শিরোনাম
◈ দেড় বছর পর জামিনে কারামুক্ত সাবেক এমপি দবিরুল ইসলাম ◈ ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মানুষের ঢল ◈ ২১১ জনকে ৭৯ জন মিলে ‘তীরের মতো সোজা’ করে রাখব: আমির হামজা ◈ অর্থনৈতিক দায়-দেনা, সিন্ডিকেট ও মব জাস্টিস—নতুন সরকারের কঠিন সমীকরণ ◈ মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আজ ◈ প্রথমবারের মতো শহীদ মিনারে জামায়াত আমির, জানালেন শ্রদ্ধা ◈ ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানালেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ◈ ‘বিপজ্জনক’ সংখ্যাগরীষ্ঠতায় বিএনপির প্রকৃত রাজনৈতিক চরিত্র দেখা যাবে ◈ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ব্যয় আড়াই ট্রিলিয়ন ডলারে ◈ ওয়ান‌ডে সি‌রিজ খেল‌তে পা‌কিস্তান ৯ মার্চ বাংলাদেশে আসছে, সূচি ঘোষণা বিসিবির

প্রকাশিত : ২৪ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৪:১৮ সকাল
আপডেট : ২৪ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৪:১৮ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আওয়ামী লীগের নিজ ঘরানাতেই খুনোখুনি বেশি

আবু সাঈদ খান : যশোরে এক বছরে ৮০ জন খুন। মেজরিটি আওয়ামী লীগ নেতারা। আওয়ামী ঘরানার আভ্যন্তরীণ কোন্দলের শিকার তারা। বাইরের কোনো দল এতে সম্পৃক্ত নেই বললেই চলে। আওয়ামী লীগের হাতেই আওয়ামী লীগ খুন হয়েছে। যদি আওয়ামী লীগের শাসনামলেই আওয়ামী লীগ একের পর এক খুন হতে থাকে, তাহলে জনগনের নিরাপত্তা কোথায়? রাজনীতির সাথে ইয়াবা ও চোরাচালান জড়িয়ে পড়ছে। দেখা যাচ্ছে যে, রাজনৈতিক কারণে একটা লোক খুন হচ্ছে কিন্তু খুনের কারণ অরাজনৈতিক, ব্যবসা সংক্রান্ত। এক ধরনের সহিংসতা বেড়েই যাচ্ছে। বিভিন্নভাবে মানুষ নির্মমতার বলি হচ্ছে এবং নারীরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।

যশোরে বিভিন্ন অপরাধ চক্র গড়ে উঠেছে এবং রাজনৈতিক দলের ছাতার নিচে আশ্রয় নিচ্ছে। ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যশোরে জামায়াত আর সন্ত্রাসীরা মিশে গেছে। ক্ষমতায় থাকার মধ্য দিয়ে সমস্ত সন্ত্রাসীরা পার পেয়ে যাচ্ছে। যে দলই ক্ষমতায় যায়, অপরাধিরা সেই দলের ছাতার নিচেই আশ্রয় গ্রহণ করে। আওয়ামী লীগের ব্যাপারেও তাই ঘটছে। কোনো ক্ষেত্রে হতে পারে যে, এই খুনোখুনির সাথে বিরোধী দল জড়িত। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এতে নিজ ঘরানার ঠিকাদারী, স্মাগলিং এ সবের ভাগাভাগি জড়িত। এই খুনোখুনিকে রাজনৈতিক খুনোখুনি বলা যায় না।

পরিচিতি: সিনিয়র সাংবাদিক
মতামত গ্রহণ : সানিম আহমেদ
সম্পাদনা: মোহাম্মদ আবদুল আবদুল অদুদ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়