শিরোনাম
◈ শুধু সনদনির্ভর শিক্ষা নয়, গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষ জনশক্তি গড়তে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ জাতীয় সংসদ ভবনে সোলার প্যানেল স্থাপনের উদ্যোগ, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে একাধিক সুপারিশ কমিটির ◈ মাইকিং করে বাণিজ্যমেলার মাঠে ভাঙচুর, ভেকু দিয়ে গেট ভাঙছেন শেকৃবি শিক্ষার্থীরা: মাঠ বিশ্ববিদ্যালয়কে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি ◈ মোটরসাইকেলের সামনের অংশে নম্বরপ্লেট নিয়ে যে নতুন সিদ্ধান্ত ◈ এবার বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড আড়াই ঘণ্টা পোশাক শ্রমিকদের অবরোধ ◈ জাতীয় নিরাপত্তা শুধু সামরিক প্রস্তুতি নয়, প্রয়োজন শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান: রাষ্ট্রপতি ◈ মেসি জাদুতে জয়, চ্যাম্পিয়ন্স কাপে ইন্টার মায়ামি ◈ পোশাকশিল্পে অস্থিরতায় ক্রয়াদেশ হারানোর শঙ্কা, ভাঙচুরে ভাড়াটে লোক ব্যবহারের অভিযোগ; ২৪ ঘণ্টায় আন্দোলন বন্ধের আশ্বাস, গ্রেপ্তার নেতাদের মুক্তি দাবি ◈ আজ রাতেই অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হানতে যাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’, বাংলাদেশের ৪ সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত ◈ ভূমিকম্প মোকাবিলায় পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিতকরণ এবং জরুরি উদ্ধার সক্ষমতা বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ২৯ মার্চ, ২০২৩, ০৫:২৮ সকাল
আপডেট : ৩০ মার্চ, ২০২৩, ০৪:৩৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জামায়াতের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের বিবৃতি, বিশিষ্ট নাগরিকদের প্রতিবাদ

ফাইল ছবি

সময় সংবাদ: জামায়াতে ইসলামীর ‘মানবাধিকার’ নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন অধিকারকর্মী, শিক্ষক, মুক্তিযোদ্ধা, শিল্পী ও সাংস্কৃতিককর্মীসহ বিশিষ্টজনেরা।

মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) এক বিবৃতিতে তারা জানান, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের স্বৈরশাসকরা তাদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মিত্র মার্কিনিদের সহায়তায় নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। যেখানে তারা পৃথিবীর ইতিহাসের অন্যতম জঘন্য বর্বোরচিত হত্যাকাণ্ডের জন্ম দেয়। হানাদার বাহিনী ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাত থেকে শুরু করে ১৫ ডিসেম্বর বাঙালি জাতির বিজয়ের সময় পর্যন্ত ৩০ লাখ নিরীহ বাঙালিকে হত্যা ও দুই লাখ নারীর সম্ভ্রম হানি করে।
 
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ১৯৭১ সালের সেই বর্বরতার সাক্ষ্য এখনও বহন করছে বাংলাদেশের প্রতিটি জনপদ। সারা দেশে পাকিস্তানি বর্বরদের সহযোগী হিসেবে তৎকালীন জামায়াতে ইসলামী, মুসলিম লীগ, নেজামে ইসলামী ও তাদের সহযোগী ইসলামী ছাত্র সংঘের নেতৃত্বে গড়ে উঠে আল-বদর, আল-শামস, রাজাকার বাহিনী। তারা সেসময় লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, নারী-ধর্ষণের মতো জঘন্য মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘঠিত করে এক কোটির বেশি বাঙালিকে দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নিতে বাধ্য করে।
 
স্বাধীনতার ৫৩ বছরে দাঁড়িয়ে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী গোষ্ঠী এখনও এই দেশের ঘৃণিত জামায়াত ও পাকিস্তানের পক্ষে রয়েছে।
  
এতে আর বলা হয়, সাম্রাজ্যবাদী মার্কিনি ও পাকিস্তানি স্বৈরশাসকদের জঘন্য অপরাধের বিষয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অসংখ্য প্রমাণ রয়েছে। বিজয়ের প্রাক্কালে এই শক্তি নীল নকশা অনুযায়ী দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, পেশাজীবীদের হত্যা করে বাঙালির ইতিহাস মুছে দিতে চেয়েছে।
 
বিবৃতিতে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতে ইসলামীসহ সব ধর্মান্ধ রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি যুদ্ধাপরাধের দায়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে পাকিস্তানকে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান বিশিষ্টজনেরা।
  
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল ও রাশেদা কে চৌধুরী, ঐক্য ন্যাপের সভাপতি পঙ্কজ ভট্টাচার্য, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি ডা. সারওয়ার আলী, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের সভাপতি অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক এম এম আকাশ, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের নির্বাহী সভাপতি অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস, বিএমএ’র সাবেক সভাপতি ডা. রশীদ-ই মাহবুব, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম, জাতীয় শ্রমিক জোটের সভাপতি মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ, গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জাহিদুল বারী ও সাধারণ সম্পাদক মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ, গবেষক ও শিক্ষাবিদ ড. সেলু বাসিত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. জোবায়দা নাসরিন কনা, সমাজ কর্মী এম এ সামাদ, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য রঞ্জিত কুমার সাহা, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সহ-সভাপতি কাজল দেবনাথ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী, উঠোন সাংস্কৃতি সংগঠনের সভাপতি অলক দাশগুপ্ত, আনন্দন সাংস্কৃতিক সংগঠনের সমন্বয়ক এ কে আজাদ, খেলাঘরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম জহির, শিক্ষক নেতা অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম সবুজ, বাংলাদেশ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলম ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের (বিসিএল) সভাপতি গৌতম শীল।

এমএএস

  • সর্বশেষ