শিরোনাম
◈ আগামী এক মাসের মধ্যে রামিসা হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড নিশ্চিত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী ◈ ‘উগ্রবাদীদের শিক্ষা দিতে’ কুরবানিতে গরু না দেওয়ার আহ্বান মাওলানা মোহাম্মদ জাফর পাশার (ভিডিও) ◈ অবশেষে কাটলো সম্প্রচার জট, ভারতে দেখা যাবে ফুটবল বিশ্বকাপ ◈ দেশের ভাগ্য পরিবর্তনে ৪০ কোটি হাতকে এক হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশে নারী-শিশু নির্যাতন বেড়েছে, বিচারহীনতা বন্ধে জরুরি পদক্ষেপ চায় ইউনিসেফ ◈ কলকাতায় বাংলাদেশি তারকাদের কাজে আপত্তি টলিউডের টেকনিশিয়ানদের, যা বললেন রুদ্রনীল ◈ যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ড পদত্যাগ করলেন ◈ দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আজ থেকে ছুটি শুরু ◈ গ্রিন কার্ডে নতুন কড়াকড়ি: যুক্তরাষ্ট্রে বসে আর নয়, বিদেশিদের দেশে ফিরে আবেদন বাধ্যতামূলক! ◈ চার নতুন নিয়ম আস‌ছে বিশ্বকাপে, ম্যাচের চেহারা বদ‌লে যা‌বে!

প্রকাশিত : ৩১ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৬:০৭ সকাল
আপডেট : ৩১ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৬:০৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সংশোধন দাবি করেছে আরএসএফ

সজিব খান: মন্ত্রীসভায় অনুমোদিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ কে সংশোধন করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সাংবাদিক সংগঠন রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস (আরএসএফ)।

আরএসএফ তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান।

এতে বলা হয়েছ, আইনটি স্বাধীন মত ও তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে বড় ধরনের হুমকি। এসব ক্ষেত্রে যেসব বিধান রয়েছে তা ওই আইন থেকে সরিয়ে ফেলতে আহ্বান জানানো হয়।

এতে বলা হয়, নতুন এ আইনে ২০০৬ সালের কুখ্যাত এবং বিতর্কিত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। শেখ হাসিনার সরকার আইসিটি আইনের  ৫৭ ধারাসহ সবচেয়ে বড় বড় ত্রুটিগুলো প্রতিকার করার সুযোগ হাতছাড়া করেছে। এটি নিন্দনীয়।

শুধু ২০১৭ সালেই ৫৭ ধারার অধীনে কমপক্ষে ২৫ জন সাংবাদিক ও কয়েক শত ব্লগার ও ফেসবুক ব্যবহারকারীকে বিচারের আওতায় আনা হয়েছে। তাই এটাকে ঢেলে সাজানোর প্রয়োজন ছিল। কিন্তু এই ধারার অনেকটাই প্রস্তাবিত নতুন আইনের বিভিন্ন ধারায় নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। তার অধীনে ১৪ বছর পর্যন্ত জেলের বিধান রয়েছে।

আরএসএফের এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান ডানিয়েল বাস্টারড বলেছেন, প্রস্তাবিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সন্তোষজনক নয়। বিশেষ করে তা বেশ কিছু পয়েন্টের কারণে। এমনকি এই আইনটি আগের আইনের চেয়ে অনেক বেশি কঠোর। তাই সাংবাদিকদের বা ব্লগারদের কণ্ঠরোধের জন্য যেসব ধারা বা বিধান ব্যবহার হতে পারে তার সবটাই প্রত্যাহার করতে হবে। এতে যে অস্পষ্টতা রয়েছে তার অধীনে আগের মতো একইভাবে এর অপব্যবহার অনুমোদন করা হবে। এতে তারাই সুবিধা পাবে, যারা চায় না সংবাদ ও তথ্যের অবাধ ও নিরপেক্ষতা। প্রয়োজনীয় সংশোধনীগুলোর একটি হতে পারে এমন একটি আর্টিকেল যোগ করা, যার অধীনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো মানহানী বা ধর্ম অবমাননার প্রক্রিয়া শুরু করার আগে অভিযোগ পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনা করবেন।

এতে আরো বলা হয়, গত জুলাইয়ে যদিও আইসিটি আইনের ৫৭ ধারা বাতিলের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশের সম্পাদক পরিষদ, তথাপিও এর অনেকটাই প্রস্তাবিত নতুন আইনের ১৯ নম্বর ধারায় যুক্ত করা হয়েছে। এর অধীনে কোনো রিপোর্ট বা লেখা যদি মানুষের মনকে বিষিয়ে তোলে, কারো অবমাননা করা হয় ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়া হয়, তাহলে এর জন্য এ আইনে দু’বছরের জেলের বিধান রয়েছে। কোনো লেখা যদি জনশৃংখলা বিনষ্টের জন্য দায়ী বলে বিবেচিত হয়, তাহলে আর্টিকেল ২০ এর অধীনে শাস্তি হিসেবে সাত বছরের জেল হতে পারে।

অন্যদিকে স্বাধীনতা যুদ্ধ অথবা জাতির পিতার বিরুদ্ধে কোনো নেতিবাচক প্রচারণা ছড়িয়ে দেয়ার শাস্তি হতে পারে ১৪ বছরের জেল অথবা ৫০ লাখ টাকা জরিমানা, অথবা উভয় দন্ড। এসব দন্ডের কথা বলা হয়েছে নতুন বিধানে।

নতুন আইনের ৩২ ধারার অধীনে গুপ্তচরবৃত্তি যেভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে তার মধ্যে থাকবে সরকার, আধা সরকারি অথবা শায়ত্তশাসিত কোনো প্রতিষ্ঠানের কোনো তথ্য গোপনে রেকর্ড করা। এবং এ অপরাধের জন্য ১৪ বছরের জেল অথবা ২০ লাখ টাকা জরিমানা, বা উভয় দন্ডের কথা বলা হয়েছে।

Source: https://rsf.org/en/news/bangladesh-urged-remove-threats-free-speech-new-digital-law

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়