শিরোনাম
◈ মি‌ডিয়ার বিরু‌দ্ধে এমন সিদ্ধান্ত কে‌নো? বিসিবির কোন নিরাপত্তা ব্যাহত হয়েছে, জানতে চান সাংবাদিকেরা  ◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নির্বাচনের ৩ দিন আগে শুল্ক চুক্তি করবে অন্তর্বর্তী সরকার ◈ রাজশাহীতে মাদকাসক্ত ছেলের হাতে মায়ের নৃশংস হত্যাকাণ্ড ◈ কুখ্যাত এপস্টেইন নথিতে বাংলাদেশের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ◈ নির্বাচনের আগে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা কেন শঙ্কিত? ◈ জানুয়ারিতে রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড, এলো ৩.১৭ বিলিয়ন ডলার ◈ কুৎসা রটিয়ে, বিভ্রান্তি ছড়িয়ে এবং ধাপ্পা দিয়ে জনগণের ভোট নেওয়া যায় না : মির্জা আব্বাস  ◈ প্রতারক চক্রের ফোনকলে সাড়া না দিতে নির্বাচন কমিশনের আহ্বান ◈ কিশোরগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে দালালচক্রের বিরুদ্ধে র‍্যাবের অভিযান, ২০ জনের কারাদণ্ড ◈ নোয়াখালীতে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর

প্রকাশিত : ২৪ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৪:১৮ সকাল
আপডেট : ২৪ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৪:১৮ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আওয়ামী লীগের নিজ ঘরানাতেই খুনোখুনি বেশি

আবু সাঈদ খান : যশোরে এক বছরে ৮০ জন খুন। মেজরিটি আওয়ামী লীগ নেতারা। আওয়ামী ঘরানার আভ্যন্তরীণ কোন্দলের শিকার তারা। বাইরের কোনো দল এতে সম্পৃক্ত নেই বললেই চলে। আওয়ামী লীগের হাতেই আওয়ামী লীগ খুন হয়েছে। যদি আওয়ামী লীগের শাসনামলেই আওয়ামী লীগ একের পর এক খুন হতে থাকে, তাহলে জনগনের নিরাপত্তা কোথায়? রাজনীতির সাথে ইয়াবা ও চোরাচালান জড়িয়ে পড়ছে। দেখা যাচ্ছে যে, রাজনৈতিক কারণে একটা লোক খুন হচ্ছে কিন্তু খুনের কারণ অরাজনৈতিক, ব্যবসা সংক্রান্ত। এক ধরনের সহিংসতা বেড়েই যাচ্ছে। বিভিন্নভাবে মানুষ নির্মমতার বলি হচ্ছে এবং নারীরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।

যশোরে বিভিন্ন অপরাধ চক্র গড়ে উঠেছে এবং রাজনৈতিক দলের ছাতার নিচে আশ্রয় নিচ্ছে। ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যশোরে জামায়াত আর সন্ত্রাসীরা মিশে গেছে। ক্ষমতায় থাকার মধ্য দিয়ে সমস্ত সন্ত্রাসীরা পার পেয়ে যাচ্ছে। যে দলই ক্ষমতায় যায়, অপরাধিরা সেই দলের ছাতার নিচেই আশ্রয় গ্রহণ করে। আওয়ামী লীগের ব্যাপারেও তাই ঘটছে। কোনো ক্ষেত্রে হতে পারে যে, এই খুনোখুনির সাথে বিরোধী দল জড়িত। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এতে নিজ ঘরানার ঠিকাদারী, স্মাগলিং এ সবের ভাগাভাগি জড়িত। এই খুনোখুনিকে রাজনৈতিক খুনোখুনি বলা যায় না।

পরিচিতি: সিনিয়র সাংবাদিক
মতামত গ্রহণ : সানিম আহমেদ
সম্পাদনা: মোহাম্মদ আবদুল আবদুল অদুদ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়