শিরোনাম
◈ শিলাবৃষ্টি ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ না ফেরার দেশে অভিনেতা শামস সুমন ◈ ইরান-ইসরাইল-মার্কিন যুদ্ধে ভারতের ওপর ৫০ বিলিয়ন ডলারের ধাক্কা ◈ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে বরফ গলছে! ◈ যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নাকচ, কঠোর অবস্থানে মোজতবা খামেনি ◈ এক দশকে বাংলাদেশের অর্ধেক তরুণ চাকরি পাননি: বিশ্বব্যাংক ◈ নববর্ষে চালু হচ্ছে কৃষক কার্ড, প্রথম ধাপে ২১ হাজার কৃষক পাচ্ছেন সহায়তা ◈ ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা লারিজানিকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের ◈ মশক নিধনে ঢাকার দুই সিটিকে কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দেশীয় প্রযুক্তিতে জোর ◈ ঈদযাত্রায় বেশি ভাড়া নিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে : আইজিপি

প্রকাশিত : ১৬ জুলাই, ২০২৪, ০৭:৪২ বিকাল
আপডেট : ০৩ এপ্রিল, ২০২৫, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ছাত্রলীগের হামলা মধ্যযুগীয় বর্বরতাকে হার মানিয়েছে: কর্নেল অলি

রিয়াদ হাসান: [২] কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম বলেছেন, একটি যৌক্তিক দাবিতে আন্দোলনরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ওপর সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় ছাত্রলীগের সশস্ত্র হামলা মধ্যযুগীয় বর্বরতাকে হার মানিয়েছে।

[৩] মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি।

[৪] কর্নেল অলি বলেন, সোমবার দুপুরে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য এলাকায় জড়ো হলে ছাত্রলীগের বহিরাগত সন্ত্রাসীদের সঙ্গে নিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালায়। এতে নারীসহ অসংখ্য শিক্ষার্থী আহত হয়। আমি এই ন্যক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

[৫] তিনি বলেন, শোষণ ও বৈষম্যমুক্ত, ন্যায়বিচারভিত্তিক রাষ্ট্রের জন্য আমরা মুক্তিযুদ্ধ করলেও উপেক্ষিত মুক্তিযুদ্ধের উদ্দেশ্য। এদেশে আওয়ামী লীগ ছাড়া কারও কোনো অধিকার নেই। শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের দাবি-দাওয়া যৌক্তিক ও ন্যায়সঙ্গত। মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই। ছাত্র সমাজের কোটা সংস্কার আন্দোলনের ন্যায্য ও যৌক্তিক দাবিসমূহ সরকারকে এখনই মেনে নিতে হবে। মনে রাখতে হবে, মেধাবী শিক্ষার্থীরা রাষ্ট্রের সম্পদ। তাদের হত্যা করা বা ধ্বংস করা রাষ্ট্রের কর্ম হতে পারে না।

[৬] এলডিপি প্রেসিডেন্ট বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের ভিত্তিতে মুক্তিযুদ্ধের অর্থ্যাৎ স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রধান অঙ্গীকার ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার নিশ্চিত করা, বৈষম্যহীন রাষ্ট্র ও সমাজ বিনির্মাণ করা। সাংবিধানিকভাবে ও আইনের দৃষ্টিতে সব নাগরিক সমান। আমি রণাঙ্গনের একজন বীরবিক্রম হিসাবে বলব, সন্তানদের চাকরির জন্য মুক্তিযুদ্ধ করিনি, বৈষম্য দূরীকরণের জন্যই আমরা দেশ স্বাধীন করেছি। সম্পাদনা: সমর চক্রবর্তী

এসবি২

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়