শিরোনাম
◈ ২৫ বছরের অপেক্ষার অবসান, ব্যালন ডি’অর জিতে ইতিহাস গড়লেন হ্যারি কেইন ◈ জামিনে মুক্তি পেয়ে পুরোনো অপরাধে ফিরছেন দাগি আসামিরা ◈ অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি ঠেকানো কঠিন: রেলমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগের সম্ভাবনা কতটা, কী কী শর্ত পূরণ জরুরি ◈ ৬৪৬ কোটি টাকার প্রকল্পে অগ্রগতি মাত্র ১৬ শতাংশ, দুই বছরেও শুরু হয়নি সিলেটের দুই গ্যাসকূপ খনন ◈ বাংলাদেশে ভ্যাকসিন উৎপাদন কারখানা স্থাপনে জাপানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ টঙ্গীতে শিশু নির্যাতন: দেশ ছাড়ার কথা জানালেন শিশুটির বাবা রুমি ◈ স্পেনের বাজারে রপ্তানি বাড়াতে বাংলাদেশি পণ্যের বহুমুখীকরণে জোর ◈ ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে ৫ বড় পরিবর্তন, সীমান্ত বন্ধ ও গণবহিষ্কারে জোর ◈ মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে গেজেট প্রকাশ

প্রকাশিত : ২১ নভেম্বর, ২০২৩, ০১:৪০ দুপুর
আপডেট : ২২ নভেম্বর, ২০২৩, ০২:২৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মিয়ানমারের প্রায় অর্ধেকই প্রতিরোধ যোদ্ধাদের দখলে

ইমরুল শাহেদ: [২] আড়াই বছরের শাসনকালে সম্ভবত এবারই বড়সড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হলো মিয়ানমারের সামরিক সরকারকে। সেনা সরকার-বিরোধী সশস্ত্র প্রতিরোধ যোদ্ধারা একজোট হয়েছে। দাবি করা হয়েছে, দেশের অর্ধেকাংশ এখন তাদের নিয়ন্ত্রণে। পরিস্থিতি যে খুব একটা অনুকূলে নয়, তার ইঙ্গিত মিলেছে জান্তা সরকারের প্রতিক্রিয়ায়। সরকারের প্রেসিডেন্ট মিয়ে সুয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এভাবে অস্থিরতা তৈরি করা হলে দেশ টুকরো টুকরো হয়ে যাবে। অশান্তির জেরে প্রতিবেশী দেশগুলিতে পালাচ্ছেন মিয়ানমারের বহু নাগরিক এবং সেনাবাহিনীর কোনো কোনো ব্যাটেলিয়ন। সূত্র: আনন্দবাজার

[৩] ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিদ্রোহ ঘটিয়ে মিয়ানমারে সামরিক শাসন জারি করেছিল সেনাবাহিনী। দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে নানা প্রান্তে শুরু হয় বিদ্রোহ। সম্প্রতি মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়্যান্স আর্মি, তাঙ্গ ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি এবং আরাকান আর্মি হাত মিলিয়েছে। এই তিন গোষ্ঠীর জোট ‘থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়্যান্স’ হিসেবে পরিচিত। মিয়ানমারের বিভিন্ন প্রান্তে জান্তা সরকারের সেনাবাহিনীর সঙ্গে ওই গোষ্ঠীর প্রবল সংঘর্ষ চলছে। 

[৪] সাম্প্রতিক কালে তিন গোষ্ঠীর জোটের সঙ্গে সেনাবাহিনীর প্রথম সংঘাত ঘটে গত ২৭ অক্টোবর। লড়াই হয় দেশের উত্তর এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাংশে। দ্বিতীয় সংঘাতের ঘটনাটি ঘটেছে গত ৭ নভেম্বর। সে সংঘর্ষে দক্ষিণ-পূর্বের একটি বড় এলাকা দখল করে নিয়েছে ‘থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়্যান্স’। সম্প্রতি আরাকান আর্মি একটি প্রদেশ দখল করে নিয়েছে।

[৫] পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়ে উঠতে পারে যদি তিন গোষ্ঠীর জোট মিয়ানমারের কেন্দ্রস্থল, বিশেষ করে মান্দালয়ের উত্তরে সংঘর্ষ শুরু করে। প্রশ্ন হল, ‘থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়্যান্স’-এর সাফল্য কি মিয়ানমারের বিরোধীদের প্রতিরোধ যোদ্ধাদের বাহিনীতে যোগ দিতে উৎসাহিত করবে কিনা। যদি তাই হয় তাহলে সামরিক সরকারের জন্য একটি জটিল পরিস্থিতি তৈরি করবে।

[৬] দেশে অশান্তির জন্য ‘থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়্যান্স’-কে দায়ী করেছেন তিনি। অনেকেই মনে করেছেন, এটা জান্তা সরকারের শেষের শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে চীনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের অনুমান, বাণিজ্যিক কারণে জান্তা সরকারের পাশে রয়েছে চীন প্রশাসন। কিন্তু ‘থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়্যান্স’-এর এই বাড়বাড়ন্ত বেইজিংয়ের সমর্থন ছাড়াও সম্ভব নয়।

আইএস/এইচএ

  • সর্বশেষ