শিরোনাম
◈ যে কারণে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কতা জারি, নেপথ্যে যা জানা গেল ◈ জাতীয়কৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জরুরি নির্দেশনা ◈ ভারতবিরোধী কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে দিল্লি থেকে টাকা আসছে কলকাতায়, উসকানি ছড়াচ্ছে বাংলাদেশ থেকে: দিলীপ ঘোষ ◈ ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ কার্যকর ◈ নাটোরে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১৪, চালকসহ ৭ জনের পরিচয় শনাক্ত ◈ ভারতের আসামে দুই দিনে ১১০০ বাঙালি মুসলিম পরিবার উচ্ছেদ, ভাঙা হলো ১০টির বেশি মসজিদ ◈ ১৪৮ দিন পর জয়ের দেখা, স্বস্তিতে টটেনহ্যাম ◈ সব ধর্মের মানুষের ঐক্যে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ◈ অতিরিক্ত উৎপাদনে আলুর দরপতন, কেজিতে ১৪ টাকা পর্যন্ত লোকসানে কৃষক ◈ মব থামছে না, দিন‌কে দিন রাজ‌নৈ‌তিক চেহারা পা‌চ্ছে, নেপথ্যে কী?

প্রকাশিত : ২৫ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৬:৪২ সকাল
আপডেট : ২৫ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৬:৪২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আঁতাতের রাজনীতিতে বিএনপি!!

ডেস্ক রিপোর্ট : বিএনপির থিংক ট্যাংক হিসেবে পরিচিত তাঁরা। কিন্তু ইদানিং তাঁরা নীরব। বেগম জিয়ার সঙ্গেও তাঁদের যোগাযোগ কম। বিএনপি চেয়াপারসনও তাঁদের খুব একটা ডাকেন না। নিজেদের লোকজনের সঙ্গে অলস আড্ডায় এদের দিন কাটে। এরা প্রত্যেকেই মনে করেন, ‘বেগম জিয়া ভুল খেলছেন। ভুল চাল দিয়ে তিনি নিজেকে এবং দেশকে বিপর্যয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন।‘ বেগম জিয়ার এই থিংক ট্যাংকরা হলেন, আমার দেশের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান,কবি ও লেখক ফরহাদ মজহার এবং চার্টার্ড অ্যাকাউনটেন্ড ও যায়যায় দিনের সাবেক সম্পাদক শফিক রেহমান। অবশ্য এরা তিনজনই মামলার শেকলে আবদ্ধ। বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, ‘মামলার ভয় দেখিয়ে সরকার এদের অচল করে রেখেছে।‘কিন্ত এই তিনজনই তাঁদের ঘনিষ্ঠিদের বলেছেন, মামলার ভয়ে নয় বরং বেগম জিয়ার ভুল রাজনীতির কারণেই তাঁরা হতাশ হয়ে দূরে সরে আছেন।

ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী সময়ে বিএনপির সবচেয়ে সোচ্চার কণ্ঠস্বর ছিলেন মাহমুদুর রহমান। আমার দেশের মাধ্যমে তিনিই ছিলেন আসলে বিএনপির মুখপাত্র। একাধিক মামলায় দণ্ডিত হয়ে দীর্ঘদিন কারাবরণ করেন তিনি। এখন অনেকগুলো মামলা মাথায় নিয়ে তিনি নিভৃত জীবনযাপন করছেন। বেগম জিয়ার সঙ্গেও তাঁর দেখা সাক্ষাৎ হয় না। কয়েকজন ঘনিষ্ঠ সংবাদকর্মীর সঙ্গে গল্পগুজব করেই তাঁর দিন কাটে। এদের কাছেই বেগম জিয়ার ভুল রাজনীতির ব্যাখ্যা দিয়েছেন বিএনপির এই নেতা। তাঁর মতে, ‘আদালতের রায়ের অপেক্ষা না করে এখনই উচিত বিএনপির আন্দোলনে যাওয়া। আদালতের রায়ের পর বিএনপির ভাঙ্গন হবে, আন্দোলন না।’

ঘনিষ্ঠ সংবাদ কর্মীদের তিনি বলেছেন, ‘আন্দোলনের সব রশদ মজুদ থাকার পরও বিএনপি এত অসহায় কেন, এটা তাঁর বোধগম্য নয়।’ এমনকি মাহমুদুর রহমান সন্দেহ করেন, ‘বিএনপি হয়তো সরকারের সঙ্গে গোপন আঁতাত করেছে। না হলে সব অন্যায় মুখ বুঁজে সহ্য করছে কীভাবে।’ আমার দেশের ওই সম্পাদক এটাও মনে করেন, ‘বেগম জিয়াকে গ্রেপ্তার করলে আন্দোলন করার মতো নেতৃত্ব বিএনপিতে নেই।’

বিএনপির নেতা না হলেও দ্রুতই তিনি বিএনপির থিংক ট্যাংকে পরিণত হয়েছিলেন। কবি ও লেখক ফরহাদ মজহার। কিন্তু নিজেই নিজেকে এক অপহরণ নাটকে জড়িয়ে ফেলেন। পরবর্তীতে নারীঘটিত কেলেংকারি বিতর্কে কোনঠাসা অবস্থায় আছেন। বিএনপি এবং বেগম জিয়ার সঙ্গেও তাঁর যোগাযোগটা আলগা। তবে, তিনিও মনে করছেন, বিএনপি সরকারকে সুযোগ দিচ্ছে। একের পর এক আন্দোলনের সুযোগ বিএনপি নষ্ট করছে বলেও তিনি তাঁর ঘনিষ্ঠদের বলেছেন। ফরহাদ মাজহার মনে করেন, ‘সরকার দানব হয়ে উঠেছে, আর বিএনপি ভয়ে ঘরে ঢুকে আছে।’

আরেক সম্পাদক শফিক রেহমান ছিলেন বেগম জিয়ার বক্তৃতা লেখক। কিন্তু জয়কে হত্যা প্রচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে জেল খাটার পর তিনিও বেগম জিয়া থেকেবহুদূরে। তিনিও বিএনপির রাজনীতির গতিপ্রকৃতি নিয়ে হতাশ। তিনিও ঘনিষ্ঠদের বলেছেন, ‘বিএনপি সরকারকে ওয়াক ওভার দিচ্ছে।’

অবশ্য তিনজনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘ওনারা তিনজনই শুধু বিএনপির নয় দেশের সম্পদ।সীমাহীন নির্যাতনের ক্ষোভ থেকেই হয়তো তারা এসব বলছেন। তবে বিএনপি সঠিক পথেই আছে, জনগণের সঙ্গেই আছে। শিগগিরই তার প্রমাণ দেখবেন আপনারা।’

বাংলা ইনসাইডার

  • সর্বশেষ