শিরোনাম
◈ বিরোধী দলের ওয়াকআউট পরিকল্পিত, আইন প্রণয়নে সহযোগিতা করছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ, ১৭ ব্যাংক দেবে ৪১ হাজার কোটি ◈ আগস্টের ২৬ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২২.৩ শতাংশ ◈ ‘মক্কা চুক্তি’ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই সৌদি যুবরাজকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি ◈ আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন দেখভালের দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ ◈ এবার সংসদীয় কমিটি থেকেও বাদ পড়লেন গাজী নজরুল ইসলাম ◈ সংসদে বিল উত্থাপন : গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ◈ বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদক হলেন কাদের গনি চৌধুরী ◈ গত বছরের তুলনায় কমেছে খুন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতা: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তপশিল, নভেম্বরে ভোট: সিইসি

প্রকাশিত : ২৬ এপ্রিল, ২০১৮, ০৩:৫৩ রাত
আপডেট : ২৬ এপ্রিল, ২০১৮, ০৩:৫৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব অনেকটাই আমাদের

পরিচ্ছন্ন ঢাকার স্বপ্ন দেখার দায় শুধু মেয়রদের নয়। ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব অনেকটাই আমাদের, আমার-আপনার সবার। নতুন মেয়ররা এসেই ঢাকায় বেশ কয়েকটি আধুনিক পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করেন। মেয়ররা বানিয়ে দিয়েছেন, রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বও সিটি করপোরেশনের। কিন্তু আমরা যদি সচেতন না হই, তাহলে সিটি করপোরেশনের পক্ষে এই টয়লেটগুলো পরিচ্ছন্ন রাখা প্রায় অসম্ভব। ঢাকার ফুটপাতগুলো খুব পরিকল্পিতভাবে মেরামত করা হয়েছিল। কিন্তু অনেকদিন ধরেই ঢাকার ফুটপাতগুলো ছিল মোটরসাইকেল চালকদের দখলে। তো এই মোটরসাইকেল চালকরা অন্য গ্রহ ঢাকায় আসেন না। তারা ঢাকারই বাসিন্দা। কিন্তু ফুটপাত যে পথচারীর, এই ধারণাটাই যেন নেই তাদের।

আবার সেই চালক যখন নিজে পথচারী যাবেন তখন তিনিই গালি দেবেন মোটরসাইকেল চালকদের। এই চালকদের ঠেকাতে চমৎকারভাবে ফুটপাতগুলোর দুই পাশ খুঁটি দিয়ে আটকে দেওয়া হয়েছে। কাল দেখলাম এই খুঁটির মাঝখান দিয়ে অনেক কসরত করে অ্যাক্রোবেটিক স্টাইলে ঢুকে পড়ছেন মোটরসাইকেল চালকরা।

ঢাকার রাস্তাগুলো যেন এখন মরণফাঁদ। প্রতিদিনই ঘটছে কোনও না কোনও দুর্ঘটনা। কারো হাত যাচ্ছে, কারো পা যাচ্ছে; কারো জীবন যাচ্ছে। চালকদের অদক্ষতা, খামখেয়ালি, বেপরোয়া গতি, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহনের কারণেই ঘটছে বেশিরভাগ দুর্ঘটনা। কিন্তু পথচারীদের অসচেতনতাও কম দায়ী নয়। আন্ডারপাস বা ওভারপাস থাকার পরও রাস্তার মাঝখান দিয়ে আমরা পেরুতে চাই। জীবনের চেয়ে সময়ের মূল্য কারো কারো কাছে বেশি যায়। আন্ডারপাসগুলো একেকটা ডাস্টবিন বানিয়ে ফেলেছি আমরা। কলাটা খেয়েই ছোলাটা ছুড়ে ফেলা, ডাবের বাড়তি অংশ যেখানে সেখানে ফেলে রাখা আমাদের স্বভাবের অংশ। যেখানে সেখানে ময়লা ফেললে যে মশার বংশবৃদ্ধি হয়; আমরা আক্রান্ত হই কখনও ডেঙ্গু, কখনও চিকুনগুনিয়ায়; আমরা যেন তা ভুলেই যাই। কিন্তু মশার অত্যাচার বেড়ে গেলে আমরা মেয়রদের গালিগালাজ করি। কিন্তু ভাবিই না মশার বংশবিস্তারের দায় অনেকটাই আমাদের।

নতুন মেয়ররা নির্বাচিত হওয়ার পর ঢাকায় রাস্তার পাশে পাশে অনেক ডাস্টবিন লাগিয়েছিলেন। কিন্তু বেশি দিন সেগুলো টেকেনি। শুরুর দিকে দেখা গেছে ডাস্টবিন ফাঁকা, আশপাশে ময়লার ভাগাড়। আস্তে আস্তে সেই ডাস্টবিনগুলোও হারিয়ে গেছে। এখন গোটা শহরই খোলা ডাস্টবিন। সিটি করপোরেশন প্রতিদিন সকালে আমাদের বাসা ময়লা নিয়ে যায়। ভ্যানে করে ময়লা জড়ো করা হয় ডাস্টবিনে। তারপর বড় গাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় বড় ভাগাড়ে। কিন্তু আমাদের অনেক আধুনিক দুটি ফ্ল্যাটের মাঝের অংশ দেখলে বোঝা যাবে আমরা কতটা নাগরিক উঠতে পেরেছি। টুপ করে জানালা দিয়ে আমরা ময়লাটা ফেলে দেই। যেন কেউ দেখছে না। কিন্তু আমি তো দেখছি। এভাবে ময়লা ফেলে ফেলে আমরা বন্ধ করে দেই ম্যানহোল, মেরে ফেলি খাল। এভাবে দিনের পর দিন চলতে থাকলে মেয়রের বাপেরও সাধ্য নেই ঢাকাকে পরিষ্কার রাখে।

পরিচিতি : হেড অব নিউজ, এটিএন নিউজ/ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ