শিরোনাম
◈ চার বছর পর বিধিনিষেধহীন মুক্ত পরিবেশে পহেলা বৈশাখ ◈ পহেলা বৈশাখে ইলিশের দাম চড়া ◈ নববর্ষ ১৪৩১ বঙ্গাব্দকে বরণে বর্ণাঢ্য র‌্যালি করবে আওয়ামী লীগ ◈ নতুন বছর মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রেরণা জোগাবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ নতুন বছর মানে ব্যর্থতা পেছনে ফেলে সমৃদ্ধ আগামী নির্মাণ করা: মির্জা ফখরুল ◈ ইসরায়েলের তেল আবিব থেকে সরাসরি ঢাকায় ফ্লাইট অবতরণ ◈ বিএনপি গুম-নির্যাতনের কাল্পনিক তথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে: ওবায়দুল কাদের ◈ সরকারি খরচে ৩০৪৮টি মামলায় আইনি সহায়তা প্রদান ◈ রেল ভ্রমণে মানুষের আস্থা তৈরি হয়েছে: রেল মন্ত্রী  ◈ অস্ট্রেলিয়ায় শপিংমলে ছুরি হামলায় নিহত ৫, আততায়ী মারা গেছে পুলিশের গুলিতে

প্রকাশিত : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ০২:৪৯ রাত
আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ০২:৪৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বানান সরল করুন

শামসুদ্দিন পেয়ারা 

শামসুদ্দিন পেয়ারা: কোনো বাঙলা বানানেই ঈ বা (ঈ-কার), ঊ বা (ঊ-কার), ঞ, ণ, য, ষ, ঢ়, ৎ থাকার দরকার নেই। বাংলা ভাষাকে যখন সংস্কৃত ভাষার অঙ্গভাষা মনে করা হতো তখনকার সংস্কৃত পণ্ডিতরা এইসব সংস্কৃত (তৎসম) বানান চালু করেছিলেন। তারপর বাংলা ভাষা বহু চড়াই-উৎরাই পার হয়ে একটি শতভাগ স্বাধীন ও সার্বভৌম ভাষায় পরিণত হয়েছে। বাংলা এখন বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম ভাষা। পৃথিবীর অষ্টম বৃহত্তম দেশ বাংলাদেশ-এর রাষ্ট্রভাষা। তাকে এখন নিজের পরিচয় দেয়ার জন্য অন্যের বংশমর্যাদার দোহাই দিতে হয় না। সংস্কৃতের দুহিতা পরিচয়ে জগৎসভায় পেছনের আসনে গিয়ে বসতে হয় না। গত এক হাজার বছরে বাংলার নিজস্ব উচ্চারণ রীতি সৃষ্টি হয়ে তা পাকাপোক্ত রূপ নিয়েছে। সে উচ্চারণ রীতি সংস্কৃত ভাষার উচ্চারণ রীতি থেকে আলাদা। কাজেই তার বানান-ও সংস্কৃতের থেকে আলাদাই হবে। সেটাই স্বাভাবিক ও যুক্তিসঙ্গত। লেখক: মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়