শিরোনাম
◈ তারেক রহমানের সঙ্গে ছাত্রদলের শীর্ষ পাঁচ নেতার বিদায়ী সাক্ষাৎ, আসছে নতুন কমিটি ◈ রাষ্ট্রপতি হলে কি রাজনৈতিকভাবে নিষ্ক্রিয় হয়ে যেতে হয়? ◈ বাংলাদেশে নিজেদের গোপন নেটওয়ার্ক গঠনের চেষ্টা করছে আল-কায়েদা: জাতিসংঘের সতর্কর্তা ◈ বন্ধ হলো সামিটের এলএনজি সরবরাহ, গ্যাস সংকট আরও তীব্র হওয়ার শঙ্কা ◈ র‍্যাবের টিএফআই সেলে পৈশাচিক নির্যাতন: ট্রাইব্যুনালে চিকিৎসকের চাঞ্চল্যকর জবানবন্দি ◈ সবার মতামত নিয়েই সংবিধান সংশোধন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা হবে: চিফ হুইপ ◈ লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল হবে আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব: নৌপরিবহন মন্ত্রী ◈ সিসিটিভিতে মারধরের দৃশ্য, ছাত্রদল নেতার ঘটনায় ইউএনও বদলি ◈ ৭ জেলায় সকাল ৯টার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস ◈ ২৬ আগস্ট সরকারি ছুটি থাকছে

প্রকাশিত : ২৬ এপ্রিল, ২০১৮, ০৩:৫৩ রাত
আপডেট : ২৬ এপ্রিল, ২০১৮, ০৩:৫৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব অনেকটাই আমাদের

পরিচ্ছন্ন ঢাকার স্বপ্ন দেখার দায় শুধু মেয়রদের নয়। ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব অনেকটাই আমাদের, আমার-আপনার সবার। নতুন মেয়ররা এসেই ঢাকায় বেশ কয়েকটি আধুনিক পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করেন। মেয়ররা বানিয়ে দিয়েছেন, রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বও সিটি করপোরেশনের। কিন্তু আমরা যদি সচেতন না হই, তাহলে সিটি করপোরেশনের পক্ষে এই টয়লেটগুলো পরিচ্ছন্ন রাখা প্রায় অসম্ভব। ঢাকার ফুটপাতগুলো খুব পরিকল্পিতভাবে মেরামত করা হয়েছিল। কিন্তু অনেকদিন ধরেই ঢাকার ফুটপাতগুলো ছিল মোটরসাইকেল চালকদের দখলে। তো এই মোটরসাইকেল চালকরা অন্য গ্রহ ঢাকায় আসেন না। তারা ঢাকারই বাসিন্দা। কিন্তু ফুটপাত যে পথচারীর, এই ধারণাটাই যেন নেই তাদের।

আবার সেই চালক যখন নিজে পথচারী যাবেন তখন তিনিই গালি দেবেন মোটরসাইকেল চালকদের। এই চালকদের ঠেকাতে চমৎকারভাবে ফুটপাতগুলোর দুই পাশ খুঁটি দিয়ে আটকে দেওয়া হয়েছে। কাল দেখলাম এই খুঁটির মাঝখান দিয়ে অনেক কসরত করে অ্যাক্রোবেটিক স্টাইলে ঢুকে পড়ছেন মোটরসাইকেল চালকরা।

ঢাকার রাস্তাগুলো যেন এখন মরণফাঁদ। প্রতিদিনই ঘটছে কোনও না কোনও দুর্ঘটনা। কারো হাত যাচ্ছে, কারো পা যাচ্ছে; কারো জীবন যাচ্ছে। চালকদের অদক্ষতা, খামখেয়ালি, বেপরোয়া গতি, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহনের কারণেই ঘটছে বেশিরভাগ দুর্ঘটনা। কিন্তু পথচারীদের অসচেতনতাও কম দায়ী নয়। আন্ডারপাস বা ওভারপাস থাকার পরও রাস্তার মাঝখান দিয়ে আমরা পেরুতে চাই। জীবনের চেয়ে সময়ের মূল্য কারো কারো কাছে বেশি যায়। আন্ডারপাসগুলো একেকটা ডাস্টবিন বানিয়ে ফেলেছি আমরা। কলাটা খেয়েই ছোলাটা ছুড়ে ফেলা, ডাবের বাড়তি অংশ যেখানে সেখানে ফেলে রাখা আমাদের স্বভাবের অংশ। যেখানে সেখানে ময়লা ফেললে যে মশার বংশবৃদ্ধি হয়; আমরা আক্রান্ত হই কখনও ডেঙ্গু, কখনও চিকুনগুনিয়ায়; আমরা যেন তা ভুলেই যাই। কিন্তু মশার অত্যাচার বেড়ে গেলে আমরা মেয়রদের গালিগালাজ করি। কিন্তু ভাবিই না মশার বংশবিস্তারের দায় অনেকটাই আমাদের।

নতুন মেয়ররা নির্বাচিত হওয়ার পর ঢাকায় রাস্তার পাশে পাশে অনেক ডাস্টবিন লাগিয়েছিলেন। কিন্তু বেশি দিন সেগুলো টেকেনি। শুরুর দিকে দেখা গেছে ডাস্টবিন ফাঁকা, আশপাশে ময়লার ভাগাড়। আস্তে আস্তে সেই ডাস্টবিনগুলোও হারিয়ে গেছে। এখন গোটা শহরই খোলা ডাস্টবিন। সিটি করপোরেশন প্রতিদিন সকালে আমাদের বাসা ময়লা নিয়ে যায়। ভ্যানে করে ময়লা জড়ো করা হয় ডাস্টবিনে। তারপর বড় গাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় বড় ভাগাড়ে। কিন্তু আমাদের অনেক আধুনিক দুটি ফ্ল্যাটের মাঝের অংশ দেখলে বোঝা যাবে আমরা কতটা নাগরিক উঠতে পেরেছি। টুপ করে জানালা দিয়ে আমরা ময়লাটা ফেলে দেই। যেন কেউ দেখছে না। কিন্তু আমি তো দেখছি। এভাবে ময়লা ফেলে ফেলে আমরা বন্ধ করে দেই ম্যানহোল, মেরে ফেলি খাল। এভাবে দিনের পর দিন চলতে থাকলে মেয়রের বাপেরও সাধ্য নেই ঢাকাকে পরিষ্কার রাখে।

পরিচিতি : হেড অব নিউজ, এটিএন নিউজ/ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়