শিরোনাম
◈ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন আরও চারজন, শপথ আজ সন্ধ্যায় ◈ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য সরকারের নির্দেশনা ◈ শিক্ষা খাতে সবচেয়ে বড় বাজেট বাস্তবায়ন করেছে বিএনপি সরকার: অর্থমন্ত্রী ◈ জিন্নাহর গোপন রোগের তথ্য ফাঁস, ৭৯ বছর পর পুরস্কৃত দুই চিকিৎসক ◈ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানালেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ◈ ইতালি রোমের আলোচিত ঘটনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে যা বললেন নগরবাউল জেমস! ◈ ডলারের দাম অপরিবর্তিত, সপ্তাহজুড়ে ওঠানামা পাউন্ড-ইউরোসহ অন্যান্য মুদ্রায় ◈ বিলের পানিতে হাঁস পালন করে বদলাচ্ছে নড়াইলের তরুণদের ভাগ্য, ডিমের বাজার ২২ কোটি টাকা! ◈ ‘ভুয়া’ খবর বিষয়ক সতর্কবার্তা দিল ভারতীয় হাইকমিশন ◈ পরিবারের বড় ছেলে, যার কাঁধে অনেক দায়িত্ব: মির্জা ফখরুলকে নিয়ে জামাতা ফাহাম

প্রকাশিত : ০৬ জুলাই, ২০২৬, ০৭:৩৭ বিকাল
আপডেট : ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্থানীয়দের অভিযোগের পর মালয়েশিয়ায় অভিযানে বাংলাদেশিসহ ২০০ বিদেশি আটক

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের তামান মালুরি নৈশবাজারে এক ঝটিকা অভিযান চালিয়ে ২০০ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে টানা দুই সপ্তাহ নজরদারি চালানোর পর গত রোববার (৫ জুলাই) এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। 

কুয়ালালামপুর এবং পুত্রাজায়া অভিবাসন কার্যালয় যৌথভাবে কুয়ালালামপুর সিটি হলের (ডিবিকেএল) সহায়তায় ‘অপ কুতিপ’ নামের এই অভিযানটি চালায়।

কুয়ালালামপুর অভিবাসন দপ্তরের পরিচালক হামশাহ ইনজাউ জানিয়েছেন, অভিযান চলাকালীন মোট ৫০০ জনের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। এর মধ্যে ৪০৭ জন বিদেশি নাগরিক এবং ৯৩ জন মালয়েশিয়ান ছিলেন। পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা শেষে বৈধ নথিপত্র না থাকায় ২০০ জনকে আটক করা হয়, যাদের মধ্যে ১২৫ জন পুরুষ এবং ৭৫ জন নারী। আটককৃতরা বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার, ভিয়েতনাম, চীন, পাকিস্তান এবং ভারতের নাগরিক।

রোববার সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে এই অভিযান শুরু হয়। সে সময় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে অনেক বিদেশি নাগরিক দিগ্বিদিক ছুটে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কেউ কেউ আশেপাশের এলাকায় লুকিয়ে থাকার চেষ্টা করলেও আগে থেকে পুরো এলাকা নজরদারিতে রাখা কর্মকর্তাদের তৎপরতায় তারা ধরা পড়েন। আটককৃতদের বিরুদ্ধে বৈধ ভ্রমণ নথি না থাকা, অতিরিক্ত সময় অবস্থান করা, সামাজিক ভিজিট পাসের অপব্যবহার এবং অভিবাসন পাসের শর্ত লঙ্ঘনের মতো বিভিন্ন অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

পরিচালক হামশাহ ইনজাউ সাংবাদিকদের জানান, স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ ছিল এই এলাকায় বিপুল সংখ্যক বিদেশি নাগরিক জড়ো হয়ে নানা কর্মকাণ্ড চালাচ্ছেন, যার ভিত্তিতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। 

তামান মালুরিতেই এই অভিযান শেষ নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাজধানী কুয়ালালামপুরের অন্য যেসব নৈশবাজারে বিদেশিদের আনাগোনা বেশি, সেগুলোতেও পর্যায়ক্রমে চিরুনি অভিযান চালানো হবে। অভিবাসন আইন লঙ্ঘনকারী কোনো বিদেশি যাতে মালয়েশিয়ায় স্বস্তিতে থাকতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে এই তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

একই সাথে নিয়োগকর্তা এবং দালাল চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে হামশাহ বলেন, অভিবাসন দপ্তরের এই আইনগত পদক্ষেপ কেবল অবৈধ অভিবাসীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। যেসব নিয়োগকর্তা, ব্যবসায়ী, এজেন্ট বা সিন্ডিকেট অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় দিচ্ছে বা কাজে রাখছে, তাদেরও খুব শীঘ্রই আইনের আওতায় আনা হবে। 

অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করা হবে না এবং আইন অনুযায়ী অত্যন্ত পেশাদারিত্ব ও সততার সাথে এই অভিযানগুলো চালানো হবে। পাশাপাশি অভিবাসন সংক্রান্ত যেকোনো অপরাধের তথ্য দিয়ে বিভাগকে সহায়তা করার জন্য তিনি সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।

সূত্র: মালয় মেইল।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়