শিরোনাম
◈ ৯ বছরেও প্রত্যাবাসন হয়নি, রোহিঙ্গা সংকটে নতুন কৌশলের আহ্বান ◈ কোচিং সেন্টারে জড়াতে পারবেন না জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যরা: সুপ্রিম কোর্টের পরিপত্র জারি ◈ প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ◈ সম্পাদকদের সঙ্গে জামায়াত আমিরের বৈঠক, যা নিয়ে আলোচনা হলো ◈ ইরানের সব ‘অর্থনৈতিক লাইফলাইন’ ছিন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা ◈ আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি, দেশে প্রভাব পড়ার শঙ্কা কতটা? ◈ যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১বি ভিসার ফি বাড়িয়ে ১ লাখ ডলার করার প্রস্তাব ◈ এশিয়ার যে দেশ সন্তান জন্ম দিলেই ৬৭ লাখ টাকা দেবে! ◈ প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মন্ত্রীরা অনুপস্থিত থাকলে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে যারা থাকবেন ◈ এপিবিএনকে ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দিয়ে আইনের খসড়া অনুমোদন

প্রকাশিত : ০৭ ডিসেম্বর, ২০২২, ০৪:০১ দুপুর
আপডেট : ০৭ ডিসেম্বর, ২০২২, ০৪:০১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জাতিসংঘ রেজুলেশনে সন্নিবেশিত হলো বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক উক্তি

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

কূটনৈতিক প্রতিবেদক: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত ‘ইন্টারন্যাশনাল ইয়ার অব ডায়ালগ অ্যাজ এ গ্যারান্টি অব পিস, ২০২৩’ শীর্ষক রেজুলেশনের ১৪তম প্যারায় সন্নিবেশন করা হয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির মূল ভিত্তি ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়।’ যা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ও মহান উক্তি হিসেবেই পররাষ্ট্র নীতিতে যুক্ত করেছিল বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) কোভিড পরবর্তী বিশ্ব ব্যবস্থা এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সাধারণ পরিষদের প্ল্যানারিতে রেজুলেশনটি উত্থাপন করে তুর্কমেনিস্তান। এটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। রেজুলেশনটিতে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার সকল দেশ কো-স্পন্সর করে। সর্বমোট কো-স্পন্সর করে ৭০টি দেশ।

বিশ্বমানবতা ও বিশ্বশান্তির অন্যতম প্রবক্তা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক উক্তিটি এবারই প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ রেজুলেশনে সন্নিবেশিত হলো। রেজুলেশনটির ১৪তম প্যারাতে বঙ্গবন্ধুর উক্তিটি যেভাবে সন্নিবেশিত হয়েছে,‘দারিদ্র্য, ক্ষুধা, রোগ, নিরক্ষরতা এবং বেকারত্বের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের গুরুত্ব স্বীকার করে এবং গঠনমূলক সহযোগিতা, সংলাপ এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার চেতনায় সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব এবং কারো প্রতি বিদ্বেষ নয় বলে জোর দেওয়া হলে তা এই উদ্দেশ্যগুলো অর্জনে সহায়তা করবে।’

১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণদানকালে জাতির পিতা যে বিষয়গুলোর ওপর জোর দিয়ে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার কথা বলেছিলেন, সেগুলোর ধারণামূলক ভিত্তি হতে এই অনুচ্ছেদটির প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়।

জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ আব্দুল মুহিতের দিক নির্দেশনায় মিশনের কূটনীতিক ড. মো. মনোয়ার হোসেন রেজুলেশনটির প্রস্তুতিপর্ব থেকে শুরু করে চূড়ান্তপর্ব পর্যন্ত নিবিড়ভাবে কাজ করেন। ফলে বিশ্বশান্তিকে এগিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টায় গৃহীত এই রেজুলেশনটিতে জাতির পিতার ঐতিহাসিক উক্তিটি অন্তর্ভূক্ত করা সম্ভব হয়।

টিআই/এনএইচ

  • সর্বশেষ