ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামায় উঠে এসেছে বৈচিত্র্যময় তথ্য। সেই তালিকায় রয়েছে গণঅধিকার পরিষদ থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দেওয়া রাশেদ খাঁন।
ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ-সদর আংশিক) আসনে পেয়েছেন ধানের শীষের মনোনয়ন। নির্বাচনি হলফনামায় জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত গাড়ি, বাড়ি, প্লট ও জমি কিছুই নেই। পেশা হিসেবে রাজনীতি ও ব্যবসা ও স্ত্রী গৃহিণী বলে নিজের হলফনামায় উল্লেখ করেছেন রাশেদ খাঁন।
রাশেদ খাঁনের হলফনামা অনুযায়ী, বর্তমানে তার কাছে মোট ৩৫ লাখ ৪৫ হাজার ৮৭৫ টাকা নগদ রয়েছে। এছাড়া, তার স্ত্রীর নামে মাত্র ৩০ হাজার টাকা নগদ অর্থ জমা রয়েছে।
রাশেদ খাঁনের দুটি বেসরকারি ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট রয়েছে। এর মধ্যে ঝিনাইদহ শাখা এবং ঢাকা সেনানিবাস শাখায় তার নামে মোট ৭ হাজার ৫৮২ টাকা জমা রয়েছে।
রাশেদ খাঁনের নিজের কাছে রয়েছে ৩০ ভরি সোনা, এবং তার স্ত্রীর নামে ১০ ভরি সোনা রয়েছে। এই সোনাগুলো তিনি উপহার হিসেবে পেয়েছেন। ঐ সোনার অর্জনকালীন মূল্য ছিল ৩৬ লাখ ৫৩ হাজার ৪৯৭ টাকা, যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৮১ লাখ ৪৮ হাজার ৪১২ টাকা।
রাশেদ খাঁনের স্ত্রীর নামে কিছু ইলেকট্রনিক পণ্য, আসবাবপত্র ও উপহারসামগ্রী রয়েছে, যার অর্জনকালীন মূল্য ছিল ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং বর্তমান আনুমানিক মূল্য ১৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
হলফনামায় রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেছেন যে, তার নামে কোনো স্থাবর সম্পত্তি, জমি, প্লট, গাড়ি বা বাড়ি নেই। একইভাবে, তার স্ত্রীর নামেও এমন কোনো সম্পত্তি নেই।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী, রাশেদ খাঁন তার বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। সম্পদের পরিমাণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেছেন ৩৮ লাখ ৪৫ হাজার ৯১৫ টাকা।
রাশেদ খাঁনের নামে কোনো শেয়ার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র বা ব্যাংক আমানত নেই এবং তার বিদেশে কোনো সম্পত্তিও নেই বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে।