শিরোনাম
◈ বিরোধী দলের ওয়াকআউট পরিকল্পিত, আইন প্রণয়নে সহযোগিতা করছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ, ১৭ ব্যাংক দেবে ৪১ হাজার কোটি ◈ আগস্টের ২৬ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২২.৩ শতাংশ ◈ ‘মক্কা চুক্তি’ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই সৌদি যুবরাজকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি ◈ আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন দেখভালের দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ ◈ এবার সংসদীয় কমিটি থেকেও বাদ পড়লেন গাজী নজরুল ইসলাম ◈ সংসদে বিল উত্থাপন : গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ◈ বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদক হলেন কাদের গনি চৌধুরী ◈ গত বছরের তুলনায় কমেছে খুন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতা: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তপশিল, নভেম্বরে ভোট: সিইসি

প্রকাশিত : ০৮ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:৪৭ দুপুর
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : মনিরুল ইসলাম

সংসদে বিল পাস, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই বহাল থাকছে

মনিরুল ইসলাম: বাংলাদেশে রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে নতুন আইনগত পদক্ষেপ। সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল ২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে, যার ফলে ক্ষমতাচ্যুত দল আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই বহাল থাকছে।

আজ বুধবার দুপুরে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে বিলটি পাসের সময় বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বক্তব্য দিতে চাইলে তা বিধিসম্মত না হওয়ায় স্পিকার অনুমতি দেননি। তখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, আপনাদের দাবির প্রেক্ষিতে এই আইনের অধীনে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছিলো।
উল্লেখ্য, আইনটি পাসের মধ্য দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা এ সংক্রান্ত অধ্যাদেশের আইনী ভিত্তি পেল।

এর আগে ২০২৫ সালের ১২ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর সব ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। সেই সিদ্ধান্ত অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশের ভিত্তিতে কার্যকর ছিল। পরবর্তীতে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ কর্তৃক গঠিত একটি বিশেষ কমিটি অধ্যাদেশটি পর্যালোচনা করে সংশোধিত আকারে সংসদে আইন হিসেবে পাসের সুপারিশ করে। কমিটির সুপারিশের আলোকে বিলটি সংসদে উত্থাপন ও পাস করা হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, এই বিল আইনে পরিণত হওয়ার ফলে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকার পাশাপাশি দলটির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ তৈরি হবে। অর্থাৎ, নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিচারের পথ সুগম হবে। অবশ্য এই সিদ্ধান্ত দেশের রাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে এবং রাজনৈতিক ভারসাম্যে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলে অনেকে মনে করেন।

  • সর্বশেষ