শিরোনাম
◈ মানদণ্ডে ব্যর্থ, বাজার থেকে ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের ◈ আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতায় ওষুধের মূল্য নির্ধারণ থমকে গেছে: বাজারে আসছে না নতুন ওষুধ, হুমকিতে বিপুল বিনিয়োগ ◈ নেপালকে হারিয়ে সিরিজে ২-১এ এগি‌য়ে গে‌লো বাংলাদেশ নারী কাবাডি দল ◈ ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা নিশ্চিতে নির্ভুল তথ্যভাণ্ডার গড়ার ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ ◈ মিয়ানমার সীমান্তে ১০৮ কিলোমিটার কাঁটাতারের বেড়া, প্রাথমিক পরিকল্পনার কথা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ মেসির সঙ্গে ‘প্রতারণা’ করেছে আর্জেন্টিনা: বিবিসির বিশ্লেষণ ◈ ফাইনালে আর্জেন্টিনার এনজোর লাল কার্ড নিয়ে যা বলছে ভিএআর ◈ হামের উপসর্গে আরও পাঁচ মৃত্যু, সিলেটে তিনজন ◈ স্টারমারের স্থলাভিষিক্ত বার্নহাম, ব্রিটেনে নতুন সরকার ◈ বাংলাদেশ রেলওয়েতে যুক্ত হচ্ছে ভারতের তৈরি ২০০ আধুনিক কোচ, বাড়বে যাত্রী পরিবহন সক্ষমতা

প্রকাশিত : ২৫ জানুয়ারী, ২০২৩, ০৭:২৯ বিকাল
আপডেট : ২৬ জানুয়ারী, ২০২৩, ১১:৪৮ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সফলতা কী, ব্যর্থতা কী এটা যাচাই করবে জনগণ: সংসদে প্রধানমন্ত্রী 

সংসদে প্রধানমন্ত্রী

মনিরুল ইসলাম: প্রধানমন্ত্রী ও সংসদনেতা শেখ হাসিনা বলেছেন, সততা নিয়ে কাজ করলে কেন ব্যর্থ হতে হবে। বলেন, সফলতা কী, ব্যর্থতা কী— এটা যাচাই করবে জনগণ। এটা যাচাই করা আমার দায়িত্ব না। সততা ও সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে জনগণের কল্যাণ বিবেচনা করে কাজ করলে ব্যর্থ হবো কেন? কোথায় সাফল্য, কোথায় ব্যর্থতা সেটা জনগণই বিচার করবে।

জাপার সদস্য ফখরুল ইমামকে উদ্দেশ্য করে সংসদনেতা বলেন, মাননীয় সদস্যর যখন এতই আগ্রহ তাহলে, আমার ব্যর্থতাগুলো আপনিই খুঁজে বের করে দিন, আমি সংশোধন করে নেবো।

বুধবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ফখরুল ইমামের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে ফখরুল ইমাম প্রধানমন্ত্রীর কাছে তার ব্যর্থতার কথা জানতে চান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমি ছোট থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। কলেজেও রাজনীতি করেছি। ভিপি ছিলাম। ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কমিটির সদস্য হিসেবে কাজ করেছি। রাজনীতি আমাদের পারিবারিক, একেবারেই রক্তেই আছে। কিন্তু কখনও এত বড় দায়িত্ব নিতে হবে বলে ভাবিনি। ওই ধরণের কোনও আকাঙ্ক্ষাও ছিল না। এমনকি কখনও এই ধরনের দাবিও করিনি। সময়ের প্রয়োজনে যখন যে কাজ দিয়েছে, সেই কাজই করে গেছি। চেষ্টা করেছি। পঁচাত্তরের পরে আওয়ামী লীগের দায়িত্ব দিলো। বিশেষ করে ১৯৮০ সালে যখন লন্ডনে গেলাম, সেখানে আওয়ামী লীগ সংগঠনকে শক্তিশালী করতে কাজ করেছি।

১৯৮১ সালে স্বদেশে ফিরে আসার ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনটা সফল হওয়া, কোনটা বিফল হওয়া, সেটা না। সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ করতে হবে। দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে হবে।

জাতির পিতার আদর্শকে প্রতিষ্ঠিত করার প্রত্যয় নিয়ে দেশে ফিরে এসেছিলেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, সারা বাংলাদেশ ঘুরেছি। দেশকে চিনেছি, জেনেছি। সরকার গঠনের পর তৃণমূলের মানুষ যাতে ভালো থাকে সেই আকাঙ্ক্ষা নিয়েই কাজ করেছি। তার সুফল এখন জনগণ পাচ্ছে। ১৪ বছর আগের বাংলাদেশ আর এখনকার বাংলাদেশে যে আমূল পরিবর্তন—সেটা আমরা বয়োবৃদ্ধ যারা আছি তারা জানি। কিন্তু আজকের প্রজন্ম জানবে না। যদি সততা নিয়ে, সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে জনগণের কল্যাণে কি কাজ করতে হবে সেটা বিবেচনা করে কাজ করা যায় তাহলে ব্যর্থ হবো কেন? কোথায় সাফল্য, কোথায় ব্যর্থতা সেটা জনগণই করবে।

এমআই/এনএইচ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়