শিরোনাম
◈ ৬ হাজার ৭৫৫ কোটি টাকা ব্যয়ের পর অসমাপ্ত অবস্থায় বাতিল ২৯ প্রকল্প ◈ ট্রাম্পের দাবি: মার্কিন হুঁশিয়ারিতে ইরানে বিক্ষোভকারীদের হত্যা ও মৃত্যুদণ্ড স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছে তেহরান ◈ যে কারণে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিত করছে যুক্তরাষ্ট্র ◈ বিএনপি নেতা সাজুকে বহিষ্কার ◈ ইরান–যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা: কাছাকাছি মার্কিন ঘাঁটি ও সামরিক শক্তির হিসাব ◈ এবার ভারত থেকে ইলিশ এল বাংলাদেশে, বেনাপোল বন্দরে ৫৩ কাটুন আটক ◈ দেশের বাজারে সব রেকর্ড ভেঙে সোনার দামে ইতিহাস ◈ ট্রাম্প প্রশাসনের বড় সিদ্ধান্ত: বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা স্থগিত হচ্ছে ◈ নবম পে স্কেল: ফের বৈঠকে বসছে কমিশন, চূড়ান্ত হতে পারে একাধিক বিষয় ◈ নাজমুল ইসলাম পদত্যাগ না করলে সব ধরনের ক্রিকেট বর্জনের ঘোষণা

প্রকাশিত : ২০ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৭:৫৯ সকাল
আপডেট : ২০ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৭:৫৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ছাদে উচ্চ স্বরে গান, প্রতিবাদ করায় প্রাণ গেল বৃদ্ধের

ডেস্ক রিপোর্ট : বাসার ছাদে উচ্চ স্বরে গান বাজানোর প্রতিবাদ করায় প্রাণ দিতে হলো এক বৃদ্ধকে। আজ শুক্রবার রাজধানীর আর কে মিশন রোডের একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে আটক করেছে।

নিহত মো. নাজমুল হক (৬৫) একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা। তিনি পরিবার নিয়ে আর কে মিশন রোডের ৪৪ নম্বর বাড়ির নবমতলায় থাকতেন। ওই বাসার ছাদের ‘কমিউনিটি হলে’ বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে একটি গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে উচ্চ স্বরে গান বাজানো হচ্ছিল।

নাজমুল হকের ছেলে বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা জে এম নাসিমুল হক প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর বাবা নাজমুল হক হৃদরোগে আক্রান্ত এবং তাঁর একবার বাইপাস সার্জারিও হয়েছিল। রাতে বাসার ছাদে ফ্ল্যাট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসেনের ভাতিজা হৃদয়ের গায়েহলুদের অনুষ্ঠান চলছিল। অনুষ্ঠানে এত জোরে গান বাজানো হচ্ছিল যে তাঁদের ফ্ল্যাটের জানালা ও মেঝে কাঁপছিল । তাঁর অসুস্থ বাবা ঘুমাতে পারছিলেন না। তখন তিনি নিচে গিয়ে কেয়ারটেকারকে বিষয়টি বললে আলতাফ হোসেন এসে রূঢ় আচরণ করেন। তবে কিছুক্ষণ পরে গান বন্ধ হয়ে যায়।

নাসিমুল বলেন, এর জের ধরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আলতাফ হোসেন, তাঁর স্ত্রী, ভাতিজা হৃদয় এবং আরও সাত-আটজন নিচে জড়ো হন। তাঁরা তখন কেয়ারটেকারকে দিয়ে তাঁকে নিচে ডেকে আনেন। তাঁর সঙ্গে তাঁর বাবা, বোন ও স্ত্রীও নিচে নামেন। নামার সঙ্গে সঙ্গেই আলতাফ হোসেন, হৃদয়সহ অন্যরা তাঁর ওপর হামলা করেন। তাঁর বাবা তখন থামাতে গেলে সবাই মিলে তাঁকেও মারতে থাকেন। একপর্যায়ে তাঁর বাবা মাটিতে পড়ে যান। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ওয়ারী অঞ্চলের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. সোহেল রানা বলেন, বাসার সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ এবং মৃত নাজমুল হকের ছেলে ও মেয়ের সঙ্গে তাঁদের কথা হয়েছে। গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে উচ্চ স্বরে গান বাজানোকে কেন্দ্র করেই তাঁরা প্রথমে নাজমুল হকের ছেলে নাসিমুল হকের ওপর চড়াও হন। পরে নাজমুল হক ঠেকাতে গেলে তাঁর ওপরও চড়াও হন। আট থেকে দশজন মারামারিতে অংশ নেয়।

সোহেল রানা বলেন, ‘আমাদের ধারণা, ইনটেনশনালি তারা প্রস্তুত হয়েই ছিল। শারীরিক অ্যাসলটের পরেই হয়তো বৃদ্ধ মানুষ পড়ে গেছেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।’ প্রথম আলো

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়