের সর্বস্তরে গণ-সচেতনতা মূলক আন্দোলনের মাধ্যমে একটি সুন্দর জাতি গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে হবে। বর্তমানে মাদকের বিরুদ্ধে যে অভিযান চলছে সরকারকে সাধুবাদ জানাই এবং সরকার যেন মাদকের বিরুদ্ধে সবসময় এই অভিযান ব্যহত রাখেন ।

পরিচিতি : শিক্ষার্থী, সরকারী তিতুমির কলেজ / মতামত গ্রহণ : মুহাম্মদ নাঈম / সম্পাদনা:  মো. এনামুল হক এনা

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়