শিরোনাম
◈ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেই হবে সাইবার সুরক্ষা আইন: তথ্যমন্ত্রী ◈ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস  বাণিজ্যে আ‌মে‌রিকার পর রাশিয়ারও নজর এবার বাংলাদেশে ◈ নারী এশিয়া কা‌পের সে‌মিফাইনা‌লে আজ রা‌তে বাংলা‌দেশ-ভারত মু‌খোমু‌খি ◈ ভার‌তে ব্রিকস স‌ম্মেল‌নে যা‌চ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী : হুমায়ুন কবির ◈ তৃতীয় এলএনজি টার্মিনালে খরুচে চীনা কোম্পানিকেই কেন সরকারের পছন্দ ◈ শিক্ষককে হানিট্র্যাপে ফেলে টাকা আদায়, নারীসহ গ্রেপ্তার ৪ ◈ যুদ্ধ শুরুর পর সবচেয়ে বড় আঘাত করল ইরান ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় পরিচয় নয়, বৈধ প্রার্থিতাই মূল: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম ◈ মির্জা ফখরুলের ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর ◈ প্রতি মাসে ভ্যাট রিটার্ন জমার বাধ্যবাধকতা ফিরছে, অনুমোদনের পর প্রস্তাব উঠবে সংসদে

প্রকাশিত : ২১ এপ্রিল, ২০২৫, ০১:৩৮ রাত
আপডেট : ২৩ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দেশি-বিদেশি মাস্টারপ্ল্যান আওয়ামী লীগকে মাঠে নামানোর পেছনে

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে পতন হয় স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের।এরপর সবাইকেই দেশ থেকে পালাতে কিংবা দেশেই গা ঢাকা দিতে হয়েছে।তবে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে ফ্যাসিবাদের তকমা পাওয়া আওয়ামী লীগ। গণ-অভ্যুত্থানে পালিয়ে যাওয়া দলটি দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছরের ভয়াবহ অপশাসনের জন্য ক্ষমা চাওয়া তো দূরে থাক, উলটো হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। হাজারো শহিদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আরও বড় ফ্যাসিস্ট হয়ে ফিরে আসার জানান দিচ্ছে। এমনকি এখন তারা দেশের মধ্যে সংগঠিত হতে শুরু করেছে।

মাঝে মধ্যে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝটিকা মিছিল করছে আওয়ামী লীগ। প্রকাশ্যে সমাবেশ করার প্রস্তুতি নিতে গোপনে জড়ো হচ্ছে। একই সঙ্গে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিরুদ্ধে নিয়মিত বক্তৃতা-বিবৃতি দেওয়া অব্যাহত আছে। শুরুর দিকে আওয়ামী লীগের মিছিলে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা সংখ্যায় কম থাকলেও, ক্রমেই তা বড় হচ্ছে।

এদিকে ছাত্র-জনতার নজিরবিহীন গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার মাত্র আট মাসের মাথায় আওয়ামী লীগের এই সক্রিয় হওয়া এবং ভয়-ভীতি উপেক্ষা করে রাজপথে প্রকাশ্যে ঝটিকা মিছিল করা নিয়ে নানান প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। কারা তাদের নেপথ্যে থেকে মদদ দিচ্ছে এবং কাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে দলটির নেতাকর্মীরা মাঠে নামছেন। সন্দেহের তির পুলিশ ও সিভিল প্রশাসন ছাড়াও কয়েকটি রাজনৈতিক দলের দিকে। বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রশাসনের মধ্য থেকে সবুজ সংকেত না থাকলে এত বড় গণহত্যার পর দলটির মাঠে নামার কথা নয়। বিশেষ করে প্রশাসনের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা আওয়ামী দোসররা কৌশলে সমর্থন ও উসকানি দিচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সময় থাকতে সতর্ক না হলে এবং দ্রুত আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা না হলে ক্ষমতাচ্যুত এই দলটির নেতাকর্মীদের এ ধরনের অপতৎপরতা বাড়তেই থাকবে। ফলে নির্বাচনি তফশিল ঘোষণা হলে আওয়ামী লীগ পুরোনো চেহারায় ফিরে আসবে। ফের অশান্ত হবে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি। পরবর্তী সময়ে যার খেসারত দিতে হবে পুরো জাতিকে। নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতায় এলেও ৩ বছরের মধ্যে দল বা ভবিষ্যৎ জাতীয় সরকারকে ব্যর্থ করে দিতে আওয়ামী লীগ একের পর এক ষড়যন্ত্র কার্ড খেলবে। আওয়ামী লীগকে মাঠে নামানোর পেছনে দেশি-বিদেশি চক্র মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করছে। ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগকে রাজনীতি ও সরকারে পুনর্বাসন করতে কতগুলো বিকল্প প্ল্যান নিয়েও তারা ব্যস্ত সময় পার করছে। যারা কাজে লাগাচ্ছে প্রতিটি মুহূর্ত। উৎস: যুগান্তর।

  • সর্বশেষ